ফেনীতে শিক্ষকের বেত্রাঘাতে চতুর্থ শ্রেণির এক ছাত্রের ডান চোখ মারাত্মক ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। এ ঘটনার ৯৬ দিনেও অভিযুক্ত শিক্ষকের বিরুদ্ধে কোনো ব্যবস্থা নেয়নি কতৃপক্ষ। শাস্তি ও ক্ষতিপূরনের দাবিতে সংবাদ সম্মেলন করেছে ভুক্তভোগী ওই শিক্ষার্থীর পরিবার।
গত ১৪ মে ফেনীর দাগনভূঞা উপজেলার ওয়াজেরিয়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে এ ঘটনা ঘটে। বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক তাপস মজুমদারের ওই ছাত্রকে বেত্রাঘাতের অভিযোগ উঠেছে।
ভুক্তভোগী ছাত্র মাহেদুল ইসলাম দাগনভুঞার জগতপুর এলাকার ডাক্তার বাড়ির প্রবাসী রেয়াজুল হকের ছেলে। আর অভিযুক্ত শিক্ষক উপজেলার রামানন্দপুর গ্রামের কামিনী মজুমদারের ছেলে।
বুধবার এক সংবাদ সম্মেলনে মাহেদুলের বাবা রেয়াজুল হক এক লিখিত বক্তব্যে জানান, গত ১৪ মে ফেনীর দাগনভূঞা উপজেলার ওয়াজেরিয়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে এ ঘটনা ঘটে। গণিতে ভুল করার অভিযোগে বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক তাপস মজুমদারের ওই ছাত্রকে বেত্রাঘাত করে। পরে ছাত্রের চিৎকারে স্কুলের শিক্ষক, কর্মচারী ও স্থানীয় লোকজন এগিয়ে গিয়ে তাকে রক্তাক্ত অবস্থায় উদ্ধার করে দাগনভুঞা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যান। সেখানকার কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে ফেনীতে রেফার করেন। এক পর্যায়ে মাহেদুল হাসানকে চট্টগ্রামের পাহাড়তলী চক্ষু হাসপাতালে নেওয়া হয়। কয়েকদিন চিকিৎসা নেওয়ার পর রাজধানীর জাতীয় চক্ষু বিজ্ঞান ইনস্টিটিউটে পাঠানো হয়।
রেয়াজুল হক আরও বলেন, ‘শিক্ষক তাপস মজুমদারের বেত্রাঘাতে আমার ছেলের ডান চোখ মারাত্মক ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। চিকিৎসা নিয়ে ব্যস্ত রয়েছি। আমি ওই শিক্ষকের শাস্তি চাই।’
এ বিষয়ে জানতে অভিযুক্ত শিক্ষক তাপস মজুমদারকে একাধিকবার ফোন করা হলেও তিনি রিসিভ করেননি।
ওয়াজেরিয়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক সালেহ উদ্দিন জানান, বেত্রাঘাতে আহত চতুর্থ শ্রেণির ছাত্র মাহেদুল ইসলামের চিকিৎসা চলছে।



