ফেনীতে রাতের আঁধারে গাছ কেটে রেললাইনে ফেলে নাশকতার চেষ্টা চালিয়েছে দুর্বৃত্তরা। তবে বিষয়টি তাৎক্ষণিক রেলওয়ের প্রকৌশল বিভাগের নজরে আসায় বড় ধরনের দুর্ঘটনা এড়ানো সম্ভব হয়েছে। এছাড়া ফেনীর ফাতেপুর বিক্ষোভ ও পশুরামের আঞ্চলিক সড়কে টায়ারে আগুন দিয়ে অবরোধ করার চেষ্টা করেছে দুর্বৃত্তরা।
গতকাল বুধবার দিবাগত রাতে ঢাকা-চট্টগ্রাম রেলপথের ফেনীর মহেশপুর এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।
পুলিশ সূত্রে জানা যায়, আজ ভোররাতে রেলওয়ের নিয়মিত টহলদল শহরতলির আলোকদিয়া সংলগ্ন মহেশপুর এলাকায় রেললাইনের ওপর গাছের গুঁড়ি দেখতে পান। তাৎক্ষণিক সেগুলো সরিয়ে নেওয়ায় ট্রেন চলাচলে কোনো বিঘ্ন ঘটেনি।
ফেনী রেলওয়ে স্টেশন মাস্টার মো. হারুন বলেন, রেলওয়ে প্রকৌশল বিভাগের টহলদলের নজরে আসার সঙ্গে সঙ্গে গাছের গুঁড়ি সরিয়ে নেওয়া হয়েছে। তাৎক্ষণিক নজরে আসায় বড় ধরনের দুর্ঘটনা এড়ানো সম্ভব হয়েছে। ট্রেন চলাচল স্বাভাবিক রয়েছে। এখন পর্যন্ত কোনো শিডিউল বিপর্যয় হয়নি।
ফেনী রেলওয়ে পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ দীপক দেওয়ান বলেন, দুর্বৃত্তরা রেললাইনের পাশে থাকা গাছ কেটে লাইনে ফেলে নাশকতার চেষ্টা করে। রাত ৩টা ১৫ মিনিটে বিষয়টি নজরে আসে। এ ঘটনায় প্রয়োজনীয় আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
এর আগে গত শনিবার ভোরে ফেনী শহরতলির দক্ষিণ সহদেবপুর রেলওয়ে ব্রিজ সংলগ্ন এলাকায় রাতের আঁধারে রেলপথের যন্ত্রাংশ খুলে নাশকতার চেষ্টা করে দুর্বৃত্তরা।
এদিকে কার্যক্রম নিষিদ্ধ ঘোষিত আওয়ামী লীগের সামাজিক মাধ্যমে ‘লকডাউন’ কর্মসূচির ঘোষণাকে সমর্থন জানিয়ে ফেনীতে বিক্ষোভ করেছেন নিষিদ্ধ ছাত্রলীগের নেতা-কর্মীরা। বুধবার রাত ১০টার দিকে ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কে ফেনীর সদর উপজেলার ফতেপুর এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। এ সময় তারা কাঠে আগুন দিয়ে রাস্তা অবরোধের চেষ্টা করেন। তবে ১০ মিনিটের মধ্যে স্থান ত্যাগ করে তারা।
পরশুরাম মডেল থানার ওসি মোহাম্মদ নুরুল হাকিম বলেন, ‘কয়েকজন যুবক রাস্তায় টায়ারে আগুন ধরিয়ে দ্রুত সরে পরে। এতে হতাহত হওয়ার কোনো ঘটনা ঘটেনি। আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী তৎপর রয়েছে।’



