কুমিল্লা নগরীর টমছমব্রিজ, বাদুরতলা ও ধর্মসাগরপাড় এলাকায় নাশকতার পরিকল্পনা ও ঝটিকা মিছিলের প্রস্তুতি নেওয়ার সময় সংঘবদ্ধ অবস্থায় নিষিদ্ধ ঘোষিত সংগঠন ছাত্রলীগের ২৯ নেতা-কর্মীকে আটক করেছে পুলিশ। এছাড়াও জেলার বিভিন্ন এলাকায় অভিযান চালিয়ে সংগঠনটির আরও ১৫ জন নেতা-কর্মীকে আটক করা হয়েছে। এ সময় তাদের কাছ থেকে বাঁশের লাঠি, ব্যানার, গ্যাসলাইট সহ বিভিন্ন সরঞ্জাম উদ্ধার করা হয়েছে বলে। তবে আটক ব্যক্তিদের নামপরিচয় এখনো জানা যায়নি।
আজ রোববার ভোর ৬টা থেকে সকাল ৮টার দিকে কুমিল্লা কোতোয়ালি মডেল থানার একাধিক টিম ওই তিন এলাকায় সমন্বিত অভিযান পরিচালনা করে তাদের আটক করে।
আটকের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন কোতোয়ালি মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মাহিনুল ইসলাম।
প্রত্যক্ষদর্শীরা জানায়, সকালে নগরীর বিভিন্ন এলাকায় ঝটিকা মিছিল ও নাশকতার করার জন্য ছাত্রলীগের নেতা-কর্মীরা জড়ো হতে থাকেন। পরে হঠাৎ পুলিশি অভিযান শুরু হলে এলাকায় আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে। নাশকতার পরিকল্পনার অভিযোগে বেশ কয়েকজনকে আটক করে পুলিশ ভ্যানে তোলা হয়।
ওসি মাহিনুল ইসলাম বলেন, ‘কুমিল্লায় আইনশৃঙ্খলা বিঘ্নের উদ্দেশ্যে সাবেক এমপি আ.ক.ম বাহারের মেয়ে তাহসিন বাহার সূচনার অর্থায়নে শহরে নিষিদ্ধ ছাত্রলীগের ঝটিকা মিছিলের প্রস্তুতি নেয়।’
ওসি আরও বলেন, আটক ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে নাশকতার প্রস্তুতিসহ একাধিক ধারায় মামলা দায়েরের প্রস্তুতি চলছে। ঘটনার সঙ্গে জড়িত অন্যদের চিহ্নিত করার কাজও চলছে। এ ঘটনায় নগরজুড়ে নিরাপত্তা জোরদার করা হয়েছে।
কুমিল্লা পুলিশ সুপার মোহাম্মদ নাজির আহমেদ খাঁন বলেন, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে ৪৪ জনকে আটক করা হয়েছে। আটকদের কাছ থেকে ব্যানার, লাঠিসহ নাশকতার পরিকল্পনার বিভিন্ন উপকরণ উদ্ধার করা হয়। আটকদের বিরুদ্ধে আইনানুগ প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে।



