চট্টগ্রাম অঞ্চলের চার দ্বীপের ৩টি আসনের ২০৩ কেন্দ্রে ভোট দেবেন প্রায় সাড়ে ছয় লাখ ভোটার। দুর্গম ও যাতায়াত সংকটপূর্ণ এসব এলাকায় সুষ্ঠু ভোটের প্রশ্নে বড় চ্যালেঞ্জ নিরাপত্তা। স্থানীয়দের শঙ্কা ভোটের মাঠে সক্রিয় হতে পারে দ্বীপের বাইরের জলদস্যু গ্রুপগুলো। যদিও নিরাপত্তা নিশ্চিতে কঠোর নজরদারির কথা জানিয়েছে আইনশৃঙ্খলাবাহিনী।
সংসদ নির্বাচন ঘিরে ভোটের দামামা বাজছে চট্টগ্রাম অঞ্চলের চারটি দ্বীপেও। মূল ভূ-খন্ড থেকে বিছিন্ন সন্দ্বীপ, মহেশখালী, কুতুবদিয়া ও সেন্টমার্টিন দ্বীপে ভোটের হিসেব-নিকেশ আর ব্যবস্থাপনা অনেকটাই আলাদা।
জানা গেছে, ভিন্ন পরিস্থিতিতে তাই ৮৩ কেন্দ্রের সন্দ্বীপের পরিবেশ আর একটি মাত্র কেন্দ্র নিয়ে সেন্টমার্টিন দ্বীপের নির্বাচনি আমেজে পার্থক্য কেবল সংখ্যাতেই। ভোটের মাঠে এসব এলাকায় বারবারই ঘুরপাক খায় হরেক চ্যালেঞ্জ, নানা প্রশ্ন। একই সাথে যথাসময়ে ভোট শুরু ও শেষ করে ফলাফল প্রকাশ করাও বিশেষ চ্যালেঞ্জ।
এসব এলাকায় ভোটের হাওয়া এখনও স্থিতিশীল থাকলেও নির্বাচনে বাইরের জলদস্যুদের তৎপরতা নিয়ে শঙ্কা রয়েছে।
স্থানীয় এক ভোটার বলেন, ‘জলদস্য তো ঢোকেই। আমরা দেখছি প্রশাসনের লোকজন বাড়ছে। আশা করি তারা ব্যবস্থা নেবে।’
এক তরুণ ভোটার বলেন, ‘স্থানীয়ভাবে কিছু সমস্যা হলেও হতে পারে। তবে জলদস্যুরা যদি এইখানে ঢোকে তাহলে এইখানের কারো পক্ষের হয়ে হয়তো কাজ করবে। আমরা চাই এ ধরনের কোনোকিছু যাতে না হয়।’
বাংলাদেশ কোস্টগার্ড মহাপরিচালক রিয়ার এডমিরাল মো. জিয়াউল হক বলেন, ‘ল্যান্ডে পেট্রোলিংয়ের পাশাপাশি আমাদের বোট পেট্রোল থাকবে, জাহাজ থাকবে এবং স্পেশাল মনিটরিং সার্ভিলেন্স যেটা ড্রোনের মাধ্যমে যেটা আছে সেটা থাকবে। সো আইল্যান্ডের চারপাশে যখন আমাদের ড্রোন সার্ভিলেন্স থাকবে তখন যেকোনো ব্যক্তি যেকোনোভাবে আসুক না কেন তারা আন-আইডিফায়েড থাকতে পারবে না।’
দ্বীপাঞ্চলে ভোটের সময় ইন্টারনেট ও মোবাইল নেটওয়ার্ক বিঘ্নিত হলে স্যাটেলাইট ফোনের মাধ্যমে যোগাযোগ চালু রাখার কথা জানিয়েছে আইনশৃঙ্খলাবাহিনী।



