আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে প্রচার-প্রচারণার শেষদিনে কুমিল্লায় একে অপরের বিরুদ্ধে কেন্দ্র দখল, অস্ত্র প্রদর্শন, কালোটাকার ছড়াছড়ি ও জাল ভোটের শঙ্কা নিয়ে অভিযোগ দুইটি দুল। সোমবার প্রচার-প্রচারণার শেষ দিনে এমন পাল্টাপাল্টি অভিযোগ করেছে বিএনপি ও জামায়াতে ইসলামী।
আজ সকালে কুমিল্লা দক্ষিণ জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক আশিকুর রহমান ওয়াসিম সংবাদ সম্মেলনে করেন। এ সময় তিনি অভিযোগ করে বলেন, ‘একটি দলের কূটকৌশল নিয়ে আমরা আশঙ্কা করছি। কারণ তারা আগেই বাড়ি বাড়ি গিয়ে ভোটার আইডি কার্ড ও বিকাশ নম্বর সংগ্রহ করেছে। আমরা শঙ্কায় আছি তারা জাল ভোট ও কালোটাকা ছড়িয়ে ভোট প্রভাবিত করতে পারে। আপনারা জানেন এই কাজ জামায়াত শিবিরেরই। আমরা প্রশাসনকে এসব বিষয়ে অবহিত করেছি।’
এর আগে শেষ দিনের প্রচারণার পর কুমিল্লা সদর আসনের জামায়াতের প্রার্থী কাজী দ্বীন মোহাম্মদ সাংবাদিকদের অভিযোগ করে বলেন, ‘একটি দলের আচরণ এমন মনে হচ্ছে আগেই ভোট সেরে ফেলবে। কেন্দ্র দখল করে রাতের অন্ধকারেই ভোট সেরে ফেলতে চায় তারা-এমনই আচরণ তাদের।’
জামায়াতের নির্বাচন পরিচালনা কমিটির প্রধান মো. মোসলেহ উদ্দিন বলেন, ‘বিএনপি যে অভিযোগ করছে এগুলো অপবাদ। উল্টো তারাই অবৈধ অস্ত্রের মাধ্যমে নির্বাচনকে প্রভাবিত করার পরিকল্পনা করছে। আমরা এরই মধ্যে এটি প্রশাসনকে জানিয়েছি।’
অন্যদিকে কুমিল্লা দক্ষিণ জেলার নির্বাচনী সমন্বয়ক ও বিএনপি চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা হাজী আমিন উর রশিদ ইয়াসিন বলেন, ‘আমাদের বিরুদ্ধে কিছু একটা বলা দরকার তাই জামায়াত ইসলামী এসব বলছে। বিএনপি কেন্দ্র দখল কিংবা অস্ত্র দিয়ে ভোট নেওয়ার দল নয়।’
এদিকে প্রচার-প্রচারণার শেষ দিনে কুমিল্লার সবকটি আসনেই নিজেদের জমজমাট কার্যক্রম চালিয়েছে বিএনপি, জামায়াত, এনসিপি, ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশসহ কয়েকটি দল। প্রচারণার পুরো সময়ই অন্যান্য রাজনৈতিক দলের প্রার্থীদের মাঠে খুব একটা দেখা যায়নি।
কুমিল্লার আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি জাতীয় সংসদ নির্বাচনে প্রায় দেড় হাজার কেন্দ্রে ভোট প্রদান করবেন ৪৮ লাখ ৫০ হাজারেরও বেশি ভোটার।



