কুমিল্লার দেবিদ্বারে মা ও ভাতিজী শিশুকে হত্যার অভিযোগ উঠেছে। এসময় তাদের বাঁচাতে গিয়ে শিশুটির মা রাবেয়া আক্তার আহত হয়েছেন। এ ঘটনায় অভিযুক্ত যুবক ইমনকে আটক করা হয়েছে। তার বরাত দিয়ে পুলিশ বলছে, আত্মহত্যায় বাধা দেওয়া মা ও ভাতিজিকে হত্যা করেন ইমন।
আজ সোমবার সকালে উপজেলার বড়শালঘর দক্ষিণপাড়া এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। নিহতরা হলেন- মৃত ফরিদ মিয়ার স্ত্রী পেয়ারা বেগম (৬০) এবং তাঁর ছেলে সুজনের মেয়ে ইশরাত (২)।
আটক ইমনের ভাষ্য অনুযায়ী দেবিদ্বার থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. মনিরুজ্জামান বলেন, ‘ইমন আত্মহত্যা করতে চেয়েছিল। তাকে বাঁধা দেওয়ায় সে বলছে তার মা ও ভাবিকে আঘাত করে। ভাতিজিকে ছুড়ে ফেলে দেয়।’
ওসি মনিরুজ্জামান বলেন, ঘটনাস্থলে তার মা ও ভাতিজী ঘটনাস্থলে নিহত হয়। তার ভাবী রাবেয়া আক্তার গুরুতর আহত হন। এসময় স্থানীয় লোকজন এগিয়ে এসে রাবেয়া আক্তারকে উদ্ধার করে আশঙ্কাজনক অবস্থায় দেবিদ্বার উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যায়। পরে অবস্থার অবনতি দেখে তাকে কুমিল্লা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়।
এলাকাবাসী জানায়, ইমন পেশায় একজন দিনমজুর। সম্প্রতি একটি দুর্ঘটনায় তার পা ভেঙে যায়। সোমবার সকালে তার পায়ে তীব্র ব্যাথা অনুভুত হয়। এতে সে আত্মহত্যা করতে যায়। এসময় তার মা, ভাবী তাকে আত্মহত্যায় বাধা দেয়। এতে সে ক্ষিপ্ত হয়ে সকলকে কুপিয়ে জখম করে।
ওসি মো. মনিরুজ্জামান জানান, খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থল থেকে দুইজনের মরদেহ উদ্ধার করেছে। ইমনকে আটক করা হয়েছে। সুরতহাল শেষে ময়নাতদন্তের জন্য কুমিল্লা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হবে।


কুমিল্লায় মা ও ভাতিজিকে গলা কেটে হত্যার অভিযোগ, যুবক আটক
