প্রায় ১২ ঘণ্টার চেষ্টায় কেরাণীগঞ্জের জাবালে নূর টাওয়ারের আগুন নিয়ন্ত্রণে এনেছে ফায়ার সার্ভিসের ২০টি ইউনিট। কেউ হতাহত না হলেও প্রচণ্ড ধোঁয়ার কারণে আগুন নেভাতে বেগ পেতে হয়েছে ফায়ার সার্ভিস কর্মীদেরকে।
কেরানীগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা জানিয়েছেন, ভবনটি নির্মাণের সময় বিল্ডিং কোড মানা হয়নি। এছাড়া ভবনটির বেজমেন্টে গোডাউন থাকাসহ বিভিন্ন অনিয়মের খোঁজ পেয়েছে জেলা প্রশাসন। অগ্নিকাণ্ডের ঘটনায় ইতোমধ্যেই গঠিত হয়েছে তদন্ত কমিটি।
উল্লেখ্য, শনিবার ভোরে হঠাৎ করেই ধোঁয়ার কুন্ডলীতে আচ্ছন্ন হয়ে ওঠে কেরানীগঞ্জের বাবুবাজার এলাকার আকাশ। পরে দেখা যায়, বাবুবাজার এলাকার জাবালে নূর টাওয়ারে আগুন। বাইরে থেকে আগুন দেখা না গেলেও ধোঁয়ায় ছেয়ে যায় পুরো এলাকা।
১২ তলা ভবনটিতে আগুনের সূত্রপাত হয় ভোর ৫টার দিকে। ঘটনাস্থলে পৌঁছে ফায়ার সার্ভিস কর্মীরা অনেককেই সিঁড়ি দিয়ে নিরাপদে নামিয়ে আনতে সক্ষম হন।
ভবনটির পার্কিংয়ের আন্ডারগ্রাউন্ড থেকে দোতলা পর্যন্ত ঝুটের গুদাম। আর তৃতীয় থেকে ১২ তলা পর্যন্ত আবাসিক। বাসিন্দাদের অভিযোগ, পুরো গোডাউনজুড়েই মালামাল রাখা হতো।
ফায়ার সার্ভিস সূত্রে জানা গেছে, আগুন নিয়ন্ত্রণে আসে ৫টা ৩ মিনিটের দিকে। ফায়ার সার্ভিসের পরিচালক লেফটেন্যান্ট কর্নেল মোঃ তাজুল ইসলাম চৌধুরী জানিয়েছেন, ভবনটিতে ঝুটের গোডাউন থাকায় ধোঁয়া ছিল বেশি। ফলে আগুন নেভাতে বেগ পেতে হয়েছে।
কেরানীগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) উমর ফারুক বলেন, 'গ্যারেজের জায়গায় গোডাউন করে আইন ভাঙা হয়েছে বলে জানান উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা।' ঘটনা তদন্তে গঠন করা হয়েছে ৫ সদস্যের কমিটি।'
ইউএনও আরও জানান, বহুতল ভবনটি নির্মাণে কোন বিধিমালা মানা হয়নি। ভবনের অনুমোদনও খতিয়ে দেখা হবে।



