উদ্বোধনের পাঁচ বছরেও পুরোপুরি চালু হয়নি ফরিদপুরের সালথা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স। অথচ সরকার খরচ করেছে ২০ কোটি টাকা। এখন শুধু দুজন চিকিৎসক দিয়ে চলে আউটডোর সেবা। নষ্ট হচ্ছে কোটি টাকার সরঞ্জাম ও আসবাবপত্র। নির্মিত এই হাসপাতালে নেই ইনডোর সেবা।
স্থানীয়রা জানান, ফরিদপুরের সালথার বালিয়া গট্টিতে তিন একর জায়গায় বিশাল ভবন। ৫০ শয্যার হাসপাতালটি উদ্বোধন করা হয় ২০১৯ সালে। পাঁচ বছর পেরিয়ে গেলেও শুরু হয়নি রোগী-ভর্তি কার্যক্রম। দীর্ঘদিন পড়ে থাকায় কোথাও কোথাও টাইলস নষ্ট হয়ে গেছে। রোগীদের বেডগুলোও ব্যবহার অনুপযোগী হয়ে পড়ছে। অপারেশন থিয়েটার থেকে শুরু করে প্যাথলজির দামি যন্ত্রপাতি সবই এখন নষ্ট হওয়ার পথে।
দাঙ্গাপ্রবণ ও দরিদ্র এ জনপদের মানুষের জন্য হাসপাতালটি ছিল আশার আলো। কিন্তু রোগী ভর্তির ব্যবস্থা না থাকায় ছুটতে হয় ১৫ কিলোমিটার দূরের ফরিদপুর শহরে।
লোকবল নিয়োগ না হওয়া আর স্বাস্থ্য বিভাগের চূড়ান্ত অনুমতি না মেলায়, ভর্তি কার্যক্রমের বিষয়ে প্রতিশ্রুতি দিতে পারছে না হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ।
সালথা উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. মো. শাহিনুল ইসলাম বলেন, ‘হাসপাতাল নির্মাণের পর থেকেই প্রয়োজনীয় যন্ত্রপাতি দেওয়া আছে। তবে যেহেতু এগুলো ব্যবহার হচ্ছে না, ইনডোর রোগী ভর্তি হচ্ছে না, যন্ত্রপাতিগুলো অকার্যকর হয়ে পড়ছে। কিন্তু ইনডোর সার্ভিস চালুর জন্য আমরা যে আশানুরুপ কোনো পদক্ষেপ দেখছি না।’



