কয়েকদিনের টানা ভারী বৃষ্টিতে ব্যাপক ক্ষতি হয়েছে মরিচের ক্ষেতে। গাছের গোড়ায় পানি জমার কারণে মরে গেছে বেশিরভাগ গাছ। অসময়ে ফসল নষ্ট হওয়ায় ক্ষতির মুখে পড়েছেন কৃষকরা। এতে উৎপাদন ঘাটতি আর সরবরাহ সংকটে বাজারে দুই থেকে তিনগুণ বেড়েছে মরিচের দাম।
ফরিদপুরের মধুখালী উপজেলায় গ্রীষ্মকালীন মরিচ আবাদ হয় সব থেকে বেশি। গত সপ্তাহের বেশি ভারী বৃষ্টিতে ক্ষেতে পানি জমে মরে গেছে বেশিরভাগ ফসল। বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে উপজেলার রায়পুর, জাহাপুর ও মেগচামী ইউনিয়নের কৃষকরা।
জমে থাকা পানি সরে যাওয়ার পরে স্পষ্ট হতে শুরু করেছে লোকসানের চিহ্ন। এ অবস্থায় খরচের টাকাও তুলতে না পারায় বিপাকে পড়েছেন এই অঞ্চলের মরিচ চাষিরা।
কৃষকের ক্ষতি পুষিয়ে দিতে সরকারি কিছু প্রণোদনা দেওয়ার কথা জানিয়েছেন কৃষি কর্মকর্তা।
ফরিদপুরের মধুখালী উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা মো. মাহবুব এলাহী বলেন, ‘কৃষকের ক্ষতি পুষিয়ে দিতে সরকার থেকে কিছু প্রণোদনা দেওয়া হবে।’
কৃষি বিভাগের হিসাবে জেলায় গ্রীষ্মকালীন মরিচে আবাদ হয়েছে ৩ হাজার ১১২ হেক্টর জমিতে। এরমধ্যে মধুখালীতেই হয়েছে ২ হাজার ৭২০ হেক্টর।



