রাজধানীর গুলশান, বনানী, বারিধারা, নিকেতন ও ধানমন্ডি লেকের দূষণ রোধে সমন্বিত কার্যক্রম জোরদারের নির্দেশ দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। বৃহস্পতিবার দুপুরে সচিবালয়ের মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের সভাকক্ষে প্রধানমন্ত্রীর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত বৈঠকে এ নির্দেশনা দেওয়া হয়। বৈঠকে লেকগুলোর বর্তমান অবস্থা, দূষণের উৎস এবং সংস্কার ও উন্নয়ন পরিকল্পনা নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়।
প্রধানমন্ত্রী লেকে পয়ঃবর্জ্য প্রবেশ বন্ধ, নিয়মিত বর্জ্য অপসারণ, ভবনভিত্তিক স্যুয়ারেজ ট্রিটমেন্ট প্ল্যান্ট বা এসটিপি স্থাপন এবং বিদ্যমান স্যুয়ারেজ নেটওয়ার্কের জরিপের ওপর গুরুত্ব দেন। বৈঠকে জানানো হয়, গুলশান লেকে পয়ঃবর্জ্য প্রবেশের ছয়টি প্রাইমারি ও ছয়টি সেকেন্ডারি পয়েন্ট চিহ্নিত করা হয়েছে। এসব উৎস বন্ধে স্বল্প, মধ্য ও দীর্ঘমেয়াদি সুপারিশ তুলে ধরে কারিগরি কমিটি।
লেকের ভাসমান বর্জ্য অপসারণে যান্ত্রিক নৌকার সংখ্যা দুই থেকে বাড়িয়ে ১০টি করার নির্দেশ দেন প্রধানমন্ত্রী। একই সঙ্গে ভাসমান এক্সক্যাভেটর দিয়ে লেকের তলদেশের স্লাজ অপসারণ এবং নিয়মিত পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রম চালানোর ওপর গুরুত্ব দেওয়া হয়। এ ছাড়া লেকের পানিতে অক্সিজেনের মাত্রা বাড়াতে এরেটর স্থাপন, দুর্গন্ধ দূর করতে জৈবিক ও রাসায়নিক পদ্ধতির প্রয়োগ এবং দীর্ঘমেয়াদি স্যানিটেশন নেটওয়ার্ক নির্মাণের প্রস্তাব দেওয়া হয়।
এ ছাড়া বাসাবাড়ি ও বাণিজ্যিক প্রতিষ্ঠানের পয়ঃনিষ্কাশন লাইন সরাসরি বৃষ্টির পানির ড্রেন বা লেকের সঙ্গে যুক্ত রয়েছে কি না, তা শনাক্ত করে অবৈধ সংযোগ বন্ধে ঢাকা ওয়াসা ও ঢাকার সিটি করপোরেশনকে সমন্বিতভাবে কাজ করার সুপারিশ করা হয় বৈঠকে।



