দক্ষিণ কেরাণীগঞ্জে অভিযান চালিয়ে ককটেল তৈরির সরঞ্জাম ও ৯ হাজার মুখোশ উদ্ধার করেছে পুলিশ। এসময় জাহিদ হাসান ইমন নামের একজনকে গ্রেপ্তার করা হয়।
ডিএমপির মিডিয়া সেন্টারে ব্রিফিংয়ে উপ-পুলিশ কমিশনার মো. আকতার হোসেন এসব তথ্য জানান।
উপ-পুলিশ কমিশনার জানান, গত ১৯ সেপ্টেম্বর, যাত্রাবাড়ী থানার সামনে ককটেল বিস্ফোরণের ঘটনা তদন্তে ওয়ারী বিভাগের যাত্রাবাড়ী, শ্যামপুরসহ সংশ্লিষ্ট থানা পুলিশ যৌথভাবে কাজ শুরু করে। পরে শুক্রবার ভোররাতে দক্ষিণ কেরানীগঞ্জ থানার বাগাশুর এলাকা থেকে ইমনকে গ্রেপ্তার করা হয়। তার দেয়া তথ্যমতে, ককটেল তৈরির বিভিন্ন সরঞ্জাম ও মুখোশ উদ্ধার হয়। ইমনের স্বীকারোক্তিতে জানা যায়, লালবাগের এক নেতার নির্দেশে ককটেল তৈরির সরঞ্জাম ও মুখোশ তার বাসায় রাখা হয়েছিল।
ডিএমপির উপ-পুলিশ কমিশনার মো. আকতার হোসেন বলেন, ‘ঢাকার দক্ষিণ কেরাণীগঞ্জে শ্যামপুর থানা থেকে অভিযান পরিচালনা করে একজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। সেখানে বিস্ফোরক দ্রব্য পাওয়া গেছে। এবং ৯ হাজার মুখোশ উদ্ধার করা হয়েছে। এই মুখোশগুলো মানুষের চেহারার আদলেই তৈরি। এই মুখোশ সম্ভবত বিভিন্ন মিছিলে অংশ নিতে বা কোনো অপরাধ করে নিজেদের চেহারা ঢেকে রাখার জন্যই মুখোশটা ব্যবহার করত।’



