নারায়ণগঞ্জের ফতুল্লায় একটি আবাসিক মাদরাসার ছাদে খেলতে গিয়ে দগ্ধ পাঁচ শিশু শিক্ষার্থীর মধ্যে আতিয়া নামের একজন মারা গেছে। আজ মঙ্গলবার সন্ধ্যার দিকে জাতীয় বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়। এ ঘটনায় আরও চার শিশু শিক্ষার্থী চিকিৎসাধীন আছেন।
সন্ধ্যার দিকে বিষয়টি নিশ্চিত করেন জাতীয় বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটের জরুরি বিভাগের আবাসিক সার্জন ডা. সুলতান মাহমুদ। তিনি জানান, গত শনিবার বিকেলে কাশিপুর এলাকার মাহেলা খাতুন বালিকা মাদরাসায় এ ঘটনা ঘটে। এতে গুরুতর আহত অবস্থায় পাঁচ জন শিশু শিক্ষার্থীকে জরুরি বিভাগে নিয়ে আসা হয়েছিল।
তিনি আরও জানান, আহতদের রাত আটটার দিকে জিদনির শরীরে ৮২ শতাংশ দগ্ধ লামিয়ার শরীরে ৫৫ শতাংশ দগ্ধ, আতিয়ার শরীরে ৪৫ শতাংশ দগ্ধ এবং সুমাইয়ার শরীরে ১৩ শতাংশ দগ্ধ এবং আছিয়ার শরীরে ৭ শতাংশ দগ্ধ দগ্ধ নিয়ে হাসপাতালের জরুরি বিভাগে নিয়ে আসা হয়েছে। এদের মধ্যে লামিয়া ও জিদনি বর্তমানে আইসিইউতে আশঙ্কাজনক অবস্থায় চিকিৎসাধীন রয়েছে। অন্য রোগীদের জরুরি বিভাগের অবজারভেশনে চিকিৎসা চলমান রয়েছে।
মাদরাসাটির ক্যাশিয়ার মো. ইউসুফ আলী জানান, পাঁচ শিক্ষার্থীই মাদরাসাটির আবাসিক ছাত্রী। ধারণা করা হচ্ছে, ছাদের ওপর দিয়ে যাওয়া উচ্চক্ষমতার বিদ্যুতের তারের সংস্পর্শে এসে তারা দগ্ধ হয়েছে।
তিনি আরও জানান, দগ্ধ শিক্ষার্থীরা হলো—ষষ্ঠ শ্রেণির জিদনী (১৪), চতুর্থ শ্রেণির লামিয়া আক্তার শাপলা (১৩), সপ্তম শ্রেণির সুমাইয়া আক্তার (১৩), তৃতীয় শ্রেণির আসিয়া আক্তার আফরোজা (১২) ও চতুর্থ শ্রেণির আতিয়া (১১)।


