ঠাকুরগাঁওয়ের বালিয়াডাঙ্গীতে মিড ডে মিল খেয়ে ৩ দিনের ব্যবধানে ৪ প্রতিষ্ঠানের প্রায় শতাধিক শিক্ষার্থী অসুস্থ হয়েছেন। শিক্ষকদের অভিযোগ, পচা ও নিম্ন মানের খাবর সরবরাহ করেছে প্রতিষ্ঠানগুলো। এদিকে, শিশুদের নিরাপত্তায় তদারকি বাড়ানোর কথা জানিয়েছে, শিক্ষা বিভাগ।
২৪ সেপ্টেম্বর মহারাজপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে মিড ডে মিলের খাবার খেয়ে অসুস্থ হয়ে পড়েন ২৯ শিক্ষার্থী। এর ৩ দিন আগে, প্যাকেটজাত দুধ খেয়ে অসুস্থ হয়ে পড়েন মধুপুরসহ ৩টি বিদ্যালয়ের অর্ধশত শিশু।
চলতি বছরের জানুয়ারি থেকে বালিয়াডাঙ্গী উপজেলার ১৩৮টি স্কুলে পাইলট প্রকল্প হিসেবে চালু হয় স্কুল ফিডিং কার্যক্রম। প্রায় সাড়ে ১৪ হাজার শিক্ষার্থীর মাঝে সরবরাহ করা হয় মিড ডে মিল। ইএসডিও, রংপুর ডেইরি ও প্রাণ কোম্পানির মাধ্যমে ডিম, বনরুটি, দুধ ও বিস্কুট সরবরাহ করা হয়।
ইএসডিও সুপারভাইজার মোছা. লাইলা বেগম বলেন, ‘তবে সরবরাহকারী প্রতিষ্ঠান ইএসডিও দাবি করছে, ঘটনাটি কৃমিনাশক ওষুধের পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া হতে পারে।’
মধুপুর-১ সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক আব্দুল্লাহিল সাফি বলেন, ‘পচা ও নিম্নমানের খাবার সরবরাহ করা হয়েছে। সরবরাহ করা নষ্ট খাবার খেয়েই অসুস্থ হয়ে পড়ে শিক্ষার্থীরা।’
বালিয়াডাঙ্গী উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা অতুল চন্দ্র রায় বলেন, ‘এসব ঘটনা অনাকাঙ্ক্ষিত। শিশুদের নিরাপত্তার স্বার্থে তদারকি বাড়ানো হবে।’
খাবার সরবরাহকারী প্রতিষ্ঠানগুলোকে জবাবদিহিতার আওতায় আনার পাশাপাশি পুষ্টি নিশ্চিতে উদ্যোগ নেওয়ার তাগিদ অভিভাবকদের।


