ঋতু পরিবর্তনের কারণে চুয়াডাঙ্গার আলমডাঙ্গায় বেড়েছে জ্বর-সর্দি ও কাশির প্রকোপ। ফলে হাসপাতালে দ্বিগুণ রোগীর চাপ। শয্যা সংকট দেখা দেওয়ায় রোগীদের জায়গা হয়েছে হাসপাতালের মেঝেতে। হঠাৎ রোগীর চাপ বেড়ে যাওয়ায় হিমশিম অবস্থা কর্তৃপক্ষের।
চুয়াডাঙ্গার আলমডাঙ্গায় হঠাৎ বেড়েছে জ্বর-সর্দি-কাশিতে আক্রান্ত রোগীর সংখ্যা। গত ১৫ দিনে আলমডাঙ্গা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসা নিয়েছেন স্বাভাবিকের চেয়ে দ্বিগুণ রোগী।
হাসপাতালে রোগীদের নিয়ে আসা স্বজনেরা জানান, কোনো শয্যা বা বিছানার চাদর পায়নি অনেকে। বারান্দায় নিজেদের চাদর পেতে কোনো রকমে হাসপাতালে চিকিৎসা নিচ্ছি। সব জায়গায়ই উপচে পড়া ভিড়।
হাসপাতালটিতে শয্যা সংখ্যা ৫০ হলেও প্রতিদিন অন্তত ১০০ রোগী ভর্তি হচ্ছেন এখানে। শয্যা না পেয়ে হাসপাতালের মেঝেতে চিকিৎসা নিচ্ছেন অনেক রোগী। অনেকে আবার বহির্বিভাগের সেবা না নিয়েই ফিরে যাচ্ছেন।
হাসপাতালে রোগীর চাপের কথা স্বীকার করছেন চিকিৎসকেরাও। তাঁরা বলছেন, ঋতু পরিবর্তনের কারণে ৯০ শতাংশ রোগী জ্বর-সর্দি-কাশিতে আক্রান্ত হয়ে সেবা নিতে আসছেন।
চুয়াডাঙ্গা জেলার আলমডাঙ্গা উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. শারমিন আক্তার বলেন, ‘হাসপাতালে জ্বর-সর্দি-কাশিতে আক্রান্ত রোগীর সংখ্যা অনেক বেড়েছে। তবে আমাদের হাসপাতালে ৫০টি শয্যা থাকার কারণে অনেক রোগীকেই মেঝেতে থাকতে হচ্ছে। তবে আমরা কাউকেই ফেরত পাঠাচ্ছি না। মানবিক কারণে সকলকেই চিকিৎসা দিচ্ছি।’



