জামালপুরে সাংবাদিক গোলাম রব্বানী নাদিম হত্যা মামলার প্রধান আসামি বাবুর রিমান্ড ও পলাতক আসামিদের গ্রেপ্তারের দাবিতে অনশন কর্মসূচী পালন করেছে তাঁর পরিবার ও সহকর্মীরা।
বুধবার (১৩ সেপ্টেম্বর) জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের সামনে সকাল সাড়ে ১০টা থেকে শুরু হওয়া অনশন কর্মসূচী চলে দুপুর ১টা পর্যন্ত।
অনশন চলাকালে বক্তব্য রাখেন নিহত সাংবাদিক নাদিমের স্ত্রী মনিরা বেগম, বাবা আব্দুল করিম ও মামলার বাদীপক্ষের আইনজীবী অ্যাডভোকেট ইউসূফ আলীসহ আরও অনেকে। এসময় বক্তারা বলেন- সাংবাদিক রব্বানী হত্যা মামলার অধিকাংশ আসামি জামিনে মুক্ত হয়ে প্রকাশ্যে ঘুরে বেড়াচ্ছে। এখনো ধরাছোঁয়ার বাইরে রয়েছে প্রধান আসামি বাবুর ছেলে রিফাত ও তার সহযোগী রাকিবিল্লাহ। এতেই প্রমানিত হয় পুলিশ ব্যর্থ। এছাড়াও বাবু আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি না দিয়ে উল্টো নিজের সম্পৃক্ততার কথা অস্বীকার করেছেন। তবুও একটি পক্ষ ভুল খবর ছড়িয়ে দিয়েছে যে, বাবু নিজের দোষ স্বীকার করেছে।
বক্তারা সাংবাদিক রব্বানী হত্যা মামলার প্রধান আসামি বাবুকে আবারও রিমান্ডে নেওয়াসহ সব আসামিকে দ্রুত গ্রেপ্তারের দাবি জানান। অন্যথায় কঠোর আন্দোলনে যাবার হুশিয়ারি দেন বক্তারা।
পরে অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট আরিফুল হক মৃদুল নিহত সাংবাদিক রব্বানীর মায়ের মুখে পানি তুলে দিয়ে অনশন ভাঙান এবং এই হত্যাকাণ্ডের সুষ্ঠু বিচারের আশ্বাস দেন।
গত ১৪ জুন কাজ শেষে বাড়ি ফেরার পথে বকশিগঞ্জের পাটহাটি এলাকায় হামলার শিকার হন বাংলানিউজের সাংবাদিক গোলাম রব্বানী নাদিম। ১৫ জুন ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে মারা যাবার পর ১৬ জুন সাংবাদিক রব্বানীকে দাফন করা হয় পারিবারিক কবরস্থানে। ১৭ জুন বকশিগঞ্জ থানায় ইউপি চেয়ারম্যান মাহমুদুল আলম বাবুসহ ২২ জনের নাম উল্লেখ করে অজ্ঞাত আরও ২০ থেকে ২৫ জনকে আসামি করে মামলা দায়ের করেন সাংবাদিক রব্বানীর স্ত্রী মনিরা বেগম।



