নওগাঁ জেলায় শুক্রবার বিকেলে বজ্রপাতে আরও দুজনের মৃত্যু হয়েছে। তাঁরা হলো–পত্নীতলা উপজেলার উপজেলার পাটিচড়া ইউনিয়নের নাগরগোলা গ্রামের বিশা মন্ডলের ছেলে খাদেমুল ইসলাম (৫০) ও গাহন গ্রামের আব্দুল হামিদের স্ত্রী মনিকা (৩৫)।
এর আগে আজ বিকেলে মান্দা উপজেলার ভোলাম গ্রামে বজ্রপাতে শামসুল ইসলাম (৩৫) নামে এক কৃষকের মৃত্যু হয়।
এছাড়া বদলগাছী উপজেলায় বজ্রপাতে দুইজন আহত হয়েছে। তাঁরা হলেন–গাবনা গ্রামের অবির উদ্দিন ফকিরের ছেলে আবুল হোসেন ফকির (৫৫) ও আমিন আলী ফকিরের ছেলে আব্দুল খালেক ফকির (৩৫)।
পত্নীতলা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোজাফফর হোসেন বলেন, ‘আজ বিকেল সাড়ে ৩টার দিকে বৃষ্টির মধ্যে কৃষক খাদেমুল ইসলাম মাঠ থেকে ধান বহন করে বাড়ির উঠানে এসে বজ্রপাতের কবলে পড়েন। ঘটনাস্থলেই তাঁর মৃত্যু হয়। অন্যদিকে গৃহবধূ মনিকা বাড়ির সামনে আম কুড়াতে গেলে বজ্রপাতে মৃত্যু হয়। তাঁদের স্বজনরা উদ্ধার করে হাসপাতালে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন।’
স্থানীয়রা জানায়, বদলগাছীতে শুক্রবার বেলা ৩টার দিকে দুই ব্যক্তি কাজের উদ্দেশ্যে মাঠে যাচ্ছিল। হঠাৎ ঝড়-বৃষ্টি শুরু হলে তাঁরা একটি গাছের নিচে আশ্রয় নেয়। তখন ঝড়-বৃষ্টির সঙ্গে বজ্রপাতে তাঁরা গুরুতর আহত হয়। আহতদের উদ্ধার করে নওগাঁ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।
তিনটি অপমৃত্যু ঘটনায় মান্দা ও পত্নীতলা থানায় মামলা দায়ের করে পরিবারের কাছে মরদেহ হস্তান্তর করা হয়েছে বলে নিশ্চিত করেছেন পুলিশ কর্মকর্তারা।
মান্দায় নিহত শামসুল হকের বাবা ফইমুদ্দিন বলেন, ‘আমার ছেলে আজ বিকেলে বাড়ির পাশের একটি মাঠে ধানের কাজ করার সময় বজ্রপাতে আহত হয়। তাৎক্ষণিকভাবে তাঁকে উদ্ধার করে মান্দা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যাওয়ার জন্য রওনা দেওয়া হয়। হাসপাতালে নেওয়ার সময় পথে তাঁর মৃত্যু হয়।’



