জয়পুরহাটে মাদ্রাসা শিক্ষার্থী হাসান হত্যা মামলায় তিনজনের যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। এছাড়া তাদের প্রত্যেককে ১ লাখ টাকা করে জরিমানা, অনাদায়ে আরও দুই বছরের কারাদণ্ড দেওয়া হয়। মঙ্গলবার দুপুরে অতিরিক্ত দায়রা জজ প্রথম আদালতের বিচারক নুরুল ইসলাম এ রায় দেন।
দণ্ডপ্রাপ্তরা হলো– জেলার পাঁচবিবি উপজেলার রশিদপুর আখিয়াপুকুর গ্রামের ওয়াজেদ আলীর ছেলে শামীম, আব্দুল খালেকের ছেলে একরামুল হক ও বিনধারা গ্রামের ফারুক চৌধুরীর ছেলে মাখন চৌধুরী। রায় ঘোষণার সময় আসামিরা আদালতে উপস্থিত ছিল।
মামলার বিবরণ দিয়ে আদালতের পরিদর্শক আবু বকর সিদ্দিক জানান, ‘পাঁচবিবি উপজেলার পবাহার গ্রামের আবু বক্করের ছেলে হাসান বগুড়ায় মেসে থেকে একটি মাদ্রাসায় লেখাপড়া করত। একটি মোবাইলকে কেন্দ্র করে আসামিদের সঙ্গে তার বিরোধ চলছিল। ঈদে বাড়িতে আসলে ২০১১ সালের ৯ নভেম্বর আসামিরা তাকে মারধরের চেষ্টা করে। তখন হাসান পালিয়ে প্রাণ বাঁচায়। পরে সেই রাতের কোনো এক সময় আসামিরা তাকে শ্বাসরোধে হত্যা করে মরদেহ ঝুলিয়ে রেখে আত্মহত্যা বলে প্রচার করে। পরের দিন সকালে ঘর থেকে তার ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ। এ ঘটনায় নিহতের বোন মুনিরা বেগম বাদী হয়ে ২০১২ সালের ৮ জানুয়ারি মামলা করেন।



