যমুনার ভাঙনে নিঃস্ব বগুড়ার সারিয়াকান্দি উপজেলার চর ঘাঘুয়ার কয়েক শ পরিবার। নদীগর্ভে তাদের বসতভিটা ও ফসলি জমি। হুমকির মুখে আরও অন্তত এক হাজার বিঘা জমি। এদিকে ঘষিয়াখালী নৌপথের মোংলা অংশে প্রায় চার কিলোমিটার এলাকা জুড়ে নদী ভাঙনে বিলীন গুরুত্বপূর্ণ খেয়াঘাট, রাস্তা ও ফসলি জমি।
স্থানীয়রা বলছেন, প্রায় পাঁচ বছর আগে চর ঘাঘুয়ার উত্তর আর পূর্ব-পশ্চিমে যমুনার ভাঙন শুরু হয়। এক এলাকাতেই গৃহহীন হয় অন্তত ৩০০ পরিবার। বিলীন হয়েছে অন্তত এক হাজার বিঘা জমি। হুমকির মুখে আরও এক হাজার বিঘা।
পানি উন্নয়ন বোর্ডের তত্ত্বাবধায়ক প্রকৌশলী মো. আরিফুল ইসলাম বলেন, যমুনার ভাঙনে নিঃস্ব বগুড়ার সারিয়াকান্দি উপজেলার চর ঘাঘুয়ার কয়েক শ পরিবার। নদীগর্ভে তাদের বসতভিটা ও ফসলি জমি। নদী ভাঙন রোধে এরইমধ্যে প্রকল্প প্রস্তাবনা মন্ত্রণালয়ে পাঠানো হয়েছে।
এদিকে ঘষিয়াখালী নৌপথের মোংলা অংশে প্রায় চার কিলোমিটার এলাকায় নদী ভাঙন দেখা দিয়েছে। বিলীন হয়ে গেছে গুরুত্বপূর্ণ খেয়াঘাট, রাস্তা ও জমি।
স্থানীয়দের অভিযোগ, অপরিকল্পিত ড্রেজিং আর নদীর এক পাশে বড় স্থাপনা তৈরিই ভাঙনের কারণ।
বাগেরহাট জেলা প্রশাসক গোলাম মো. বাতেন বলেন, দ্রুত ভাঙন রোধে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।



