শুক্রবার (৯ জানুয়ারি) সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক নিয়োগ পরীক্ষায় নওগাঁসহ সারাদেশে প্রশ্নফাঁস চক্রের ডিভাইস ব্যবহার করায় প্রশ্নবিদ্ধ এই নিয়োগ পরীক্ষা বাতিল করার এবং পুনরায় পরীক্ষা নেওয়ার দাবিতে নওগাঁয় মানববন্ধন ও বিক্ষোভ করেছে পরীক্ষার্থীরা।
আজ রোববার দুপুরে নওগাঁ শহরের মুক্তির মোড়ে সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক নিয়োগ পরীক্ষায় অংশ নেওয়া চাকরি প্রার্থীরা ঘন্ট্যাব্যাপি এই মানববন্ধন ও বিক্ষোভ কর্মসূচি পালন করেন। এ সময় পরীক্ষার্থীদের মধ্যে পাপ্পু রহমান, তুষার আহমেদ ও দোলেনা খানমসহ বেশ কয়েকজন বক্তব্য রাখেন।
মানববন্ধনে পরীক্ষাথী তুষার আহমেদ প্রশ্নফাঁস চক্রের হোতাদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তিসহ নিয়োগ পরীক্ষায় স্বচ্ছতা ও মেধার ভিত্তিতে শিক্ষক নিয়োগের জন্য আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচনের পর পুনরায় সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক নিয়োগ পরীক্ষা নেওয়াসহ পরীক্ষার্থীদের ৫ দফা দাবি তুলে ধরেন।
তাঁদের ৫ দফা দাবির মধ্যে রয়েছে, পরীক্ষা বাতিল ও দ্রুত সময়ের মধ্যে পরীক্ষা নিতে হবে, সকল চাকুরি পরীক্ষা ঢাকায় নিতে হবে, একটি স্বতন্ত্র কমিটি গঠন করে তার আওতায় সকল পরীক্ষা নিতে হবে এবং একই দিনে একই সময়ে একাধিক পরীক্ষা নেওয়া যাবেনা, যে সকল প্রতিষ্ঠানের বিগত এবং বর্তমান সময়ে প্রশ্নফাঁসের রেকর্ড আছে তাদের কোনভাবেই পরীক্ষার দায়িত্ব দেওয়া যাবেনা, এবং কোন কারনে প্রশ্নফাঁস হলে এর সাথে জড়িত সকলকে সর্বোচ্চ শাস্তির আওতায় আনতে হবে।
নিজেদের দাবির প্রসঙ্গে পরীক্ষাথী পাপ্পু রহমান বলেন, ডিভাইস ব্যবহার করে যারা পরীক্ষা দিয়েছেন তাদের কাছে মেধা পরাজিত হবে। কাজেই এই পরীক্ষা অবশ্যই বাতিল করতে হবে। না হলে পরীক্ষা বাতিলের দাবিতে সারাদেশে আন্দোলন গড়ে তোলা হবে।
পরীক্ষাথী দোলেনা খানম বলেন, পরীক্ষাথীদের মধ্যে এমনও পরীক্ষার্থী আছেন যারা নদী বানানও শুদ্ধভাবে লিখতে পারবেন না। অথচ তারা প্রশ্নফাঁস চক্রের ডিভাইস ব্যবহার করায় সর্বোচ্চ নম্বর পেয়ে শিক্ষক হিসেবে নিয়োগ পাবেন। সেক্ষেত্রে এই শিক্ষকদের কাছ থেকে শিক্ষাথীরা কী শিক্ষা পাবে?
এ প্রেক্ষাইতে সহকারী শিক্ষক নিয়োগ পরীক্ষা বাতিল করে পুনরায় পরীক্ষা নেওয়ার দাবি করেন দোলেনা



