বৃষ্টিপাত ও পাহাড়ি ঢল কমায় সিলেটে চলমান বন্যা পরিস্থিতির কিছুটা উন্নতি হয়েছে। তবে কুশিয়ারা নদীর পানি বাড়ায় জকিগঞ্জ, বিয়ানীবাজার, ওসমানীনগর, বালাগঞ্জের উপজেলায় বন্যা পরিস্থিতির অবনতি হয়েছে।
এদিকে দীর্ঘদিন ধরে পানিবন্দী থাকায় মানুষের দুর্ভোগ বেড়েই চলেছে। পর্যাপ্ত ত্রাণ না পাওয়ায় হাহাকার বাড়ছে দুর্গত এলাকার মানুষদের।
ওসমানী নগরের সাদীপুর ইউনিয়নের লামা তাজপুর গ্রামের রহিম উদ্দিন বলেন, দুই দফা বন্যায় সবকিছু ভাসিয়ে নিয়ে গেছে। এখনও ঘরে কোমর পানি। সব কিছু ছেড়ে পরিবার নিয়ে আশ্রয় কেন্দ্রে অবস্থান করছি।
আর সিলেটে আবহাওয়া অফিস বলছে, গত ২৪ ঘণ্টায় সিলেটে ২৫ দশমিক ৬ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত রেকর্ড করা হয়েছে।
সিলেট পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী দীপক রঞ্জন দাস বলেন, সুরমা ও কুশিয়ারা নদীর পানি ৬টি পয়েন্টে বিপদসীমার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। এরমধ্যে কুশিয়ারা নদীর পানি অমলশীদ পয়েন্টে বিপদসীমার ১৪০ সেন্টিমিটার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে।
সিলেট জেলা প্রশাসক শেখ রাসেল হাসান বলেন, এখন পর্যন্ত সিলেটের ১৩টি উপজেলায় প্রায় সাড়ে ৬ লাখ মানুষ পানিবন্দি অবস্থায় আছেন। তাঁদের সহায়তায় জেলা প্রশাসন কাজ করছে।


সিলেট অঞ্চলের নদ-নদীর পানি এখনও বিপৎসীমার ওপরে
