সুনামগঞ্জ সদর ও বিশ্বম্ভরপুর উপজেলায় প্রবাহিত ইজারাবিহীন ধোপাজান নদীতে অবৈধভাবে বালি উত্তোলনের দায়ে ১৩৪টি বালি বোঝাইকৃত নৌকাসহ ৮টি ড্রেজার মেশিন জব্দ করেছে টাস্কফোর্স। এসময় ৪ জনকে আটক করা হয়েছে।
আজ মঙ্গলবার সকাল থেকে শুরু করে বিকেল ৫টা পর্যন্ত অভিযান পরিচালনা করে টাস্কফোর্স। জেলার বিশ্বম্ভরপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মফিজুর রহমান এর নেতৃত্বে অভিযানে অংশগ্রহণ করেন বিজিবি,পুলিশ, নৌ পুলিশ ও আনসার ব্যাটালিয়ন।
বিশ্বম্ভরপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মফিজুর রহমান বলেন, ‘আমরা এখন থেকে নিয়মিতভাবে এমন অভিযান পরিচালনা করবো।’
জানা যায়, নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে নদীর প্রবেশমুখে প্রশাসনের দেওয়া বাঁশের আড় উপরে ফেলে বালু-পাথর আনা নেওয়া করছে বালুখেকোরা। সুনামগঞ্জের বড় বালু-পাথর মহাল ধোপাজান বালি মহালে অবৈধভাবে দিনে কমপক্ষে পাঁচ থেকে ছয়শ বারকী নৌকা-বাল্কহেড বালু-পাথর উত্তোলন করে বহাল তবিয়তে বের হয়। এছাড়াও নদীর তীর কেটে চলছে শত শত বোমা মেশিন।
সম্প্রতি ধোপাজান নদীতে বালু লুটপাট এবং চাঁদাবাজি বেড়েছে। ডলুরা জিরো পয়েন্ট থেকে ডলুরা মসজিদের ঘাট পর্যন্ত এলাকায় দিনে-রাতে চলছে বালু লুটপাট। নদীর কাইয়ারগাঁও এলাকায় রাতে ড্রেজার মেশিনে নদীর বুক খনন চলছে। তাতে পরিবেশেরও ক্ষতি হচ্ছে। এসব ড্রেজার মেশিন এবং বালু উত্তোলনকারীদের কাছ থেকে উত্তোলনের সময় থেকে সুরমা নদীর আব্দুজ জহুর সেতু এলাকায় পৌঁছানো পর্যন্ত কমপক্ষে পাঁচ স্থানে চাঁদাবাজি হয়।
এদিকে টাস্কফোর্স অভিযানে আরও উপস্থিত ছিলেন সুনামগঞ্জ ২৮ বিজিবি সহকারী পরিচালক মো. রফিকুল ইসলাম,নৌ পুলিশ ফাড়ি ইনচার্জ মো. জাহাঙ্গীর হোসেন খান।



