লোকসান কমাতে আলুর দাম বাড়াতে চায় হিমাগার মালিক সমিতি। এ নিয়ে বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ে চিঠিও দিয়েছে তারা। উৎপাদন খরচই উঠছে না বলে দাবি করছেন তাঁরা। এ পরিস্থিতিতে বাজারে আলুর দাম নিয়ন্ত্রণে কার্যকর তদারকির তাগিদ দিয়েছে কনজ্যুমারস অ্যাসোসিয়েশন অফ বাংলাদেশ (ক্যাব)।
দেশে বছরে আলুর চাহিদা ৯০ লাখ টন। চাহিদার পুরোটাই পূরণ হয় দেশীয় উৎপাদন থেকে। গত বছর আলুর ভালো দাম পাওয়ায় চলতি বছর বেশি উৎপাদন করে কৃষক। যার পরিমাণ প্রায় ১ কোটি ৩০ লাখ টন।
কৃষকেরা জানান, চাহিদার চেয়ে প্রায় ৪০ লাখ টন বেশি আলু উৎপাদিত হওয়ায় দাম কম বাজারে। প্রতি কেজি আলু বিক্রি হচ্ছে ২৫ থেকে ৩০ টাকা কেজি দরে। যা গত বছর একই সময়ে ছিল প্রায় ৬০ টাকা।
হিমাগার মালিক সমিতির জ্যেষ্ঠ সহ সভাপতি ইশতিয়াক আহমেদ বলছেন, বর্তমানে হিমাগারে প্রতি কেজি আলু বিক্রি হচ্ছে ১৩ থেকে ১৫ টাকায়। এর সঙ্গে সংরক্ষণসহ অন্যান্য খরচ মিলিয়ে ব্যয় ২৫ টাকা। এমন পরিস্থিতে দাম না বাড়ালে বড় ধরনের লোকসানে পড়বেন কৃষক ও হিমাগার মালিকেরা। পাশাপাশি সরকারের খাদ্যবান্ধব কর্মসূচিতে আলু বিক্রি কার্যক্রম চালুর অনুরোধ জানিয়েছেন তাঁরা।
ক্যাবের সহ সভাপতি এস এম নাজের হোসাইন বলেন, ভোক্তাদের স্বার্থের বাজার নিয়ন্ত্রণের পাশাপাশি কৃষকদের দিকেও আলাদা নজর দিতে হবে।
দেশে ছোট-বড় মিলিয়ে হিমাগার রয়েছে প্রায় ৪০০টি। এসব হিমাগারে বর্তমানে প্রায় ৩৫ লাখ টন আলু সংরক্ষিত আছে।



