বেসরকারি খাতে ঋণের প্রবৃদ্ধি টানা ছয় মাস ধরে ৭ শতাংশের নিচেই আটকে রয়েছে। ২০২৫ সালের নভেম্বরের শেষে এ প্রবৃদ্ধি নেমে আসে ৬ দশমিক ৫৮ শতাংশে। যা বাংলাদেশ ব্যাংকের নির্ধারিত লক্ষ্যমাত্রার চেয়েও কম।
সবশেষ ঋণের প্রবৃদ্ধি দুই অঙ্কের ঘরে পৌঁছেছিল ২০২৪ সালের জুলাইয়ে– ১০ দশমিক ১৩ শতাংশ। এরপর ওই বছরের আগস্ট থেকেই প্রবৃদ্ধি ধারাবাহিকভাবে কমতে থাকে।
বাংলাদেশ ব্যাংকের তথ্য অনুযায়ী, চলতি অর্থবছরের জুলাই-নভেম্বর সময়ে মূলধনী যন্ত্রপাতির আমদানি নিষ্পত্তি ১৬ শতাংশের বেশি কমেছে। এতে দেশের বিনিয়োগ পরিস্থিতি নিয়ে নতুন করে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে। রাজনৈতিক অনিশ্চয়তা, উচ্চ সুদের হার, জ্বালানি সংকটের কারণে মূলত কমেছে বিনিয়োগ।
অর্থনীতিবিদ ও ব্যাংকাররা বলছেন, বেসরকারি খাতে ঋণের প্রবৃদ্ধির এই ধীরগতি দেশের নতুন বিনিয়োগ কমে যাওয়ারই প্রতিফলন। যা মূলধন গঠন প্রক্রিয়াকে বাধাগ্রস্ত করছে। যা শেষ পর্যন্ত অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি, কর্মসংস্থান সৃষ্টি ও রপ্তানি সক্ষমতার ওপর নেতিবাচক প্রভাব ফেলতে পারে।



