ঈদের আনন্দ আরও প্রাণবন্ত করতে বগুড়ার বিভিন্ন বিনোদন কেন্দ্র সাজানো হয়েছে নতুন আঙ্গিকে। পাঁচ তারকা হোটেল থেকে শুরু করে নদ-নদীর চরাঞ্চল সব জায়গায়ই থাকছে বিশেষ আয়োজন, যা পর্যটক ও দর্শনার্থীদের দেবে বাড়তি আনন্দের সুযোগ। পর্যটকদের নিরাপত্তা ও বাড়তি বিনোদন নিশ্চিত করতে নানা পদক্ষেপ নিয়েছে কর্তৃপক্ষ।
এবারের ঈদে নতুন আকর্ষণ হিসেবে উত্তরাঞ্চলের প্রথম পাঁচ তারকা হোটেল মম ইন চালু করতে যাচ্ছে কেবল কার। ঈদের দিন সকাল ১১টা থেকে রাত ৯টা পর্যন্ত সবার জন্য উন্মুক্ত থাকবে এটি।
এ ছাড়া ঈদের ছুটিতে থাকছে ডিজে শো এবং বিভিন্ন ধরনের রাইড। যারা হোটেলে থাকবেন, তাদের জন্যও বিনামূল্যে বেশ কিছু বাড়তি সুবিধা রেখেছে কর্তৃপক্ষ।
বগুড়া মম ইন পার্ক অ্যান্ড রিসোর্টের অপারেশন ম্যানেজার মো. রাকিবুল ইসলাম বলেন, ‘ঈদ উপলক্ষে হোটেলের চারপাশে ৪০ মিনিটের রাউন্ড ট্রিপের ব্যবস্থা থাকবে। একটি চেম্বারে চারজন করে দর্শনার্থী বসে মম ইন এবং এর আশপাশে প্রাকৃতিক পরিবেশ আছে তা উপভোগ করতে পারবে।
ছুটির দিনে যারা ইতিহাস ও ঐতিহ্যের নিদর্শন দেখতে চান, তাদের জন্য প্রস্তুত রাখা হয়েছে মহাস্থান জাদুঘর। দক্ষিণ এশিয়ার প্রাচীনতম নগরী পুন্ড্রনগরের ৯২৯টি নিদর্শন সাজানো হয়েছে ৪৪টি শোকেসে। ঈদের ছুটিতে এসব দেখা যাবে সকাল ৯টা থেকে বিকেল ৫টা পর্যন্ত।
বগুড়া মহাস্থান প্রত্নতাত্ত্বিক জাদুঘরের কাস্টোডিয়ান রাজিয়া সুলতানা বলেন, ঈদের ছুটি ও সরকারি ছুটির দিনগুলোতে দর্শনার্থীরা বেশি আসে। এ সময় তাদের জন্য স্পেশাল সুবিধা দেওয়া হয়।
পূর্ব বগুড়ার সোনাতলা, সারিয়াকান্দি ও ধুনটে যমুনা নদীর বুকে গড়ে উঠেছে অন্তত ২০টি অস্থায়ী বিনোদন কেন্দ্র। দর্শনার্থীদের নিরাপত্তায় বিশেষ প্রস্তুতি নিয়েছে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী।
বগুড়া জেলার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (অপরাধ ও অপারেশনস) হোসাইন মুহাম্মাদ রায়হান বলেন, ঈদের ছুটিতে দর্শনীয় স্থানগুলোতে নিরাপত্তাজনিত কোনো সমস্যা যেন না হয়, সে ব্যবস্থা গ্রহণ করা হচ্ছে।



