বৃষ্টি আর পাহাড়ি ঢলে বাড়ছে তিস্তাসহ বিভিন্ন নদ-নদীর পানি। পানি ঢুকছে নদীতীরবর্তী নিচু এলাকায়। তিস্তার পানি বেড়ে বন্যার আশঙ্কার কথা জানিয়েছে পানি উন্নয়ন বোর্ড। এদিকে গত ২৪ ঘণ্টায় সোমবার দুপুর ১২টা পর্যন্ত সুনামগঞ্জে সুরমা ও কুশিয়ারা নদীর পানি বিপৎসীমার ওপর বইছে। এছাড়া সিলেটে কুশিয়ারা ও নেত্রকোণায় সোমেশ্বরী নদীর পানিও বিপৎসীমার ওপরে। বন্যা পরিস্থিতি মোকাবিলায় সব ধরনের প্রস্তুতির কথা জানিয়েছে প্রশাসন।
ভারী বৃষ্টি আর পাহাড়ি ঢলে বাড়ছে তিস্তা, ব্রহ্মপুত্রসহসহ বিভিন্ন নদ-নদীর পানি, আবারও বন্যা আতঙ্কে নদী পাড়ের মানুষ।
এরইমধ্যে পানি ঢুকতে শুরু করেছে নীলফামারীর ডিমলা ও জলঢাকার নিচু এলাকায়। বিভিন্ন কাঁচা রাস্তায় পানি উঠে ব্যাহত হচ্ছে যোগাযোগ।
তিস্তা তীরবর্তী গাইবান্ধার সুন্দরগঞ্জের হরিপুর, কাপাসিয়া, বেলকাসহ বিভিন্ন ইউনিয়নের নিচু এলাকা এরইমধ্য তলিয়ে গেছে। সেইসঙ্গে সদর, সাঘাটা ও ফুলছড়ি উপজেলার অন্তত ২৫টি এলাকায় নদী ভাঙন অব্যাহত রয়েছে।
কুড়িগ্রামে দুধকুমারসহ বিভিন্ন নদ–নদীর অববাহিকায় স্বল্পমেয়াদি বন্যার শঙ্কা দেখা দিয়েছে। চিলমারীর কাঁচকোল এলাকায় শুরু হয়েছে ভাঙন।
লালমনিরহাট পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী সুনীল কুমার বলেন, ‘লালমনিরহাটেও দ্রুত বাড়ছে তিস্তার পানি। সম্ভাব্য বন্যা পরিস্থিতি মোকাবিলায় আগাম প্রস্তুতি নিয়েছে জেলা প্রশাসন। দুর্যোগ মোকাবিলায় সতর্ক থাকতে বলা হয়েছে নিচু এলাকার বাসিন্দাদের।’
শেরপুরের চেল্লাখালি ও মহারশি নদীর পানি বিপৎসীমা ওপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। প্লাবিত হয়েছে নালিতাবাড়ী ও ঝিনাইগাতীর তিনটি ইউনিয়নের নিম্নাঞ্চল। টানা বৃষ্টি আর পাহাড়ি ঢলে বাড়ছে ভোগাই, সোমেশ্বরী, ব্রক্ষপুত্র ও মৃগী নদীর পানিও।
যমুনার তীব্র স্রোতে টাঙ্গাইল-তারাকান্দি আঞ্চলিক মহাসড়কের একাংশ ধসে গেছে। বন্ধ রয়েছে যান চলাচল। ভাঙন রোধে জিও ব্যাগ ফেলছে পানি উন্নয়ন বোর্ড।



