সরকার দাম বেঁধে দিলেও যশোরের কোথাও নির্ধারিত দামে মিলছে না এলপিজি সিলিন্ডার। সরবরাহ কমের দোহাই দিচ্ছেন বিক্রেতারা। বলছেন, ডিলার পয়েন্ট থেকেই সিলিন্ডারের দাম ধরা হচ্ছে সাড়ে ১৮০০ থেকে ২০৩০ টাকা পর্যন্ত। এতে বিপাকে পড়েছেন গ্রাহকেরা। সিলিন্ডারপ্রতি কয়েকশ টাকা বেশি গুণতে হচ্ছে তাঁদের।
গত ২ এপ্রিল ১২ কেজির এলপিজি সিলিন্ডারের দাম ১৭২৮ টাকা নির্ধারণ করে দিয়েছে সরকার। কিন্তু এই দামে যশোরের বাজারে কোথাও মিলছে না সিলিন্ডার। এতে বিপাকে পড়েছেন নিম্ন ও মধ্যম আয়ের মানুষ। বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের সিলিন্ডারভেদে ১৯৫০ থেকে ২১০০ টাকা পর্যন্ত গুণতে হচ্ছে তাঁদের।
গ্রাহকেরা বলছেন, জ্বালানির অবস্থা ভয়াবহ। এক রাতে সিলিন্ডারপ্রতি ৪০০ থেকে ৫০০ টাকা বেড়ে গেছে। দোকানে এসে অনেকেই দেখছে ১৭০০ টাকার সিলিন্ডারের দাম ২১০০ টাকা হয়ে গেছে।
বেশি দামে বিক্রির জন্য সরবরাহ কমের অজুহাত বিক্রেতাদের। তাঁর দাবি, চাহিদার মাত্র পাঁচ ভাগের একভাগ সরবরাহ পাচ্ছেন তারা। ডিলারদের অতিরিক্ত দাম নেওয়ারও রয়েছে অভিযোগ।
ব্যবসায়ীরা বলছেন, ডিলারের রেট যদি ১৮৫০ বা ১৯০০ টাকা হয় তাহলে ব্যবসায়ীরা কীভাবে ১৭২৮ টাকায় বিক্রি করবে।
এদিকে ডিলারেরা বলছেন, ডিপোতে বেশি দামে বিক্রির কারণে অস্থিতিশীল বাজার। আর মধ্যপ্রাচ্যে যুদ্ধের কারণে বিশ্ববাজারে এলএনজির দাম বাড়ায় আমদানিকারক প্রতিষ্ঠানগুলোর খরচ বেড়েছে বলে দাবি ব্যবসায়ীদের।
যশোরের ফিরোজ এন্টারপ্রাইজের ব্যবস্থাপক মহিদুল হাসনাত বলেন, ‘যুদ্ধের জন্য গ্যাসের দাম বেড়েছে। বেশি দামে কিনে সীমিত লাভে আমরা গ্যাস বিক্রি করছি।’
যশোর জেলা এলপিজি ডিলার অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি জাহিদ হাসান টুকুন বলেন, সরকার গ্যাস আমদানি করে না। এ আমদানি বেসরকারি খাত থেকে হয়। সে জন্যই বেসরকারি খাতে আমদানি করতে অনেক টাকা বেশি পড়ে যাচ্ছে। যার জন্য এ খাত গ্যাসের দাম বাড়িয়ে দিয়েছে।



