কোরবানির ঈদকে সামনে রেখে দেশের বিভিন্ন জেলায় জমে উঠছে পশুর হাট। জেলার প্রত্যন্ত অঞ্চল থেকে কৃষক ও খামারিরা গরু নিয়ে আসছেন হাটে। আর ব্যবসায়ীরা এসব হাট থেকে পশু কিনে বিক্রি করেন দেশের বিভিন্ন এলাকায়। এবারও ছোট-মাঝারি গরুর চাহিদা সবচেয়ে বেশি।
দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের অন্যতম বড় মেহেরপুরের বামন্দী হাট। ঈদ উপলক্ষ্যে সাপ্তাহিক এ হাটে বেড়েছে গরু বেচাকেনা।
অন্য সময়ে এ হাটে গরু তোলা হয় ২৫ শ থেকে ৩ হাজার। ঈদ উপলক্ষ্যে প্রতি হাটে আসছে ৫ হাজারের বেশি গরু। এখান থেকে পশু কিনতে ভিড় করছেন ঢাকা, চট্টগ্রাম, কমিল্লা, বরিশালসহ বিভিন্ন এলাকার ব্যবসায়ীরা। আকারভেদে একেকটি গরু বিক্রি হচ্ছে ১ লাখ থেকে ৪ লাখ টাকা পর্যন্ত।
ঢাকা থেকে আসা এক ক্রেতা বলেন, ‘ঢাকা থেকে আইছি এই হাটে। এইখান থেকে আমরা কয়েক শ গরু নিয়া যাবো।’
আরেক ক্রেতা বলেন, ‘এখান থেকে আমরা গরু কিনে সিরাজগঞ্জে বিভিন্ন জায়গা বিক্রি করি।’
সীমান্ত জেলা চুয়াডাঙ্গাতেও জমে উঠেছে পশুর হাট। এ হাটে বড় গরুর চেয়ে মাঝারি গরুর চাহিদাই বেশি। বিক্রেতারা বলছেন, গরু লালন-পালনে খরচ বাড়ায় লাভ তুলনামূলক কম।
এক ক্রেতা বলেন, প্রচুর গরু এসেছে। কিন্তু দাম মোটামুটি চড়া ছিল।
এবারের ঈদে জেলায় এক হাজার কোটি টাকার পশু বিক্রির আশা প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তরের।
চুয়াডাঙ্গা জেলা কৃত্রিম প্রজনন কেন্দ্রের উপ-পরিচালক ডা. এএইচএম শামিমুজ্জামান বলেন, ‘প্রাণী সম্পদ বিভাগ থেতে প্রতিটি হাটে আমাদের ভ্যাটেনারি মেডিকেল টিম থাকবে। এখান থেকে ক্রেতা এবং বিক্রেতা সহযোগিতা নিতে পারবে। বিশেষ করে অসুস্থ গরুগুলোকে প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়া হবে।’
লালমনিরহাটেও জমে উঠতে শুরু করেছে কোরবানির পশুর হাট। বিভিন্ন হাট ও খামারে ঘুরে পছন্দের পশু কিনছেন ক্রেতারা।
এক ক্রেতা বলেন, দাম-দড় চলছে। দেখি এখান থেকে গরু কেনা যায় কিনা।
এ বছর লালমনিরহাটে কোরবানির জন্য ২ লাখ ৬ হাজার ৪৬২টি গবাদিপশু প্রস্তুত করা হয়েছে। বিপরীতে জেলার চাহিদা রয়েছে প্রায় ১ লাখ ৫২ হাজার ৮৮৪ পশু।
প্রতিবেদনটি তৈরিতে সহযোগিতা করেছেন জেলার প্রতিনিধিরা।



