বৈশ্বিক মুদ্রাস্ফীতির প্রভাব পড়েছে দেশের কোরবানির হাটে। পশুর দাম বাড়ায় অনেক ক্রেতা এবার কোরবানি দিতে পারবেন কিনা সেই শঙ্কার কথা জানিয়েছে আন্তর্জাতিক গণমাধ্যমগুলো। রাজধানীর গাবতলীসহ বেশ কিছু পশুর হাট পর্যবেক্ষণ করে রয়টার্স বলছে, পর্যাপ্ত পশু থাকলেও সে অনুপাতে ক্রেতা পাচ্ছেন না ব্যাপারীরা।
আকাশচুম্বী মুদ্রাস্ফীতি আর বিশ্বব্যাপী যুদ্ধবিগ্রহের প্রভাব পড়েছে বাংলাদেশের কোরবানির হাটে। ঈদ ঘনিয়ে এলেও হাটে পর্যাপ্ত ক্রেতার দেখা মিলছে না।
বিক্রেতার প্রত্যাশা ও ক্রেতার যোগানের মধ্যে বড় ব্যবধান দ্রব্যমূল্যের ঊর্ধ্বগতি। এ সংকটের জন্য ইউক্রেন ও ইরান যুদ্ধকে দায়ী করা হচ্ছে। আন্তর্জাতিক গণমাধ্যমগুলো বলছে, মধ্যপ্রাচ্যে উত্তেজনা আর হরমুজ প্রণালীতে অবরোধের কারণে সৃষ্ট জ্বালানি সংকট পরিস্থিতির আরও অবনতি ঘটিয়েছে।
ব্যবসায়ীরা জানান, পশুপালন ও পরিবহনের খরচ বেড়ে যাওয়ায় দাম বাড়াতে বাধ্য হয়েছেন তারা। অর্থনৈতিক সংকটে শুধু পরিশ্রমই বাড়েনি, বেড়েছে গবাদি পশুর খাদ্য ও ওষুধের দামও। অনেক এলাকায় হাটের আয়তন কমেছে বলেও জানিয়েছে রয়টার্স।
ক্রেতাদের অভিযোগ, গতবারের তুলনায় প্রায় দ্বিগুণ দাম চাইছেন বিক্রেতারা। তবে জীবনযাত্রার ব্যয় বাড়ায় অনেক পরিবারের ক্রয়ক্ষমতা কমেছে। এ পরিস্থিতিতে পর্যাপ্ত পশু থাকার পরও কমেছে চাহিদা।



