প্রস্তাবিত বাজেটে জ্বালানি খাতের উন্নয়নে বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হলেও নবায়নযোগ্য জ্বালানি খাতে বরাদ্দের পরিমাণ খুবই সামান্য। বৃহস্পতিবার এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে গবেষণা সংস্থা সানেম বলছে, বিদ্যুৎ বিভাগের মোট উন্নয়ন ব্যয়ের মাত্র আড়াই শতাংশ এ খাতে বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে। এছাড়া ব্যাটারি শিল্পে শুল্ক-সুবিধা প্রত্যাহারের পরিকল্পনা নিয়েও উদ্বেগ জানিয়েছে সানেম।
পরিবেশবান্ধব অর্থনীতির দিকে অগ্রসর হতে এবং জ্বালানি নিরাপত্তা নিশ্চিতে আগামী অর্থবছরের বাজেটে বেশকিছু লক্ষ্য ঠিক করা হয়েছে। এর মধ্যে আমদানি নির্ভরতা কমাতে ২০৩০ সালের মধ্যে ২০ ভাগ বিদ্যুৎ নবায়নযোগ্য উৎস থেকে উৎপাদনের লক্ষ্য নেওয়া হয়েছে। প্রথমবারের মতো সৌরশক্তি ও বৈদ্যুতিক যানবাহন খাতে বিশেষ শুল্ক ও কর-সুবিধা দেওয়া হয়েছে। তবে এ খাতের বরাদ্দ খুবই কম বলছে গবেষণা সংস্থা সানেম।
সানেম চেয়ারম্যান ড. বজলুল হক খন্দকার জানান, নবায়নযোগ্য জ্বালানি ও কার্বন নিঃসরণ কমানোর লক্ষ্যকে গুরুত্ব দেয়া হলেও বাজেটে এ খাতে বরাদ্দ ও প্রণোদনা অপর্যাপ্ত। কর-সুবিধা সীমিত হওয়ায় অনেক অংশীজন বাইরে রয়ে গেছে। একই সঙ্গে কয়লা ও তেলভিত্তিক প্রকল্প সম্প্রসারণ দীর্ঘমেয়াদে জীবাশ্ম জ্বালানির ওপর নির্ভরতা বাড়াতে পারে। এছাড়া ব্যাটারির কাঁচামালে শুল্ক সুবিধা দ্রুত তুলে নেওয়ার পরিকল্পনা এ শিল্পের দীর্ঘমেয়াদি বিনিয়োগ ও বিকাশকে বাধাগ্রস্ত করতে পারে।
নবায়নযোগ্য জ্বালানি রূপান্তরকে বেগবান করতে বেশকিছু সুপারিশ করেছে সানেম। এজন্য এডিপিতে বরাদ্দ বাড়ানো, নবায়নগযোগ্য জ্বালানি পরিকল্পনায় বিশেষ গুরুত্ব দেয়ার পরামর্শ সংস্থাটির। পাশাপাশি, গ্যাস অনুসন্ধানে জোর দেয়ার তাগিদও দিয়েছেন গবেষকরা।



