ইরান-যুক্তরাষ্ট্র উত্তেজনা আবারও নাড়িয়ে দিয়েছে বৈশ্বিক আর্থিক খাতকে। মধ্যপ্রাচ্য সংঘাতে বিশ্ববাজারে বেড়েছে তেলের দাম, পাশাপাশি বাড়ছে মূল্যস্ফীতির শঙ্কা। চাপে রয়েছে ট্রেজারি বন্ড ও শেয়ারবাজার। এর প্রভাবে বিশ্ব অর্থনীতিতে নতুন ঝুঁকির সতর্কতা দিচ্ছেন বিশ্লেষকরা।
ইরান-যুক্তরাষ্ট্র সংঘাতের নতুন উত্তেজনায় আবারও অস্থির হয়ে উঠেছে বৈশ্বিক আর্থিক বাজার। যুদ্ধবিরতির সমঝোতা ভেঙে যাওয়ার পর আন্তর্জাতিক বাজারে জ্বালানি তেলের দাম দ্রুত বেড়েছে, যা নতুন করে মূল্যস্ফীতির আশঙ্কা তৈরি করেছে।
এর প্রভাব সবচেয়ে স্পষ্ট যুক্তরাষ্ট্রের ট্রেজারি বন্ড বাজারে। ১০ বছর মেয়াদি ট্রেজারি বন্ডের সুদ বেড়ে পৌঁছেছে ৪ দশমিক ৭১ শতাংশে, যা বছরের অন্যতম সর্বোচ্চ অবস্থান। বিনিয়োগকারীরা এখন মূল্যস্ফীতির ঝুঁকি বিবেচনায় বেশি রিটার্ন দাবি করছেন।
এদিকে গত সপ্তাহে ব্রেন্ট ক্রুডের দাম এক দিনেই প্রায় ৭ শতাংশ বেড়ে প্রতি ব্যারেলের দাম প্রায় ১০০ ডলারের কাছাকাছি পৌঁছে যায়। তেলের দাম বাড়ায় পরিবহন, উৎপাদন ও জ্বালানি ব্যয় বাড়ছে, যা বৈশ্বিক অর্থনীতিতে নতুন চাপ তৈরি করছে।
অস্থিরতার প্রভাব পড়েছে বৈশ্বিক শেয়ারবাজারেও। ডাও জোন্স, এসঅ্যান্ডপি ৫০০ এবং নাসডাক—এই তিনটি সূচকই নিম্নমুখী। প্রযুক্তি খাতের বড় কোম্পানিগুলোর শেয়ারেও দেখা গেছে উল্লেখযোগ্য পতন।
পুরো বিশ্বের নজর এখন হরমুজ প্রণালি ও মধ্যপ্রাচ্যের পরিস্থিতির দিকে। বিশ্লেষকদের আশঙ্কা, চলমান সংঘাত কমার স্পষ্ট লক্ষণ দেখা না গেলে তেলের দাম, সুদহার এবং বৈশ্বিক অর্থনীতির ওপর চাপ আরও তীব্র হতে পারে।



