আমদানিতে মূল শুল্কের বাইরে অন্যান্য শুল্কের কারণে এলডিসি উত্তরণের পরে দেশের রপ্তানি ও জিডিপিতে চাপ তৈরি হতে পারে। মঙ্গলবার বেসরকারি গবেষণা সংস্থা পিআরআই আয়োজিত সেমিনারে বিশ্বব্যাংকের প্রতিবেদনে এ তথ্য দেওয়া হয়। তাই ধীরে ধীরে এসব শুল্ক কমানোর পরামর্শ সংস্থাটির।
দেশের বাণিজ্য নীতি নিয়ে পলিসি রিসার্চ ইনস্টিটিউট- পিআরআইয়ে এক গবেষণা প্রতিবেদন প্রকাশ করে বিশ্বব্যাংক। এ সময় পণ্যের আমদানি শুল্ক, এলডিসি উত্তরণের পর দেশের সামগ্রিক অর্থনৈতিক পরিস্থিতিসহ নানা বিষয় নিয়ে নিয়ে আলোচনা করেন বক্তারা।
প্রতিবেদনে বলা হয়, বিনিয়োগ বাড়াতে ও অর্থনৈতিক চাপ কমাতে পণ্য আমদানিতে নিয়ন্ত্রণমূলক ও সম্পূরক শুল্ক ধীরে ধীরে বাদ দিতে হবে। আর এলডিসি উত্তরণের পর বাজার ধরে রাখতে ইউরোপীয় ইউনিয়নসহ গুরুত্বপূর্ণ অংশীদারদের সঙ্গে কার্যকর মুক্ত বাণিজ্যচুক্তির উদ্যোগ নিতে হবে।
অর্থনীতিবিদদের মতে, সব পণ্যে ঢালাওভাবে শুল্ক কমালে দেশের উৎপাদনশীল খাত ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার পাশাপাশি স্বাস্থ্য ও পরিবেশগত ঝুঁকি তৈরি হতে পারে। তাই শুল্ক কমানোর পাশাপাশি উৎপাদন সক্ষমতা, অবকাঠামো ও নীতিগত সংস্কারে জোর দেন তারা।
ব্যবসায়ীরা বলছেন, অর্থনীতির বিভিন্ন খাতে অনিশ্চয়তার কারণে ব্যবসার সক্ষমতা কমেছে। তাই শুল্ক সংস্কারের পাশাপাশি ব্যবসায়ীদের জন্য নীতিগত সহায়তা প্রয়োজন। দেশে আমদানির ওপর মূল গড় শুল্ক ৭ শতাংশ হলেও, অন্যান্য শুল্ক-কর মিলিয়ে তা দাঁড়ায় ১৫ শতাংশের বেশি।



