বিদায়ী সপ্তাহে নেতিবাচক ছিল দেশের দুই শেয়ার বাজার। ঢাকা ও চট্টগ্রাম শেয়ারবাজারে কমেছে সূচক ও লেনদেন। ডিএসইতে দর হারিয়েছে ৬৯ ভাগ কোম্পানির শেয়ার। তবে সপ্তাহে শেষে বাজার মূলধন বেড়েছে ১ হাজার কোটি টাকার বেশি।
বিদায়ী সপ্তাহ ৫ কার্যদিবসের মধ্যে ৩ দিনই সূচক বেড়েছে ঢাকার শেয়ারবাজারে। তবে তারপরও সূচক হারানোর পাল্লাই ছিলো ভারি। এতে সপ্তাহ শেষে ডিএসইএক্স সূচক কমেছে ৩৯ দশমিক ৫৬ পয়েন্ট। অবস্থান করছে ৪ হাজার ৯৫৮ পয়েন্টে। কমেছে অন্য দুটি সূচকও।
সূচকের সঙ্গে লেনদেনের গতিও কমেছে। গত সপ্তাহে ডিএসইতে ১ হাজার ৯শ কোটি টাকার শেয়ার লেনদেন হয়, যা এর আগের সপ্তাহে ছিলো ২ হাজার ৩৭২ কোটি টাকা। অর্থাৎ, লেনদেন কমেছে ৪৭২ কোটি টাকা।
লেনদনে কমলেও ডিএসইতে বেড়েছে বাজার মূলধন। সপ্তাহের শুরুতে বাজার মূলধন ছিল ৬ লাখ ৮৩ হাজার ১৮০ কোটি, যা শেষ দিনে এসে দাঁড়ায় ৬ লাখ ৮৪ হাজার ৪৪০ কোটি টাকা। এতে সপ্তাহের ব্যবধানে মূলধন বেড়েছে ১ হাজার ২৬০ কোটি টাকা।
বিদায়ী সপ্তাহে হাতবদলে অংশ নেয়া ৩৮৬টি কোম্পানি ও মিউচুয়াল ফান্ডের মধ্যে দর বেড়েছে মাত্র ৯৩টি শেয়ারের। কমেছে ২৬৮টির এবং অপরিবর্তিত আছে ২৫টি প্রতিষ্ঠানের শেয়ার দর।
সপ্তাহ জুড়ে সবচেয়ে বেশি লেনদেন হওয়া প্রতিষ্ঠানের তালিকায় প্রথম অবস্থায় উঠে এসেছে ফাইন ফুডস, দ্বিতীয় স্কয়ার ফার্মা এবং তৃতীয় ওরিয়ন ইনফিউশন।
শতাংশের দিক থেকে দর বৃদ্ধির তালিকার শীর্ষে আছে পিপলস লিজিং, যাদের শেয়ার দর বেড়েছে ৩৩ শতাংশের বেশি। দ্বিতীয় অবস্থানে আছে ফার্স্ট ফাইন্যান্স এবং তৃতীয় স্থানে আছে বিডি ওয়েলডিং।
অন্যদিকে, বিদায়ী সপ্তাহে চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জ-এর সার্বিক সূচক ৭৩ পয়েন্ট কমে অবস্থান করছে ১৩ হাজার ৯২১ পয়েন্টে। সপ্তাহজুরে মোট লেনদেন হয়েছে ৩২ কোটি ৮১ লাখ টাকা।



