বাংলা গানের অন্যতম প্রতিভাবান শিল্পী সঞ্জীব চৌধুরী। জীবদ্দশায় উপহার দিয়েছেন অসংখ্য কালজয়ী গান, যা তরুণ প্রজন্মের কাছে এখনও অনুপ্রেরণা হিসেবে রয়ে গেছে। এ ছাড়া সাংবাদিকতার জগতে ফিচার লেখনীতে ভিন্ন মাত্রার স্বাক্ষর রেখেছেন তিনি। সোমবার (২৫ ডিসেম্বর) ছিল তাঁর ৫৯তম জন্মবার্ষিকী। এদিন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের টিএসসিতে এই কিংবদন্তির স্মরণে আয়োজিত হয় ‘সঞ্জীব উৎসব’।
সেদিনই চমকপ্রদ ঘোষণা দেন সঞ্জীব উৎসব উদ্যাপন পর্ষদের অন্যতম সদস্য সংগীতশিল্পী জয় শাহরিয়ার। জানান, সঞ্জীব চৌধুরীকে নিয়ে আসছে নতুন একটি বই। নাম রাখা হয়েছে ‘সঞ্জীবনামা’।
বইটি মূলত স্মৃতিচারণমূলক জীবনীগ্রন্থ। সঞ্জীব চৌধুরীর সহকর্মী, স্নেহভাজন ও কাছের মানুষেরা লিখেছেন তাঁকে নিয়ে।

জয় শাহরিয়ার বলেন, ‘আসন্ন একুশে বইমেলায় প্রকাশ পেতে যাচ্ছে আমার সংকলন ও সম্পাদনায় ক্ষণজন্মা শিল্পী-সাংবাদিক সঞ্জীব চৌধুরীর জীবন ও কর্ম নিয়ে স্মৃতিকথনমূলক এই জীবনীগ্রন্থ।’
জানা গেছে, প্রকাশনী সংস্থা আজব প্রকাশ থেকে আসছে সঞ্জীবনামা বইটি। প্রচ্ছদ করেছেন সঞ্জীব চৌধুরী তনয়া কিংবদন্তি চৌধুরী।
প্রসঙ্গত, জনপ্রিয় ব্যান্ড ‘দলছুট’-এর অন্যতম প্রতিষ্ঠাতা সঞ্জীব চৌধুরী। ব্যান্ডটির ৪টি অ্যালবামে কাজ করার পাশাপাশি অনেক গান রচনা ও সুর করেছেন তিনি। তার মধ্যে ‘আমি তোমাকেই বলে দেবো’, ‘সমুদ্র সন্তান’, ‘জোছনা বিহার’, ‘গাছ’, ‘তোমার ভাঁজ খোলো’, ‘স্বপ্নবাজি’ প্রভৃতি উল্লেখযোগ্য।
১৯৬৪ সালের ২৫ ডিসেম্বর হবিগঞ্জ জেলার বানিয়াচং উপজেলার মাকালকান্দি গ্রামে জন্ম সঞ্জীব চৌধুরীর। ২০০৭ সালের ১৯ নভেম্বর বাই লেটারেল সেরিব্রাল স্কিমিক স্ট্রোকে শেষ নিশ্বাস ত্যাগ করেন তিনি।


নতুন করে এলো পার্থ বড়ুয়ার ‘বিনিময়’
