ডেঙ্গুতে শুক্রবার ১ জনের মৃত্যু হয়েছে। এতে জানুয়ারি থেকে এ পর্যন্ত ডেঙ্গুতে মোট প্রাণহানি বেড়ে দাঁড়ালো ২৫০ জনে। একদিনে হাসপাতালে নতুন রোগী ভর্তি হয়েছেন ১ হাজার ১৬৩ জন।
স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে, চলতি বছর ডেঙ্গুতে মোট আক্রান্ত হয়েছেন ৮১ হাজার ৫৯৮ জন। ২৪ ঘণ্টায় সবচেয়ে বেশি ৪২০ জন আক্রান্ত হয়েছেন ঢাকা বিভাগে।
অন্যান্য বিভাগের মধ্যে বরিশালে ১৫১, চট্টগ্রামে ৩৩৩, খুলনায় ১১১, ময়মনসিংহে ৭৭ এবং রংপুরে ৭১ জন ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়েছেন।
এদিকে, বরিশাল, খুলনা, চট্টগ্রামসহ সারাদেশের বিভাগীয় শহর ও জেলা হাসপাতালগুলোতে আশঙ্কাজনকভাবে বাড়ছে ডেঙ্গু রোগীর চাপ।
রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মুখপাত্র ডা. শেখ শামিম আহমেদ বলেন, ‘ডেঙ্গু রোগী সংখ্যা বেড়েছে। আমরা যথাসাধ্য রোগীদের সেবা দেওয়ার চেষ্টা করছি।’
রাজশাহী সিটি করপোরেশন প্রশাসক মাহফুজুর রহমান বলেন, ‘ওয়ার্ডে ওয়ার্ড মশা নিধন কর্মসূচি চালানো হচ্ছে।’
তবে ডেঙ্গু পরিস্থিতি সব চেয়ে মারাত্মক আকার ধারণ করেছে খুলনা বিভাগে। চলতি বছরে রেকর্ড ৪০ জনের মৃত্যু হয়েছে। আর আক্রান্ত পৌনে ৮ হাজারের কাছাকাছি।
খুলনা ডেপুটি সিভিল সার্জনের ডা. মো. শওকত আলী বলেন, ‘চাপ সামলাতে উপজেলা পর্যায় পর্যন্ত শয্যা সংখ্যা বাড়ানো হয়েছে।’
বরিশাল শের-ই-বাংলা হাসপাতাল প্রতিদিন গড়ে ৪০ জন নতুন রোগী ভর্তি হচ্ছেন। সাধারণ মেডিসিন ওয়ার্ডেই ডেঙ্গু রোগীদের চিকিৎসা দেওয়ায় ছড়িয়ে পড়ছে আতঙ্ক। বিভাগে মোট আক্রান্ত সাড়ে ১১ হাজার ছাড়িয়েছে, আর মৃত্যু হয়েছে ১৭ জনের।
বগুড়াতেও দিন দিন বাড়ছে আক্রান্তের সংখ্যা, শেরপুরে ডেঙ্গুতে এক যুবকের মৃত্যুর পর চালু করা হয়েছে ২৫ শয্যার বিশেষ ইউনিট।
স্থানীয় প্রশাসনের তৎপরতা জোরদার না হলে ডেঙ্গু পরিস্থিতির উন্নতি সম্ভব নয় বলে মনে করছেন চিকিৎসকরা।


