সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে সহকারী শিক্ষক পদে ঢাকা ও চট্টগ্রাম বিভাগের মৌখিক পরীক্ষা ৬ মাসের জন্য স্থগিত করেছে হাইকোর্ট। একই সাথে প্রশ্ন ফাঁসের অভিযোগ তদন্তের নির্দেশ দিয়েছেন আদালত।
প্রশ্নফাঁসের ঘটনায় দায়ের করা রিটের বিষয়ে প্রাথমিক শুনানি নিয়ে মঙ্গলবার হাইকোর্টের বিচারপতি মোস্তফা জামান ইসলাম ও বিচারপতি এস এম মাসুদ হোসেন দোলনের সমন্বয়ে গঠিত বেঞ্চ এ আদেশ দেন।
আদেশে আদালত প্রশ্নের ফাঁসের তদন্তের জন্য কমিটি গঠন করে ৩ মাসের মধ্যে তদন্ত রিপোর্ট দিতে বলেছেন। এবং সচ্ছ ও অভিযোগবিহীন পরীক্ষা নিতে না পারা কেন বেআইনি ঘোষণা করা হবে না জানতে চেয়ে রুল দিয়েছেন আদালত।
রিটের পক্ষে শুনানি করেন অ্যাডভোকেট সৈয়দ সায়েদুল হক সুমন। রাষ্ট্রপক্ষে ছিলেন ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল তুষার কান্তি রায়।
এসময় সৈয়দ সায়েদুল হক সুমন বলেন, ‘ঢাকা ও চট্টগ্রামের প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক নিয়োগ পেতে ১১ লাখ প্রার্থী পরীক্ষার অংশ নেন। গত বছরের ১৪ জুন পরীক্ষা হয়। ওই পরীক্ষার প্রশ্ন ফাঁস হয়েছিল। ডিবি পুলিশ কয়েকজন আটক করে এবং তারা স্বীকারোক্তিও দেয়। এরপরও মন্ত্রণালয় পরীক্ষার প্রক্রিয়া বাতিল না করে চালিয়ে যাচ্ছে। তাই আমরা আদালতে এসেছি।’
তিনি আরও বলেন, ‘আদালত এই ভর্তি প্রক্রিয়ার মৌখিক পরীক্ষা ছয় মাসের জন্য স্থগিত করেছেন এবং বিষয়টি তদন্ত করে তিন মাসের মধ্যে প্রতিবেদন দেওয়ার নির্দেশ দিয়েছেন।’
উল্লেখ্য, গত ২৯ মার্চ প্রাথমিক বিদ্যালয়ে সহকারী শিক্ষক নিয়োগে ঢাকা-চট্টগ্রাম বিভাগের জেলাগুলোতে পরীক্ষা হয়। এতে অংশ নেয় প্রায় সাড়ে তিন লাখ পরীক্ষার্থী।



