শ্রীকৃষ্ণের জন্মদিন জন্মাষ্টমী উপলক্ষে রাজধানীতে শুক্রবার (৪ সেপ্টেম্বর) বর্ণাঢ্য শোভাযাত্রা অনুষ্ঠিত হবে। শোভাযাত্রাটি ঢাকেশ্বরী জাতীয় মন্দির থেকে শুরু হয়ে বাহাদুর শাহ পার্কে গিয়ে শেষ হবে। শোভাযাত্রা চলাকালে বিকেল ৩টা থেকে সন্ধ্যা ৭টা পর্যন্ত নগরবাসীকে ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের (ডিএমপি) দেওয়া নির্দেশনা মেনে চলার অনুরোধ করা হয়েছে।
শোভাযাত্রার রুট নির্ধারণ করা হয়েছে—শ্রী শ্রী ঢাকেশ্বরী জাতীয় মন্দির, পলাশী বাজার, জগন্নাথ হল, কেন্দ্রীয় শহীদ মিনার, দোয়েল চত্বর, হাইকোর্ট, বঙ্গবাজার, ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশন ভবন, গোলাপশাহ মাজার, গুলিস্তান মোড়, নবাবপুর রোড ও রায় সাহেব বাজার মোড় হয়ে বাহাদুর শাহ পার্ক পর্যন্ত।
শোভাযাত্রা নির্বিঘ্ন ও নিরাপদ করতে ডিএমপির নির্দেশনাগুলো হলো—
১. শোভাযাত্রার নির্ধারিত রুটে কোনো ধরনের যানবাহন পার্কিং করা যাবে না।
২. উচ্চস্বরে পিএ সিস্টেম বা সাউন্ড সিস্টেম বাজানো থেকে বিরত থাকতে হবে।
৩. শোভাযাত্রায় অংশগ্রহণকারীদের শুরুতেই শোভাযাত্রায় যোগ দিতে হবে। কোনোভাবেই মাঝপথে শোভাযাত্রায় যোগ দেওয়া যাবে না।
৪. নিরাপত্তার স্বার্থে হ্যান্ডব্যাগ, ট্রলি, বড় ভ্যানিটি ব্যাগ, পোটলা, দাহ্য পদার্থ, ছুরি, অস্ত্র, কাঁচি, ক্ষয়কারী তরল, ব্লেড, দিয়াশলাই, গ্যাসলাইটারসহ কোনো ঝুঁকিপূর্ণ সামগ্রী নিয়ে শোভাযাত্রায় অংশ নেওয়া যাবে না।
৫. শোভাযাত্রা চলাকালে রুটে কোনো ধরনের ফলমূল ছোড়া যাবে না।
৬. শোভাযাত্রা চলাকালে রাস্তায় অহেতুক দাঁড়িয়ে থেকে প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি করা যাবে না।
৭. কোনো সন্দেহজনক ব্যক্তি বা বস্তু চোখে পড়লে তাৎক্ষণিকভাবে নিকটস্থ পুলিশকে জানাতে হবে।
৮. শোভাযাত্রায় অংশগ্রহণকারীদের স্বেচ্ছাসেবক ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যদের নির্দেশনা মেনে চলতে হবে।
৯. ব্যারিকেড, পিকেট ও আর্চওয়ে ব্যবস্থাপনায় নিয়োজিত পুলিশ সদস্যদের দায়িত্ব পালনে সহযোগিতা করতে হবে।
শোভাযাত্রা চলাকালে নগরবাসীকে পুলিশের নির্দেশিত বিকল্প সড়ক ব্যবহার করে চলাচলের অনুরোধ জানিয়েছে ডিএমপি।
জন্মাষ্টমীর শোভাযাত্রা যথাযথ ধর্মীয় ভাবগাম্ভীর্য ও উৎসবমুখর পরিবেশে উদ্যাপনের লক্ষ্যে নগরবাসীর সর্বাত্মক সহযোগিতা কামনা করেছে ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশ।



