প্রতিদিন পিয়াজু, আলুর চপ বা বেগুনি খেতে নিশ্চয় ভালো লাগে না। তাই ইফতারে নতুন স্বাদ আনতে চাইলে বানাতে পারেন সমোচা টুইস্টি। তবে এটি সাধারণ কোনো সমোচার মতো নয়। দেখতে আকর্ষণীয়, আর স্বাদেও দারুণ। ঘরেই সহজ উপকরণে বানানো যায় এই মচমচে আইটেম। রইল রেসিপি।
উপকরণ
পুরের জন্য লাগবে সানফ্লাওয়ার ওয়েল ২ টেবিল চামচ, আদা-রসুন বাটা ১ টেবিল চামচ, কাঁচা মরিচ কুচি ১ টেবিল চামচ, ভাজা ও ভাঙা ধনে ১ টেবিল চামচ, ভাঙা শুকনা মরিচ আধা চা-চামচ, লবণ ১ চা-চামচ, ভাজা ও গুঁড়া জিরা আধা চা-চামচ, হলুদ গুঁড়া আধা চা-চামচ, গরম মসলা গুঁড়া আধা চা-চামচ, সেদ্ধ আলু ২টি (বড়) এবং ধনেপাতা কুচি ১-২ টেবিল চামচ।
খামিরের জন্য লাগবে ময়দা আড়াই কাপ, আজওয়াইন (জোয়ান) এক চিমটি, লবণ ১ চা-চামচ বা স্বাদমতো, ঘি ৪ টেবিল চামচ, পানি ১ কাপ বা প্রয়োজনমতো এবং ভাজার জন্য সানফ্লাওয়ার ওয়েল পরিমাণমতো।
প্রস্তুত প্রণালি
প্রথমে একটি প্যানে তেল গরম করে তাতে আদা-রসুন বাটা ও কাঁচা মরিচ দিয়ে এক মিনিট ভাজুন। এরপর ভাজা ধনে, ভাঙা শুকনা মরিচ, লবণ, জিরা গুঁড়া, হলুদ গুঁড়া ও গরম মসলা দিয়ে ভালোভাবে নেড়ে নিন।
এবার সেদ্ধ আলু দিয়ে ভালোভাবে চটকে নিন। শেষে ধনেপাতা কুচি দিয়ে মিশিয়ে নিন। চুলা থেকে নামিয়ে পুর ঠান্ডা হতে দিন।
এদিকে একটি বাটিতে ময়দা, জোয়ান, লবণ ও ঘি দিয়ে ভালোভাবে মিশিয়ে নিন। মিশ্রণটি ঝুরঝুরে হয়ে এলে ধীরে ধীরে পানি দিয়ে মাখিয়ে খামির তৈরি করুন। ঢেকে ১৫ মিনিট রেখে দিন।
১৫ মিনিট পর আবার খামিরটি মসৃণ করে মেখে নিন। এরপর প্রায় ১০০ গ্রাম করে খামির নিয়ে বল বানিয়ে বেলন দিয়ে বেলে নিন। চারপাশ কেটে বর্গাকৃতি করুন।
এরপর মাঝখানে ২ টেবিল চামচ আলুর পুর ছড়িয়ে দিন। খামিরের অর্ধেক অংশ দিয়ে ঢেকে স্ট্রিপ আকারে কেটে নিন। প্রতিটি স্ট্রিপ হালকা মোচড় দিয়ে পাকিয়ে নিন এবং সামান্য পানি লাগিয়ে রোল করে নিন।
কড়াইয়ে তেল গরম করে মাঝারি আঁচে প্রায় ১৫০ ডিগ্রি সেলসিয়াস তাপে সোনালি ও মচমচে হওয়া পর্যন্ত ভাজুন। সাধারণত এই পরিমাণে ১০-১২টি সমোচা টুইস্টি তৈরি হয়।
সবশেষে গরম গরম পরিবেশন করুন ধনেপাতার চাটনির সঙ্গে।



