কৃষি, খাদ্য, মৎস্য ও প্রাণিসম্পদমন্ত্রী আমিন উর রশীদ ইয়াছিন বলেছেন, ‘বর্তমানে বাংলাদেশ থেকে যে সবজি রপ্তানি হচ্ছে, তা মূলত বিদেশে বসবাসরত প্রবাসী বাংলাদেশিদের চাহিদা পূরণে সীমাবদ্ধ। তবে সরকার বিশ্ববাজারে প্রতিযোগিতামূলকভাবে বিশ্বমানের সবজি উৎপাদন ও বাজারজাতকরণের পরিকল্পনা গ্রহণ করেছে।’
শনিবার কুমিল্লা সার্কিট হাউসে সাংবাদিকদের সঙ্গে মতবিনিময়কালে তিনি এ কথা বলেন।
মন্ত্রী বলেন, ‘সেচ প্রকল্পের মাধ্যমে কুমিল্লা অঞ্চলে ড. আখতার হামিদ খান সর্বপ্রথম কৃষিতে আধুনিকতার ছোঁয়া দেন। তার উদ্ভাবিত ‘কুমিল্লা মডেল’ এখনো দেশ-বিদেশে সমাদৃত। তিনি বলেন, ‘আমিও একজন কৃষক। আমি জানি কীভাবে ধান ফলাতে হয়। কুমিল্লাসহ সারাদেশের কৃষি উন্নয়নে অগ্রাধিকারভিত্তিতে কাজ করব।’
তিনি আরও বলেন, ‘কুমিল্লায় প্রথম রপ্তানিমুখী কারখানা তিনি স্থাপন করেছিলেন এবং স্থানীয়দের উৎসাহে শিল্পায়নে গতি এসেছে। বর্তমানে কুমিল্লায় এক ধরনের শিল্পবিপ্লব ঘটেছে এবং এ অগ্রযাত্রা অব্যাহত থাকবে।’
সরকারি সুযোগ-সুবিধা প্রসঙ্গে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে মন্ত্রী বলেন, ‘তিনি সরকারি গাড়ি ব্যবহার করেন না এবং জ্বালানি খরচও নেন না।’ ভবিষ্যতেও এ নীতিতে অটল থাকবেন। পাশাপাশি তিনি সরকারি বেতন-ভাতা গ্রহণ করবেন না বলেও জানান।
মন্ত্রী জানান, কুমিল্লার ঐতিহ্য ফিরিয়ে আনতে তিনি সবার সহযোগিতা চান। শিক্ষা নগরী হিসেবে কুমিল্লাকে গড়ে তুলতে ভূমিকা রাখতে চান। কুমিল্লা বিভাগের দাবির বিষয়েও তিনি তার অবস্থান থেকে অগ্রণী ভূমিকা পালন করবেন বলে আশ্বাস দেন।
সাংবাদিকদের উদ্দেশে তিনি জানান, সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়গুলোর কার্যক্রম সঠিকভাবে বাস্তবায়নে তিনি গণমাধ্যমের সহযোগিতা প্রত্যাশা করেন।
মতবিনিময় সভায় জেলা প্রশাসক মু. রেজা হাসান, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার সাইফুল মালিক, মহানগর বিএনপির সাধারণ সম্পাদক ইউসুফ মোল্লা টিপুসহ বিএনপি ও এর অঙ্গ-সহযোগী সংগঠনের নেতারা উপস্থিত ছিলেন।



