সাবেক প্রধান বিচারপতি এ বি এম খায়রুল হককে এবার দুর্নীতির মামলায়ও জামিন দিয়েছেন হাইকোর্ট। এ নিয়ে মোট পাঁচটি মামলায় হাইকোর্ট থেকে জামিন পেলেন তিনি। এর ফলে আপাতত তাঁর মুক্তিতে কোনো আইনি বাধা নেই বলে জানিয়েছেন তাঁর আইনজীবী।
তবে রায় জালিয়াতি ও জুলাই হত্যাকাণ্ডের চার মামলায় হাইকোর্টের দেওয়া জামিনের বিরুদ্ধে রাষ্ট্রপক্ষ আপিল করায় তাঁর মুক্তিতে জটিলতা সৃষ্টি হতে পারে বলে মনে করছেন অনেক আইনজীবী।
বেআইনিভাবে রাজউকের প্লট নেওয়ার অভিযোগে দুদকের করা মামলায় বুধবার বিচারপতি শেখ মো. জাকির হোসেন ও বিচারপতি মো. জাকির হোসেনের সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্ট বেঞ্চ জারি করা রুল যথাযথ ঘোষণা করে তাঁকে জামিন দেন।
তাঁর আইনজীবী মোতাহার হোসেন সাজু জানান, রাজউকের ১০ কাঠার প্লট নিয়ে দুর্নীতির প্রমাণ না মেলায় আদালত তাঁকে জামিন দিয়েছেন। এর আগে গত ৮ মার্চ চারটি হত্যা মামলায় সাবেক এই প্রধান বিচারপতিকে জামিন দেন হাইকোর্ট।
গত বছরের ২৪ জুলাই ধানমন্ডির নিজ বাসা থেকে গ্রেপ্তার হন এ বি এম খায়রুল হক। ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট গণ-অভ্যুত্থানের মুখে আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের পর তাঁর বিরুদ্ধে বেশ কয়েকটি মামলা হয়।
দেশের ১৯তম প্রধান বিচারপতি হিসেবে এ বি এম খায়রুল হক ২০১০ সালের ৩০ সেপ্টেম্বর শপথ নেন। ২০১১ সালের ১৭ মে ৬৭ বছর পূর্ণ হওয়ায় তিনি অবসরে যান।



