বগুড়া-৬ ও শেরপুর-৩ আসনে ভোট গ্রহণ শেষে এখন গণনা চলছে। বৃহস্পতিবার সকাল সাড়ে ৭টায় শুরু হয়ে বিকেল সাড়ে ৪টা পর্যন্ত ভোট নেওয়া হয়।
সকাল থেকেই কেন্দ্রগুলোতে ভোটারদের উপস্থিতি ছিল কম। নিরাপত্তা রক্ষায় সতর্ক রয়েছে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী। এখন পর্যন্ত কোথাও কোনো অপ্রীতিকর ঘটনা ঘটেনি।
বগুড়া-৬ আসনের প্রার্থীরা হলেন বিএনপির রেজাউল করিম বাদশা, জামায়াতের আবিদুর রহমান ও বাংলাদেশ ডেভেলপমেন্ট পার্টির আল আমিন তালুকদার। ৪ লাখ ৫৪ হাজার ৪৩ ভোটারের এই আসনটিতে মোট ভোটকেন্দ্র ১৫১টি। ভোটের মাঠে নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে ১৮ জন নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট, ৮ প্লাটুন বিজিবি, সেনাবাহিনী, র্যাব, পুলিশ ও আনসার সদস্য মোতায়েন রয়েছেন।
শেরপুর-৩ আসনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন বিএনপির মাহমুদুল হক, জামায়াতের মো. মাসুদুজ্জামান মাসুদ ও বাসদের প্রার্থী মিজানুর রহমান। ১৭টি ইউনিয়ন ও একটি পৌরসভার ১২৮টি কেন্দ্রে মোট ভোটার ৪ লাখ ১৩ হাজার ৩৭৭ জন।
এদিকে দুই আসনের উপনির্বাচনে এজেন্ট বের করে দেওয়া, জাল ভোট দেওয়াসহ নানা অনিয়মের অভিযোগ এনেছেন জামায়াতের সেক্রেটারি জেনারেল মিয়া গোলাম পরওয়ার। বৃহস্পতিবার দুপুরে দলের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে সংবাদ সম্মেলনে তিনি এই অভিযোগ করেন।
মিয়া গোলাম পরওয়ার অভিযোগ করেন, ‘অনিয়মের প্রতিবাদ করায় জামায়াত নেতাদের ওপর হামলা করা হয়েছে। কোনো জায়গা থেকে নির্দেশ পেয়েই প্রশাসন নীরব ভূমিকা পালন করছে। নির্বাচিত সরকারের আমলের প্রথম দুই উপনির্বাচনে যদি এমন চিত্র হয়, তাহলে স্থানীয় নির্বাচন কীভাবে হবে?’


দলীয় সরকারের অধীনে নির্বাচনের বিভৎস রূপ জাতির সামনে: জামায়াত
