শেখ হাসিনা সরকার পতনের সবকিছু নির্ধারণ হয় ২৪ এর ৩ আগস্ট। এদিন সরকার পতনের এক দফা ঘোষণা দেয় আন্দোলনকারীরা। অন্যদিকে সেনাসদরে বিভিন্ন স্তরের সেনাদের সাথে বৈঠক শেষে জনগণের পাশে থাকার ঘোষণা দেন সেনাপ্রধান। আর ছাত্র-জনতার দাবি মেনে নিয়ে সরকারকে পদত্যাগ করার আহ্বান জানান বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী।
সরকার পতনের এক দফা ঘোষণা দেওয়া হয় ২৪ এর ৩ আগস্ট। এদিন প্রভাত প্রেরণায় কর্মসূচির পাশাপাশি বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের ডাকে ঢাকার কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে ও চট্টগ্রামের নিউমার্কেট এলাকায় হয় সমাবেশ।
লাখো মানুষের উপস্থিতিতে অংশ নেন বিভিন্ন শ্রেণি পেশার মানুষ। অন্যদিকে আন্দোলনকারীদের গণভবনে আলোচনায় বসার আহ্বান জানান শেখ হাসিনা।
শহীদ মিনারে লাখো মানুষের সমাবেশে সরকার পতনের এক দফা ঘোষণা দেন বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের নেতা নাহিদ ইসলাম। একই সাথে জাতীয় সরকার গঠনেরও দাবি জানান তিনি। এছাড়া ৪ আগস্ট থেকে সরকারকে অসহযোগের জন্য সর্বাত্মক জনঅভ্যুত্থান ঘোষণাও দেওয়া হয়।
আন্দোলনকারীদের সরকার পতনের দাবির বিপরীতে পাল্টা কর্মসূচি হিসেবে দেশের সব জেলা ও মহানগরীতে জমায়েত কর্মসূচি দেয় আওয়ামী লীগ।
এদিকে ছাত্র-জনতার দাবি মেনে নিয়ে অবিলম্বে সরকারকে পদত্যাগ করার আহ্বান জানান বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী।
এদিন সব থেকে বড় সিদ্ধান্ত আসে সেনাসদর থেকে। বিভিন্ন স্তরের সেনা কর্মকর্তাদের সঙ্গে বৈঠক করেন সেনাপ্রধান জেনারেল ওয়াকার-উজ-জামান।পরে গণমাধ্যমে ব্রিফিংয়ে জনগণের পাশে থাকার ঘোষণা দেন সেনাপ্রধান।
পরিস্থিতি খুবই জটিল বুঝতে পেরে এ দিন কোটা সংস্কার আন্দোলন ঘিরে আটক সাধারণ শিক্ষার্থীদের মুক্তির নির্দেশ দেন ততকালীন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।



