পাঁচদিনের উৎসবের শেষলগ্নে এসে দাঁড়িয়েছেন সনাতন ধর্মাবলম্বীরা। বিজয়া দশমীতে বিসর্জনের আগে দেবীর চরণে সিঁদুর দিয়ে বরণ করেন সধবা সনাতন নারীরা। স্বামীর দীর্ঘায়ু ও পরিবারের মঙ্গল কামনায় নারীরা একে অপরের সিঁথিতে, কপালে ও গালে সিঁদুর মাখিয়ে দেন। মেতে উঠেন সিদুর খেলায়। বিদায়ের বেদনা ও উৎসবের পুর্নতার আনন্দে রঙিন হয়ে উঠে ঢাকেশ্বরী মন্দিরের আঙিনা।
বিদায়ের আগে দেবীর চরনে সিঁদুর ছোয়ানোর অপেক্ষায় বিবাহিত সনাতন নারীরা।
ঢাকেশ্বরী মন্দিরের পূজা মণ্ডপে এক নারী বলেন, ‘মায়ের চরণে সিঁদুর দেওয়ার একটাই লক্ষ্য, মা যেন আমাদের কপারের সিঁদুর অক্ষত রাখেন।’
এই দিনে দেবী দুর্গাকে বিদায় জানানোর আগে সধবা নারীরা দেবীর সিঁথি ও চরণে সিঁদুর ও মিষ্টি নিবেদন করেন, পরে একে অপরের মুখে ও কপালে সিঁদুর মাখিয়ে আনন্দ ও সৌহার্দ্য প্রকাশ করেন।
পূজা মণ্ডপে এক নারী পূজার্থী বলেন, ‘মাকে বিদায় দিতে হবে এটাই তো নিয়ম। তবুও মা যেন আমাদের আশীর্বাদ করে যায়।’
বিজয়া দশমীতে বাঙালি হিন্দু নারীদের ঐতিহ্যবাহী উৎসব সিঁদুর খেলা। আনন্দ ও নাচে মেতে উঠেন নারীরা। দীর্ঘ দাম্পত্য জীবনের প্রতীক সিঁদুরে রঙিন হয়ে উঠেন তারা।
সনাতন ধর্মে আগে এটি কেবল বিবাহিত নারীদের আচার হলেও বর্তমানে এটি একটি সার্বজনীন ও আনন্দঘন সামাজিক উৎসবে রূপ নিয়েছে।


