প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের আসন্ন জাপান সফর ভূরাজনৈতিক প্রেক্ষাপটে বেশ গুরুত্বপূর্ণ বলে মনে করছেন বিশ্লেষকেরা। তাদের মতে, ইন্দো প্যাসিফিক কৌশলে ঢাকার সহযোগিতা আরো স্পষ্ট করতে চায় টোকিও। তাই এর ওপরই জোর দেবে দেশটি। তবে বৈশ্বিক পরিস্থিতি বিবেচনায়, পরাশক্তিদের মধ্যে কূটনৈতিক ভারসাম্য রক্ষার চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় বাংলাদেশকে সতর্ক থাকার পরামর্শ বিশেষজ্ঞদের।
বঙ্গোপসাগর ঘিরে বাংলাদেশে ২০১৪ সালে জাপানের বিগ-বি’র উদ্যোগে নেওয়া প্রকল্পগুলোকে চীনের বিআরআই-এর পাল্টা হিসেবে ভারসাম্য রক্ষার কৌশল বলে মনে করেন বিশ্লেষকেরা। কারণ এ দুই পরাশক্তির এখন মূল আগ্রহ আঞ্চলিক যোগাযোগ আর অবকাঠামোগত উন্নয়নের দিকে। দক্ষিণ এশিয়া অঞ্চলে ভূরাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক প্রভাব বাড়াতে ঢাকাকে পাশে রাখতে চায় তারা।
এরই মধ্যে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের জাপান সফরকে সামনে রেখে টোকিওর দেয়া বিবৃতিতে বিশেষ গুরুত্ব দেয়া হয় ইন্দো-প্যাসিফিক কৌশলকে। জাপান চায়, কৌশলগত অংশীদারত্বের আওতায় অবাধ ও উন্মুক্ত ইন্দো-প্যাসিফিক বাস্তবায়নে গুরুত্বপূর্ণ অংশীদার হবে বাংলাদেশ।
সাবেক রাষ্ট্রদূত মাহফুজুর রহমানের মতে, চীন ও জাপানের বিনিয়োগের গুণগত মান ও দর্শনগত সংঘাত রয়েছে, আছে প্রতিযোগিতাও। এক্ষেত্রে বাংলাদেশকে আরও কৌশলি হওয়ার পরামর্শ তাঁর।
তবে সরকার প্রধানের এ সফরের মধ্য দিয়ে বাংলাদেশ-জাপান দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ক উন্নয়ন এবং পারস্পরিক সহযোগিতা বাড়ানোর ওপর জোর দিতে আগ্রহী ঢাকা।


