বিএনপি চালায় কে?

আপডেট : ২৪ নভেম্বর ২০২৪, ০৯:২৮ পিএম

দেশের অন্যতম বড় দল হিসেবে বিএনপি ১৭ বছরের বেশি শাসনক্ষমতার বাইরে থাকার পরও সব সময় আলোচনায় থেকেছে। আলোচনায় থাকাটাই স্বাভাবিক। কখনো সরকার পতনের আন্দোলনে, কখনো ভোটাধিকার প্রতিষ্ঠার লড়াইয়ে, কখনো খালেদা জিয়ার কারামুক্তির দাবিতে, কখনো নির্বাচন বর্জনের সিদ্ধান্তে দলটি আলোচনায় থাকতে অভ্যস্ততা অর্জন করে ফেলেছে। তবে যেসব কর্মসূচির কারণে তারা আলোচনায় থেকেছে, সেগুলোর দৃশ্যমান কোনো সাফল্য না আসায় দলের শীর্ষ নেতৃত্বের যোগ্যতা, বিবেচনাবোধ ও বাস্তবতা অনুধাবনের সক্ষমতা প্রশ্নের মুখে পড়েছে। এই প্রশ্ন আরও জোরালো হয়েছে, বিএনপির স্থানীয় সরকার নির্বাচনে অংশ না নেওয়ার সিদ্ধান্তে।

২০১১ সালে জাতীয় সংসদে তত্ত্বাবধায়ক সরকারব্যবস্থা বাতিলের পর থেকে বিএনপি ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগকে হটানোর আন্দোলনে নেমেছে। এর অংশ হিসেবে এই আন্দোলনের বয়স প্রায় ১৩ বছর। এ সময়কালে শুধু সরকারের দমন-পীড়নের ওপর দায় চাপিয়ে আন্দোলন সফল করতে না পারার ব্যর্থতা ঢাকা কঠিন। এই সময়ে বিএনপি নেতারা জেলযাত্রা বা আদালতে দৌড়ানোর বাইরে সত্যিই কি কিছু করতে পেয়েছেন? আন্দোলনের এটাই যদি ভবিতব্য হয়, তাহলে তা শুরুর আগে এক শ বার ভাবার দরকার ছিল। এলান জারি হওয়ার সাথে সাথে ঝাঁপিয়ে পড়াটা কোনো রাজনৈতিক প্রজ্ঞার পরিচয় দেয় না।

দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন উপলক্ষে বিএনপি নিজের ঘোষিত লক্ষ্য অর্জনের জন্য যে আন্দোলন করেছে, তারও মেয়াদ প্রায় দেড় বছর। এই ঘোষিত লক্ষ্যের মধ্যে মূল ছিল সরকারপ্রধানের পদ থেকে শেখ হাসিনার পদত্যাগ এবং একটি নির্দলীয় নিরপেক্ষ সরকার গঠন, যাদের তত্ত্বাবধানে ‘অবাধ, সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ’ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে। মোদ্দা কথা হলো, আন্দোলনের মাধ্যমে তৎকালীন ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগ সরকারের পতন ঘটানো ছিল লক্ষ্য। এ ধরনের কোনো আন্দোলন শুরু করলে আওয়ামী লীগ ও তার শরিক দলগুলো পাল্টা কর্মসূচি দিতে পারে, আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী সক্রিয় হবে, চলমান মামলা গতি পাবে—এসব কথা বিএনপির সিদ্ধান্ত গ্রহণকারী নেতৃবৃন্দ জানতেন না? অবশ্যই জানতেন।

এর অর্থ হলো—বিএনপির কোনো বিকল্প পরিকল্পনা ছিল না। যে কারণে গত ২৮ অক্টোবরের মহাসমাবেশ পণ্ড হওয়ার পর এবং মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরসহ বিএনপির নেতারা একের পর এক গ্রেপ্তার হলে তারা কিছুই করতে পারেনি। এমনকি দলের কেন্দ্রীয় কার্যালয়মুখী হননি কেউ? বিএনপির নেতাদের দাবি, ক্ষমতাসীনদের বিরুদ্ধে গণরোষে দেশের মানুষ ফুঁসছে। ধরলাম, তাঁদের কথাই সত্য। তাহলে বিএনপির নেতৃত্বে ‘গণরোষে’র বিস্ফোরণ যদি এভাবে দপ করে জ্বলে ওঠার আগেই নিভে যায়, তাহলে ক্ষমতাসীনদের জন্যও কাজটা সহজ হয়ে যায় না কি। অন্যদিকে তাঁদের দাবির সারবত্তা ও বাস্তবায়নের যোগ্যতা নিয়ে কেউ প্রশ্ন তুললে উত্তর কী মিলবে? শিয়াল পণ্ডিতের সেই একই কুমিরছানা দেখানোর মতো করে সবকিছুর জন্য সরকারি দমন-পীড়নের কথা—এই দাবির বিশ্বাসযোগ্যতাকেই নেতিবাচক দিকে ধাবিত করে। নির্বাচনে ভোটারদের কম অংশগ্রহণ দেশের মানুষের নীরব প্রতিবাদ—বিএনপির এই ভাবনায় যতটা সুখ আছে, ততটাই আছে বিভ্রম।

দ্বিতীয় বিষয় হলো, ‘জনরোষ’কে কাজে লাগিয়ে সরকারবিরোধী গণ-অভ্যুত্থান করতে হলে সমাজের সর্বস্তরের মানুষের যে সমর্থন প্রয়োজন তা আছে কি না, সেটা কি বিএনপি একবারও ভেবে দেখেছে। গত ১৭ বছরে শুধু দেশে নয়, বিশ্বজুড়ে একটা বিরাট পরিবর্তন হয়ে গেছে। মানুষ আগের চেয়েও অনেক বেশি রাজনীতিবিমুখ। কিছুদিন আগে আমেরিকায় এক জরিপে তরুণদের কাছে জানতে চাওয়া হয়, তারা ভোট ও রাজনীতিবিমুখ কেন? তরুণদের সোজসাপটা জবাব ছিল— রাজনীতিকেরা আমাদের নিয়ে ভাবেন না, তাই আমরাও তাঁদের নিয়ে ভাবি না। আমেরিকার তরুণদের সাথে এ বিষয়ে বাংলাদেশের কোনো তরুণের পার্থক্য আছে কি না, এটা কি বিএনপি নেতারা জানেন? কখনো বোঝার চেষ্টা করেছেন?

দেশের তরুণদের চিন্তাভাবনা জানতে নিয়মিত জরিপ-পর্যালোচনা প্রকাশ করে থাকে বেসরকারি সংস্থা ব্র্যাক। তাদের গত কয়েকটি জরিপ খেয়াল করলেই দেখবেন, তরুণদের প্রথম চিন্তা কর্মসংস্থান। এরপর মানসম্মত শিক্ষা, নিরাপদ যোগাযোগ ইত্যাদি। তাদের বিবেচনায় রাজনীতি তালিকার একটু নিচের দিকে। এই যে তাদের প্রথম চিন্তা কর্মসংস্থান, সেখানেও ভাগ আছে। কর্মসংস্থানের ব্যাপারে তারা বিসিএসসহ সরকারি চাকরি কিংবা বিদেশ যাওয়া নিয়ে বেশি ভাবছে। তরুণদের এই ভাবনার প্রতিফলন কি বিএনপির সরকার পতনের আন্দোলনের ভেতরে ছিল, না আছে? একইভাবে নারী বা বয়স্ক জনগোষ্ঠী বা সমাজের অন্যান্য শ্রেণির চাহিদাগুলো কি আন্দোলনের ইস্যু হয়ে উঠে এসেছে? নাকি সরকারের পতন ঘটাতে পারলেই আলাদিনের চেরাগ পেয়ে তারা সব সমস্যার সমাধান করে ফেলবে?

প্রশ্ন অনেক, তার উত্তর জানা দরকার দেশের মানুষের। না হলে তারা কেন রাস্তায় নেমে বিএনপির কাতারে এসে দাঁড়াবে? এখন সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে অনেকে নিজের প্রতিক্রিয়া বা মতামত প্রকাশ করে থাকে। সেটাকে যদি কেউ ক্ষমতাসীনদের বিরুদ্ধে ও আন্দোলনের পক্ষে প্রবল জনসমর্থন হিসেবে বিবেচনা করেন, তাহলে তার কোনো ভিত্তি নেই। আরব বসন্তসহ এমন একাধিক সামাজিক মাধ্যমনির্ভর আন্দোলনের কথা বলা যায়, যা কোনো শাসকশ্রেণিকে বিশেষ বেকায়দায় ফেলতে পারেনি।

ফলে জনগণের সাড়া পাওয়ার ক্ষেত্রে সাধারণ মানুষের প্রয়োজনে তার পাশে থাকার দরকার ছিল বিএনপির নেতৃবৃন্দের। এ ক্ষেত্রে তাঁদের ব্যর্থতার দায় নিতেই হবে। একটা বড় দল যদি ক্রমশ মানুষের কাছ থেকে দূরে সরে থাকে, তাহলে একসময় তাদের গোনার বাইরে চলে যাওয়ার আশঙ্কা থাকে। এক্ষেত্রে দেশের সাধারণ মানুষ আর দলীয় সমর্থক নেতা-কর্মীদের মধ্যে গুলিয়ে ফেললে চলবে না।

গণতান্ত্রিক ব্যবস্থায় যেকোনো দেশে সাধারণ মানুষের সাথে গণসংযোগের অন্যতম উপায় নির্বাচন। বিএনপি ২০১৪ সালে জাতীয় সংসদ নির্বাচন বর্জন করে সরকার পতনের ধারার আন্দোলনে নেমে ব্যর্থ হয়। ২০১৮ সালে শেষ সময়ে এসে নির্বাচনে অংশ নেওয়ার সিদ্ধান্ত নেয়। সে কারণে নির্বাচনে অংশ নিলেও সাংগঠনিকভাবে গুছিয়ে উঠতে পারেনি। ২০২৪-এ এসে আবার বর্জনের পথে গেল। এখন দলটি নির্বাচনে স্থানীয় সরকার নির্বাচনে অংশ না নেওয়ার ঘোষণা দিয়েছে। তাহলে গণমানুষের সাথে তাদের সংযোগটা হবে কীভাবে বা তারা মানুষের মনোভাবই-বা বুঝবে কোন সূত্রে? শুধু হাতে একটি লিফলেট ধরিয়ে দিয়ে বা কালো পতাকা মিছিল করলেই উদ্দেশ্য সিদ্ধ হবে!

প্রথম আলোর জ্যেষ্ঠ সাংবাদিক সেলিম জাহিদ বিএনপির রাজনৈতিক ব্যর্থতা নিয়ে দুই পর্বের বিশ্লেষণ লিখেছেন। সেখানে তিনি লিখেছেন, ‘সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা জানান, বিএনপির জ্যেষ্ঠ নেতাদের কেউ কেউ নির্বাচনে যাওয়ার ব্যাপারে ইতিবাচক ছিলেন। কিন্তু তারেক রহমান নির্বাচনে যাওয়ার বিপক্ষে থাকায় বিষয়টি আর এগোয়নি। কারও কারও মতে, তারেক রহমানের এই অবস্থানের কারণ হলো, যে নির্বাচনে তিনি থাকছেন না, সে নির্বাচনে বিএনপি গিয়ে অন্য কেউ নেতা হোন, সেটা তিনি চাননি। তাঁর লক্ষ্য, ২০২৯ সালের সংসদ নির্বাচনে জিতে দেশে ফেরা। আরও একটি কারণ বলা হচ্ছে, বর্তমানে দেশে যে অর্থনৈতিক সংকট এবং রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠানগুলোতে যে ‘অরাজক’ পরিস্থিতি বিরাজমান, ক্ষমতায় থেকে আওয়ামী লীগ সরকার তা সামাল দিতে পারবে না। আর ক্ষমতায় এলে বিএনপির পক্ষেও সেই পরিস্থিতি সামাল দেওয়া সম্ভব হবে না। এসব হিসাব-নিকাশ থেকে তারেক রহমান নির্বাচনের ব্যাপারে শুরু থেকেই অনাগ্রহী ছিলেন। তবে এসব বিষয়ে দলের কোনো পর্যায়ের নেতা আনুষ্ঠানিকভাবে কোনো মন্তব্য করতে রাজি হননি।’

অর্থাৎ, বিএনপি জ্যেষ্ঠ নেতাদের কেউ কেউ নির্বাচনে অংশ নিতে চাইলেও তারেক রহমানের কারণে তা সম্ভব হয়নি। তাঁর এই অবস্থানের কারণ নির্বাচনে অংশ নিয়ে বিএনপির অন্য কেউ নেতা হোন, এটা তারেক রহমান চান না। চান না যে, তার প্রমাণ আগেও পাওয়া গেছে। ২০১৮ সালের নির্বাচনে বগুড়া থেকে খালেদা জিয়ার আসনে প্রার্থী হয়ে জিতেছিলেন মির্জা ফখরুল। কিন্তু বিএনপির অন্য ছয় সংসদ সদস্য সংসদে থাকলেও পদত্যাগ করেন মির্জা ফখরুল। তাহলে তিনি প্রার্থীই-বা হলেন কেন, আর পদত্যাগই করলেন কেন—তা ব্যাখ্যার কি প্রয়োজন আছে?

সেলিম জাহিদের প্রতিবেদন অনুযায়ী, তারেকের লক্ষ্য ২০২৯ সালে বিজয়ী হয়ে দেশে ফেরা। সেটাই যদি লক্ষ্য হবে, তাহলে গত দেড় বছর কি আন্দোলনের নামে নাটক ছিল? আর যে শত শত নেতা-কর্মী এই শীতে কারান্তরালে কাটাচ্ছেন, যাঁদের অনেকের পরিবার একমাত্র উপার্জনক্ষম ব্যক্তিকে হারিয়ে মানবেতর জীবন কাটাচ্ছে– এর দায়িত্ব কে নেবে? পাঁচ বছর বাদে জিতে দেশে ফেরার যে স্বপ্ন বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারপারসন দেখছেন, তা আসলেই কতটা যৌক্তিক?

এই পাঁচ বছরে বিশ্বের রাজনৈতিক অঙ্গনে কী পরিবর্তন হবে, কেউ কি তা বলতে পারে? এক ডোনাল্ড ট্রাম্পের আবার মার্কিন প্রেসিডেন্ট হওয়ার সম্ভাবনা যত উজ্জ্বল হচ্ছে, পশ্চিমা বিশ্বের, বিশেষ করে ইউরোপের হৃৎকম্প ততই বাড়ছে। ট্রাম্প যে আমেরিকা বাদে অন্য দেশ নিয়ে তেমন আগ্রহী নন, তা তাঁর প্রথম মেয়াদেই বোঝা গেছে। আর এবার নির্বাচিত হলে তিনি ২০ জানুয়ারি, ২০২৯ পর্যন্ত হোয়াইট হাউসেই থাকবেন। তত দিনে এ দেশে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন হয়ে যাবে। আর বিদেশিদের ওপর অতি নির্ভরশীলতার শিক্ষা যদি ২০২৩-২৪ এ না হয়ে থাকে, তাহলে কস্মিনকালেও হবে না। এই নির্ভরতা এমন পর্যায়ে গিয়েছিল যে, গাজায় ইসরায়েলি গণহত্যার প্রতিবাদে বিএনপির কোনো প্রকাশ্য সমাবেশ বা জোরালো প্রতিবাদ কেউ দেখেনি।

সবশেষে, বিএনপির চেয়ারপারসন আদালতের রায়ে সাজাপ্রাপ্ত। সরকারি আনুকূল্যে নির্বাহী আদেশে তিনি কারাগারের বাইরে আছেন। সর্বোপরি তিনি গুরুতর অসুস্থ। আর দলটি যাঁর কথায় চলে, তিনি গত ১৬ বছর থাকছেন দেশ থেকে আট হাজার কিলোমিটার দূরে, লন্ডনে। তিনি আবার চান না যে, অন্য কেউ দলটির নেতা হয়ে উঠুক। ভারত ও পশ্চিমা দেশগুলোর কাছে তাঁর গ্রহণযোগ্যতাও প্রশ্নবিদ্ধ। শীর্ষ নেতৃত্বের যখন এই দশা, তখন কোনো দলের পক্ষে কি সরকার পতনের মতো তীব্র আন্দোলন গড়ে তোলা সম্ভব? এ অবস্থায় আগামী পাঁচ বছর বিএনপির নেতা-কর্মীরা তাহলে কি অনিশ্চিত ভবিষ্যতের সুখ-স্বপ্নে ভর করে শুধু জেলে যাবেন আর আদালতের দরজায় ঘুরে ঘুরে জুতোর সুকতলা খোয়াবেন?

লেখক: নির্বাহী সম্পাদক, ডিজিটাল বিভাগ, ইনডিপেনডেন্ট টেলিভিশন 

বাংলাদেশের রাজনীতিতে আবারও আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে ছাত্র-জনতার গণঅভ্যুত্থানে ক্ষমতাচ্যুত প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। ক্ষমতাচ্যুত হয়ে প্রায় দুই বছর ভারতে অবস্থানের পর দেশে ফিরে তাঁর আত্মসমর্পণের...
প্রতিশ্রুতি আছে, পরিকল্পনা নেই— বাস্তবায়ন তো দূরের কথা! জাতীয় নির্বাচন সামনে রেখে দেশের প্রায় সব রাজনৈতিক দলই তাদের নির্বাচনী ইশতেহার ঘোষণা করেছে। স্বাস্থ্য, শিক্ষা, খাদ্য নিরাপত্তা, কর্মসংস্থান,...
বিরোধী দল কিংবা ভিন্নমত দমনে মামলা-হামলা, গুম, অপহরণ আর বিচারবহির্ভূত হত্যাকাণ্ড—ফ্যাসিবাদের সাড়ে ১৫ বছর এসব ঘটনা প্রত্যক্ষ করেছে বাংলাদেশ। আর সেসব অমানবিক জুলুম-নিপীড়নের মুখে সর্বাধিক ভুক্তভোগী...
নারীমুক্তি আন্দোলনের অগ্রদূত বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন ১৯০৫ সালে ‘সুলতানার স্বপ্ন’ নামে একটি কালজয়ী উপন্যাস লিখেছিলেন। ইংরেজি ভাষায় প্রকাশিত সেই গ্রন্থে পুরুষের সহায়তা ছাড়াই নারীদের দ্বারা শাসিত...
হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের তৃতীয় টার্মিনালের নির্মাণকাজ প্রায় শেষ হলেও ১৬ ডিসেম্বর অপারেশন শুরুর পরিকল্পনা নিয়ে অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছে। জাপানি কনসোর্টিয়ামের সঙ্গে পরিচালনা ও গ্রাউন্ড...
প্রান্তিক মানুষের স্বাস্থ্যসেবা আরও উন্নত এবং তা সহজে প্রাপ্তি নিশ্চিত করতে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের নির্দেশ দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। একই সঙ্গে চিকিৎসকেরা যেন রোগীদের চিকিৎসাসেবা দেওয়ার...
বিশ্বকাপ ফুটবলের ফাইনালে পছন্দের দল হেরে যাওয়ায় সাতক্ষীরাযর রসুলপুরে হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে হাফিজুর রহমান ওরফে লালটু নামে এক আর্জেন্টিনার সমর্থকের মৃত্যু হয়েছে। সোমবার সকালে এ ঘটনা ঘটে।
ইরান-যুক্তরাষ্ট্র সংঘাতের নতুন উত্তেজনায় বিশ্ববাজারে আবারও বাড়ছে অপরিশোধিত জ্বালানি তেলের দাম। এতে জ্বালানি আমদানি ব্যয় ও বিদ্যুৎ উৎপাদন খরচ বেড়ে বাংলাদেশের বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভের ওপর চাপ তৈরি...
লোডিং...

এলাকার খবর