পাকিস্তানের তত্ত্বাবধায়ক সরকার কেমন নির্বাচন উপহার দিতে চলেছে?

আপডেট : ২৬ নভেম্বর ২০২৪, ০১:১৭ পিএম

রাত পেরোলেই পাকিস্তানে জাতীয় নির্বাচন। যদিও নির্বাচনের প্রকৃত সময় অনেক আগেই পেরিয়ে গেছে। এরপরও সেখানে নিরপেক্ষ অন্তর্বর্তী সরকারের (যা আদপে তত্ত্বাবধায়ক সরকার) অধীনে অনুষ্ঠিত নির্বাচন অবাধ, সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ হবে—এটা অতি বড় আশাবাদীও আশা করে না। কারণ, এই কথিত নিরপেক্ষ অন্তর্বর্তী সরকারের ওপর প্রবলভাবে ছায়া হয়ে আছে পাকিস্তানের সেনাবাহিনী। তার থেকে বেরিয়ে এসে নিজের মতো করে একটি সুন্দর নির্বাচন উপহার দেওয়া সরকারপ্রধান আনোয়ারুল হক কাকারের পক্ষে সম্ভব না।

জন্মকাল থেকেই পাকিস্তান সেনাবাহিনী যে দেশটিতে কখনো সুষ্ঠু নির্বাচন হতে দেয়নি, এটা কারও অজানা নয়। এর মধ্যে ব্যতিক্রম শুধু ১৯৭০–এর নির্বাচন। যার কারণে আজ স্বাধীন বাংলাদেশ। এই ভীতিও হয়তো পাকিস্তানি সেনাশাসকদের তাড়িয়ে বেড়ায়। যে কারণে তারা কখনো দেশের রাজনৈতিক নেতৃত্বের প্রতি বিশ্বাস, আস্থা রাখতে পারে না। সব সময় ‘ব্লাডি সিভিলিয়ান’ হয়েই থাকেন রাজনীতিকেরা।

১৯৭১–এর অভিজ্ঞতা থেকে এ কথাটা ভালোই বুঝেছিলেন পাকিস্তান পিপলস পার্টির (পিপিপি) নেতা প্রয়াত জুলফিকার আলী ভুট্টো। এ কারণে তিনি ১৯৭৩ সালের সংবিধানে নিরপেক্ষ অন্তর্বর্তী সরকার ব্যবস্থা অন্তর্ভুক্ত করেন। কিন্তু এর প্রয়োগে আর সময় পাননি। তার আগেই স্বৈরশাসক জেনারেল জিয়াউল হক তাঁকে ফাঁসির দড়িতে ঝোলানোর ব্যবস্থা করেন। অবশ্য ভুট্টোকে বিদায় করলেও তাঁর প্রণীত নিরপেক্ষ অন্তর্বর্তী সরকার ব্যবস্থার প্রথম প্রয়োগ করেন জেনারেল জিয়াই।

২০১৭ সালে এসে এই ব্যবস্থা আরও পাকাপোক্ত করে দেশটির তৎকালীন সরকার। কিন্তু যে উদ্দেশ্যে করা হয়েছিল, তা মাঠে মারা যেতে সময় লাগেনি। নওয়াজ শরিফকে বিদায় দিয়ে ২০১৮–এর নির্বাচনে ইমরান খানের দলকে ক্ষমতায় আনতে সব কিছু করে পাকিস্তান সেনাবাহিনী। তাদের এই ইলেকশন ইঞ্জিনিয়ারিংকে আর যাই বলা হোক ‘অবাধ, সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ’ নির্বাচন বললে লোকে হাসতেও ভুলে যাবে।

পাকিস্তানের তত্ত্বাবধায়ক সরকারের প্রধানমন্ত্রী আনোয়ারুল হক কাকার। ছবি: সংগৃহীতএবারও মোটামুটি একই ঘটনা ঘটতে চলেছে। পাকিস্তানের বর্তমান নিরপেক্ষ অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান আনোয়ারুল হক কাকার। তিনি সেনাবাহিনীর ঘনিষ্ঠ বলেই পরিচিত। নিজের প্রতিষ্ঠিত বেলুচিস্তান আওয়ামী পার্টি থেকে কাকার সে দেশের সিনেটের একজন নির্বাচিত সদস্য। সিনেটে সব সময় বেলুচিস্তানে সেনাবাহিনীর কর্মকাণ্ডের সমর্থনে কথা বলেছেন তিনি। বেলুচিস্তানের যে বিভিন্ন জাতিগোষ্ঠী বিদ্যমান, তার মধ্যে কাকাররা বেশ প্রভাবশালী। পাঞ্জাবি বা সিন্ধি না হওয়ায় কাকারকে ব্যবহার করাও সেনাবাহিনীর জন্য সুবিধাজনক। ইতিমধ্যে ইমরান খান, তাঁর পরিবার ও দলকে দুরমুশ করা হয়েছে। আর এই কাজটি সেনাবাহিনীর প্রত্যক্ষ নির্দেশনায় করেছে কাকার সরকার।

পাকিস্তানের সংবিধান অনুযায়ী, ক্ষমতাসীন সরকার ক্ষমতা হস্তান্তরের ৬০–৯০ দিনের মধ্যে জাতীয় নির্বাচন অনুষ্ঠানের কথা। এই প্রথম কাজটি করতে ব্যর্থ হয়েছে কাকারের অনির্বাচিত নিরপেক্ষ অন্তর্বর্তী সরকার। কারণ প্রকৃত ক্ষমতার নাটাই তাঁর হাতে নেই। সেটি পিন্ডির জেনারেলদের হাতে। ১৪ নভেম্বরের মধ্যে পাকিস্তানে নির্বাচন অনুষ্ঠানের কথা ছিল। সেটা হচ্ছে তারও তিন মাস পরে। ফলে অনির্বাচিত সরকার তা তত্ত্বাবধায়ক সরকার, নিরপেক্ষ অন্তর্বর্তী সরকার বা সেনাশাসন—যে নামেই ডাকা হোক না কেন, তা সময় মেনে চলবে, এটা আশা না করাই ভালো। 

আর উল্টোদিকে, পাকিস্তানের রাজনীতির ‘ফিনিক্স পাখি’ নওয়াজ শরিফ ফিরে এসেছেন স্বমহিমায়। তিনবার দেশের প্রধানমন্ত্রী হয়ে একবারও পাঁচ বছরের মেয়াদ পূর্ণ করতে না পারা নওয়াজ নতুন করে স্বপ্ন দেখছেন। ফাঁসির দড়ি থেকে ফিরে আসা; যাবজ্জীবন কারাদণ্ডের পর লন্ডনে বিলাসবহুল প্রবাস জীবন কাটানো নওয়াজ এ স্বপ্ন দেখতেই পারেন। কিন্তু তাঁকে তাড়িয়ে নিয়ে বেড়াচ্ছে কারাবন্দি ইমরান খানের জনপ্রিয়তার ছায়া। আর আছে বিলাওয়াল ভুট্টোর পিপিপির নানা অভিযোগ। এক সেনাবাহিনী এসব বিষয়ে তাঁকে বা তাঁর দলকে কতটা সাহারা দিতে পারবে বা দেবে বলা কঠিন। কারণ, নির্বাচন বিষয়ে পাকিস্তান সেনাবাহিনীর মৌলিক তত্ত্বই হলো কাউকে খুব শক্তিশালী হতে না দেওয়া। অন্তত সংখ্যার বিচারে।

নওয়াজ নিজেও জানেন, আজ যে সেনাশাসকদের কাছ থেকে তিনি জামাই আদর পাচ্ছেন, তাদের চোখ ওল্টাতে এক সেকেন্ডও সময় লাগবে না। কিন্তু অত ভাবলে তো আর রাজনীতি করা চলে না। তাই সমানে সেনা নেতৃত্বের মনোরঞ্জন করে নিজের পায়ের তলার মাটি শক্ত করার চেষ্টা চালাচ্ছেন তিনি। পাঞ্জাবে ন্যাশনাল অ্যাসেমব্লির ১৪১টি আসনের মধ্যে তিনি ইমরানের দলের থেকে কয়টা কাড়তে পারবেন, সেটাই মুখ্য। কারণ মুক্ত ইমরানের চেয়ে কারাবন্দি ও সাজাপ্রাপ্ত ইমরান এখন অনেক শক্তিশালী।

ইমরান খানের বিরুদ্ধে এ পর্যন্ত দেড় শর বেশি মামলা হয়ে গেছে। গোটা কয়েক মামলায় সাজাও জুটেছে। এর মধ্যে একটিতে ১৪ বছর। ইমরানের দল তেহরিক–ই–ইনসাফ (পিটিআই) তাদের নির্বাচনী প্রতীক ব্যাট হারিয়েছে। নির্বাচন কমিশন বা আদালতে গিয়ে কোনো লাভ হয়নি। না হওয়াটাই পাকিস্তানের রাজনৈতিক বাস্তবতায় স্বাভাবিক। ফলে এই দলের সব প্রার্থীকে স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে ভিন্ন ভিন্ন প্রতীকে লড়তে হচ্ছে। এরও একটা বৃহত্তর লক্ষ্য আছে সেনাশাসকদের। লক্ষ্যটা হলো— স্বতন্ত্র হয়ে লড়ে জিতে আসলে নির্বাচনের পর নানা ফন্দিফিকির এঁটে ইমরানের দলের নির্বাচিত সদস্যদের নিজেদের পক্ষে আনাটা সহজ হবে। দলটির একাধিক বড় বড় নেতা হয় জেলে অথবা চাপে পড়ে দলত্যাগ করেছেন। ফলে নতুন যাঁরা উঠে আসবেন, তাঁদের সামলানো অনেক সহজ হবে—এমনটাই ভাবনা সেনাশাসকদের। কারণ ১৯৭১–এর ভূত তাদের মাথা থেকে যায়নি।

পাকিস্তানের দ্বিকক্ষবিশিষ্ট পার্লামেন্টের নিম্নকক্ষ ন্যাশনাল অ্যাসেমব্লিতে প্রতিনিধিরা সরাসরি নির্বাচিত হয়ে আসেন। ৩৪২ সদস্যের ন্যাশনাল অ্যাসেমব্লিতে ২৭২ জন সরাসরি নির্বাচিত হন। এর মধ্যে ২৬২ জন মুসলিম ও ১০ জন অমুসলিম। আর নারী প্রতিনিধি হিসেবে ৬০ ও সংখ্যালঘু সম্প্রদায় থেকে ১০ জনকে মনোনীত করা হয়। এই সরাসরি নির্বাচনে পাঞ্জাবে ১৪১, সিন্ধু প্রদেশে ৬১, খাইবার পাখতুন খাওয়াতে ৪৫ ও বেলুচিস্তান থেকে ১৬ জন ন্যাশনাল অ্যাসেমব্লিতে আসেন। স্বাভাবিকভাবে পাঞ্জাব ও সিন্ধুর গুরুত্ব বেশি। কিন্তু সমস্যা হলো পাকিস্তানে আসলে জাতীয় দল বলতে কিছু নেই। নওয়াজের পাকিস্তান মুসলিম লীগের আধিপত্য পাঞ্জাবজুড়ে। বিলাওয়ালের দলের নাম পিপিপি হলেও দলটি মূলত সিন্ধুর মধ্যে সীমিত। ইমরানের পিটিআই পাঞ্জাবকেন্দ্রিক হলেও খাইবার পাখতুন খাওয়া প্রদেশে তাদের প্রভাব বেশ ভালো। ইমরান নিজে পাঞ্জাবের বাসিন্দা হলেও জাতিতে পাঠান। ফলে আঞ্চলিকতার একটি প্রভাব তো আছেই। তবে বিস্ময়ের হলো, পাকিস্তানের কোনো দলই বেলুচিস্তানে কখনো নিজেদের প্রভাব সেভাবে বাড়ানোর চেষ্টা চালায়নি। সেখানে সব সময় আঞ্চলিক দলের প্রভাব থাকে। সাথে আছে সেনাবাহিনীর একাধিপত্য।

নিরপেক্ষ অন্তর্বর্তী সরকারের অধীনে অনুষ্ঠিত এই নির্বাচনের সাফল্য নির্ভর করে আছে ভোটারদের অংশগ্রহণের মধ্যে। পাকিস্তানে সব সময় ভোট পড়ার হার কম। ২০১৮ সালের সর্বশেষ নির্বাচনে এই হার ছিল ৫১ শতাংশের মতো। সবচেয়ে কম ছিল ৫৭ সালে। অর্থাৎ, ভোটাররা একবার যদি বুঝতে পারেন তাঁদের ভোটে আসলে শাসক ঠিক হবে না, তাহলে ভোট কম পড়বেই। যেমনটা সর্বশেষ হয়েছিল ২০১৮ সালে। পাকিস্তানের সেনাশাসকেরা মরিয়া ছিল ইমরানের দলকে ক্ষমতায় আনতে। এ জন্য হেন চেষ্টা নেই তারা করেনি। তারই ফলে ২৭২টি আসনের মধ্যে ৮৭টি আসনে এক হাজারের কম ভোটের ব্যবধানে জয়–পরাজয় নির্ধারিত হয়। এবার সে দেশে ১৮–৩৫ বছরের মধ্যে তরুণ ভোটারের সংখ্যা মোট ভোটারের ৪৭ ভাগ। আর এদের মধ্যে ইমরানের জনপ্রিয়তা অনেক বেশি বলেই সবাই মনে করছেন। আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ তথ্য হলো, গ্যালপ পাকিস্তানের জরিপে ৭০ শতাংশ তরুণ উত্তরদাতা বলেছেন, তাঁরা ভোট দিতে যাবেন। ফলে পিন্ডির প্রধানদের খেলাটা অন্যবারের মতো সহজ না–ও হতে পারে।

দ্বিতীয়ত, পাকিস্তান ছাড়া আর কোনো দেশে তত্ত্বাবধায়ক সরকার বা নিরপেক্ষ অন্তর্বর্তী সরকার ব্যবস্থা নেই। সে দেশে এই অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধানকে প্রধানমন্ত্রীর মর্যাদা দেওয়া হয়েছে। এই ব্যবস্থা তত্ত্বাবধায়ক সরকারের প্রধান উপদেষ্টার নেতৃত্বে একমাত্র বাংলাদেশে ছিল, তাও উঠে গেছে। ব্রিটিশ সংসদীয় ব্যবস্থার অনুসারী দেশগুলোতে অনেকটা এ রকম ব্যবস্থা আছে, সেটা ক্ষমতাসীনদের গদিতে রেখেই। সেখানে নির্বাচনের দিনক্ষণ ঘোষণা হলে দলীয় সরকারগুলো পুরোপুরি অন্তর্বর্তী সরকারের ভূমিকা পালন করে। দিনের কাজের বাইরে কোনো সিদ্ধান্ত নেয় না। অপেক্ষা করে পরের সরকারের জন্য। পাকিস্তানেও এই ব্যবস্থা ফিরিয়ে আনার দাবি ধীরে হলেও উঠছে। কারণ, ২০১৩ সালের নির্বাচন ব্যতীত কোনো নিরপেক্ষ অন্তর্বর্তী সরকারই সে দেশের মানুষকে সুষ্ঠু নিরপেক্ষ নির্বাচন উপহার দিতে পারেনি। বরং সেনাবাহিনীর হাতিয়ার হিসেবে কাজ করেছে। এ ব্যাপারে কখনো কখনো আদালতকে সহায়কের ভূমিকায় দেখা গেছে। ফলে ব্যবস্থাটাই যেখানে বিতর্কিত, সেখানে সুষ্ঠু নির্বাচনের সম্ভবনা আসলে কতটুকু? যদি তর্কের খাতিরে ধরেও নেওয়া হয়, কাকার সরকার একটি সুষ্ঠু নির্বাচন উপহার দেবে, তাহলেও সেই সরকার আদপে কী করতে পারবে?

 পাকিস্তানের মানচিত্র। ছবি: সংগৃহীতকারণ, দেশ হিসেবে এই মুহূর্তে ভারতের সাথে পাকিস্তানের উত্তেজনা চলামান। নতুন করে যোগ হয়েছে ইরানের। পাকিস্তানে তালেবানের শাসনও দেশটির জন্য মাথাব্যথার কারণ। আমেরিকার সাথে ‘লাভ অ্যান্ড হেট’ সম্পর্কের মধ্যে চীনের সাথে মাখামাখি ও নির্ভরশীলতা চরমে। এর বাইরেও বড় ব্যাপার, দেশটি পরমাণু অস্ত্রধর দেশ। এর মধ্য দেশের ভেঙে পড়া অর্থনীতি ও আইন–শৃঙ্খলা ব্যবস্থা, জিনিসপত্রের দামের ঊর্ধ্বগতি, সংবাদমাধ্যমের স্বাধীনতাহীনতা, বেলুচিস্তানসহ বিভিন্ন স্থানে গুমের ঘটনাকে এড়িয়ে চলার সাধ্য কারও নেই। সামাজিক মাধ্যমের ওপর নিয়ন্ত্রণ কিছুটা শিথিল হওয়ার কারণে এখনো সে দেশের সরকারের চেপে যাওয়া ঘটনাবলি কিছুটা হলেও জানা সম্ভব হচ্ছে।

এই অবস্থার মধ্যে ৮ ফেব্রুয়ারি যে নির্বাচন হতে চলেছে, তা কখনোই পাকিস্তানের ভবিষ্যৎ রাজনীতির গতিধারার নির্দেশক হবে না। কারণ, দেশটির সেনাপ্রধান সেখানে (অসাংবিধানিকভাবে) প্রধানমন্ত্রীর চেয়ে ক্ষমতাবান। পররাষ্ট্রনীতি, বিশেষ করে ভারত ও আমেরিকার সাথে সম্পর্ক নির্ধারণের বিষয়টি কখনো পাকিস্তান সেনাবাহিনী সে দেশের সরকারের হাতে কখনোই ছেড়ে দেবে না। এর বাইরে বাজেটে তাদের জন্য সুযোগ–সুবিধার বিষয়টি তো আছেই।

ফলে গালভরা নিরপেক্ষ অন্তর্বর্তী সরকারের অধীনে কী নির্বাচন উপহার দেবে পাকিস্তান? যেটা দেবে, তাতে সে দেশের মানুষকে, না বিশ্বের গণতন্ত্রমনা জনগোষ্ঠী কতটা খুশি হতে পারবে? আসলে কাকাররা আসবেন–যাবেন, কিন্তু দড়ির পেছনের অংশটা থাকবে জেনারেল আসিম মুনিরদের হাতে। এই ব্যবস্থার পরিবর্তন না হওয়া পর্যন্ত অপেক্ষার প্রহর দীর্ঘায়িত হবে।

লেখক: নির্বাহী সম্পাদক, ডিজিটাল বিভাগ, ইনডিপেনডেন্ট টেলিভিশন

প্রতিশ্রুতি আছে, পরিকল্পনা নেই— বাস্তবায়ন তো দূরের কথা! জাতীয় নির্বাচন সামনে রেখে দেশের প্রায় সব রাজনৈতিক দলই তাদের নির্বাচনী ইশতেহার ঘোষণা করেছে। স্বাস্থ্য, শিক্ষা, খাদ্য নিরাপত্তা, কর্মসংস্থান,...
ভারত যে পাকিস্তানের বিরুদ্ধে এক ধরনের সামরিক পদক্ষেপ নেবে, সেটি এক অর্থে অনুমিতই ছিল। অন্তত ভারত ও পাকিস্তানের গত ১০ বছরের রাজনৈতিক ও সামরিক কর্মকাণ্ডের বিষয়ে যারা একটু-আধটু খোঁজখবর রাখেন, তারা এই...
তুচ্ছ ধর্মীয় ইস্যুতে যেমন গোমাংস ভক্ষণের দায়ে মুসলমানদের পিটিয়ে মেরে ফেলা হয়। অথচ স্বাধীনতা সংগ্রামে তাদের অবদান বাদই দিলাম, বর্তমানেও ভারতে তাদের অবদান হিন্দুদের চেয়ে কোনো অংশে কম না। বিশেষ করে...
কাশ্মীরের পেহেলগামে সন্ত্রাসী হামলায় ২৬ জন নিহত হওয়ার পর সিন্ধু জলচুক্তি স্থগিত করেছে ভারত। এই স্থগিতাদেশ আনুষ্ঠানিকভাবে বাস্তবায়িত হয় ভারতের পানিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের সচিব দেবাশ্রী মুখার্জির একটি...
হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের তৃতীয় টার্মিনালের নির্মাণকাজ প্রায় শেষ হলেও ১৬ ডিসেম্বর অপারেশন শুরুর পরিকল্পনা নিয়ে অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছে। জাপানি কনসোর্টিয়ামের সঙ্গে পরিচালনা ও গ্রাউন্ড...
প্রান্তিক মানুষের স্বাস্থ্যসেবা আরও উন্নত এবং তা সহজে প্রাপ্তি নিশ্চিত করতে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের নির্দেশ দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। একই সঙ্গে চিকিৎসকেরা যেন রোগীদের চিকিৎসাসেবা দেওয়ার...
বিশ্বকাপ ফুটবলের ফাইনালে পছন্দের দল হেরে যাওয়ায় সাতক্ষীরাযর রসুলপুরে হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে হাফিজুর রহমান ওরফে লালটু নামে এক আর্জেন্টিনার সমর্থকের মৃত্যু হয়েছে। সোমবার সকালে এ ঘটনা ঘটে।
ইরান-যুক্তরাষ্ট্র সংঘাতের নতুন উত্তেজনায় বিশ্ববাজারে আবারও বাড়ছে অপরিশোধিত জ্বালানি তেলের দাম। এতে জ্বালানি আমদানি ব্যয় ও বিদ্যুৎ উৎপাদন খরচ বেড়ে বাংলাদেশের বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভের ওপর চাপ তৈরি...
লোডিং...

এলাকার খবর