পাকিস্তান: তত্ত্বাবধায়ক সরকার যেমন নির্বাচন উপহার দিল

আপডেট : ২৪ নভেম্বর ২০২৪, ০৯:২৬ পিএম

পাকিস্তানের ভোটাররা অন্তত নিজের ভোটটা দিতে পেরেছে—এই ভাবনায় অনেকেই পুলকিত বোধ করছেন। করতেই পারেন। পাকিস্তানে এমনিতেই ভোট দেওয়ার প্রবণতা কম। ১৯৭১-এর পর থেকে ধরলে ৫০ শতাংশের বেশি হলেই ধরা হয়, মানুষ ব্যাপক আগ্রহ নিয়ে বিপুল সংখ্যায় ভোট কেন্দ্রে গেছে। এবারের চিত্রটা অবশ্য ভিন্ন। সকালে ভোটার কম থাকলেও পরে বেড়েছে। ফলে স্থানীয় সময় বিকেল ৫টায় ভোটগ্রহণ শেষ হওয়ার কথা থাকলেও কোথাও কোথাও সন্ধ্যা ৭টা পর্যন্ত ভোট নিতে হয়েছে।

এতে পুলকের চেয়ে সন্দেহের জায়গা তৈরি হয়েছে বেশি। কারণ ভোটকেন্দ্রের ভেতরে ভোটারদের লাইন যত লম্বা হয়েছে, কেন্দ্রের ভেতরে ভোট নেওয়ার গতি ততই কমেছে। ফলে সময় শেষ হওয়ার পরও দু ঘণ্টা ধরে ভোট নেওয়া হয়েছে বলে আত্মতৃপ্তির সুযোগ কম। সবচেয়ে বড় কথা এখন পর্যন্ত কেউ জানে না ঠিক কত শতাংশ ভোট পড়েছে। পাকিস্তানে ১৩ কোটি ভোটারের মধ্যে ভোটদাতার সংখ্যা খুব বেশি হলেও ৬০ শতাংশের আশপাশেই হবে। সেটা যদি হয়ে থাকে, তাহলে ২৬২টি আসনে ৮ কোটির মতো ভোট পড়েছে। 

পাকিস্তানের সাবেক প্রধানমন্ত্রী ইমরান খান। ছবি: রয়টার্সসরকারিভাবে ভোটের সময় শেষ হওয়ার পর প্রায় ২০ ঘণ্টা পেরিয়ে গেছে। কিন্তু ৫৮টি আসনের ফল প্রকাশ করেছে পাকিস্তান নির্বাচন কমিশন বা ইসিপি। পাকিস্তানের বিশিষ্ট সাংবাদিক হামিদ মির তাঁর এক্স হ্যান্ডেলে লিখেছেন, ‘গতকাল বিকেল ৫টায় ভোটগ্রহণ শেষ হয়। ১৮ ঘণ্টা কেটে গেছে। নির্বাচনের পূর্ণাঙ্গ ফলাফল আসেনি। আজ সকাল ১০টার মধ্যে ফলাফল প্রকাশের দায়িত্ব ছিল নির্বাচন কমিশনের। নির্বাচন কমিশন সম্পূর্ণভাবে ব্যর্থ হয়েছে। সারা বিশ্বে পাকিস্তানের বদনাম করার দায় কার?’ এখন এ প্রশ্ন করে লাভ আসলে কতটা? কারণ আনোয়ারুল হক কাকারের নেতৃত্বাধীন তত্ত্বাবধায়ক সরকার শুরু থেকেই যেভাবে এগিয়েছে, তাতে প্রথম দিন থেকেই এই নির্বাচন প্রশ্নবিদ্ধ হয়ে গেছে।

পাকিস্তানের সাংবাদিক, একাডেমিক, রাজনৈতিক কর্মী হুসেন হাক্কানি বিষয়টি বেশ পরিষ্কার ভাষায় বলেছেন। ভারতের বিশিষ্ট সাংবাদিক বরখা দত্তের এক প্রশ্নের জবাবে তিনি এই নির্বাচনকে ‘রিগড ইলেকশন’ (কারচুপির নির্বাচন) না বলে ‘ফিক্সড ইলেকশন’ (পূর্ব নির্ধারিত নির্বাচন) বলে বর্ণনা করেছেন। এর ব্যাখ্যায় তিনি বলেছেন, ‘কারচুপির নির্বাচন হলো একজনের ভোট যদি অন্য কেউ দিয়ে দেয়। আর ফিক্সড ইলেকশন মানে এমন একটা পরিবেশ তৈরি করা, যেখানে একটি দলের জন্য বিষয়টি কঠিন হয়ে পড়ে। আর অন্য দলের জন্য কাজটি সহজ হয়ে যায়।’

হুসেন হাক্কানি ২০০৮-১১ পর্যন্ত আমেরিকায় পাকিস্তানের রাষ্ট্রদূত ছিলেন। তিনি ‘পাকিস্তান: বিটুইন মস্ক অ্যান্ড মিলিটারি’, ‘রিমাজিনিং পাকিস্তান: ট্রান্সফরমিং এ ডিসফাংশানাল নিউক্লিয়ার স্টেট’সহ একাধিক বইয়ের লেখক। তাঁর কথা একেবারে ফেলনা নয়। ওই সাক্ষাৎকারে তিনি আরও বলেছেন, ‘পিটিআইকে (ইমরান খানের দল) সব ক্ষেত্রে বাধা দেওয়া হয়েছে। প্রচারে দাঁড়াতেই দেওয়া হয়নি।’ তাঁর আশঙ্কা, এমনকি ফল গণনার সময়ও হস্তক্ষেপ হতে পারে। হুসেন হাক্কানির আশঙ্কা কতটা সত্য, সেটা গণনার প্রক্রিয়া ও ফলাফলই বলে দিচ্ছে।

পাকিস্তানের সাবেক প্রধানমন্ত্রী নওয়াজ শরিফ। ছবি: রয়টার্সইমরানের দল তেহরিক-ই-ইনসাফ (পিটিআই)-এর সাথে কী করেনি সে দেশের তত্ত্বাবধায়ক সরকার। ইমরান খান বর্তমানে কারাগারে আছেন। অভিযোগ আছে, রাজনৈতিকভাবে উদ্দেশ্যপ্রণোদিত অপরাধের কারণ দেখিয়ে তাঁকে নির্বাচনে অযোগ্য ঘোষণা করা হয়েছিল। নির্বাচন কমিশন তাদের দলীয় প্রতীক ‘ক্রিকেট ব্যাট’ বাতিল করে দেয়। সেজন্য ওই দলের প্রার্থীরা ভিন্ন ভিন্ন প্রতীক নিয়ে এই নির্বাচনে লড়তে বাধ্য হয়েছেন। এই উপমহাদেশে বড় দলের জন্য প্রতীকের গুরুত্ব কতটা, তা বুঝিয়ে বলার অপেক্ষা রাখে না। পিটিআইকে কোথাও সমাবেশ করার ও নির্বাচনী কার্যালয় খোলার অনুমতি দেয়নি কাকারের তত্ত্বাবধায়ক সরকার। এই প্রতিকূল পরিস্থিতির মধ্যে দলটি পাকিস্তানের অন্যতম বড় দুটি দল পিপিপি এবং পিএমএলএন-এর সাথে সমানে সমানে লড়ছে। নির্বাচনের মাঠ অসম না হয়ে সুষম হলে ফল কী হতে পারত, তা ভাবার বিষয়।

এত কিছুর পরও ইমরানের দলকে নির্বাচনের প্রতিযোগিতা থেকে দূরে সরাতে না পেরে সরকার ভোটের দিন সারা দিন সারা দেশে মোবাইল ফোন ও ইন্টারনেট সুবিধা বন্ধ করে দেয়। অজুহাত ছিল আইন–শৃঙ্খলার বাহিনীর চাহিদা। আসলে মাঠে নামতে না পেরে পিটিআই প্রার্থীদের জন্য ভোটারদের কাছে নিজেদের পরিচিত করার একমাত্র সুযোগ ছিল সামাজিক মাধ্যম বা সোশ্যাল মিডিয়া। সেখানেই আসলে ভয়টা। আজ অর্থাৎ ভোটের পর দিন (৯ ডিসেম্বর) পাকিস্তানের জাতির পিতা কায়েদে আজম জিন্না প্রতিষ্ঠিত ইংরেজি দৈনিক ডনের সম্পাদকীয়তে লেখা হয়েছে, ‘যোগাযোগ পরিষেবা স্থগিতের কারণে ভোট-প্রক্রিয়ায় বিলম্ব হয়েছে এবং নির্বাচনী আচরণবিধি লঙ্ঘনের ঘটনা ঘটেছে।’

সম্পাদকীয়তে আরও লেখা হয়েছে, ‘ইসিপির জন্য দরকার ছিল, প্রার্থীদের বিনা বাধায় প্রচার চালাতে দেওয়া; একটি স্বচ্ছ ও অবিতর্কিত প্রতিযোগিতার জন্য মাঠ প্রস্তুত করা; দেশের প্রাপ্তবয়স্ক মানুষ যাতে স্বাধীনভাবে তাদের অধিকার প্রয়োগ করতে পারে তাতে সহায়তা করা; স্বচ্ছ প্রক্রিয়ায় ভোট গণনার ব্যবস্থা করা এবং এর ফলকে সশ্রদ্ধ চিত্তে ও অবনত মস্তকে মেনে নেওয়া।’ ডনের মন্তব্য, ‘আসলে ভবিষ্যতে ইতিহাস সাক্ষ্য দেবে, এর প্রায় সব ক্ষেত্রেই ব্যর্থ হয়েছে নির্বাচন কমিশন।’ সুতরাং তত্ত্বাবধায়ক বা অন্তর্বর্তী নিরপেক্ষ সরকার হলেই নির্বাচন সুষ্ঠু হবে পাকিস্তানের নির্বাচন এর সাক্ষ্য দেয় না। পাকিস্তানের উদাহরণ টানা এ কারণে যে, বিশ্বে এই দেশটিতেই একমাত্র তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থা টিকে আছে, যাকে নিয়ে যথেচ্ছাচার করছে, সে দেশের মহাপ্রতাপশালী সেনাবাহিনী।

নির্বাচনী খেলার এত কিছু পূর্ব-নির্ধারিত হওয়া সত্ত্বেও প্রাথমিক ফল আসার সময়ই সবার তাক লেগে গিয়েছিল। কারণ শত প্রতিবন্ধকতাও দমাতে পারছিল না ইমরানের দলের স্বতন্ত্র প্রার্থীদের। তাঁরা অনেক আসনে এগিয়েছিলেন। দলটির দাবি, তারাই সরকার গঠন করতে চলেছে। এর প্রতিক্রিয়ায় ‘আন্ডার দ্য গান: পলিটিক্যাল পার্টিস অ্যান্ড ভায়োলেন্স ইন পাকিস্তান’ বইয়ের লেখক নিলুফার সিদ্দিকী পিটিআই-সমর্থিত স্বতন্ত্র প্রার্থীদের পক্ষে এই জোয়ারকে ‘সম্ভাব্য ভূমিকম্পের’ লক্ষণ বলে বর্ণনা করেন। তিনি নিউইয়র্কের ইউনিভার্সিটি অ্যাট আলবেনির রাষ্ট্রবিজ্ঞানের সহকারী অধ্যাপক। আল–জাজিরাকে তিনি বলেন, পিটিআই-সমর্থিত এই স্বতন্ত্রদের এত ভোট পাওয়া, এটা পিটিআই-এর পক্ষে, না ক্ষমতাসীন দলগুলোর বিরুদ্ধে, না সামরিক বাহিনীর বিরুদ্ধে একটি প্রতীকী পদক্ষেপ—তা তাঁর কাছে এখনো পরিষ্কার না।

নির্বাচনের পরিস্থিতি জানতে পত্রিকা পড়ছেন কয়েকজন। শুক্রবার পেশোয়ারে। ছবি: রয়টার্সএই লেখার সময় ফলাফলের গতি-প্রকৃতি দেখে মনে হচ্ছে, পাকিস্তানে একটি ঝুলন্ত বা হ্যাং পার্লামেন্ট হতে চলেছে। সেখানে কোনো দল একক গরিষ্ঠতা পাবে না। গত বছরের মতো নওয়াজ শরিফের দল পিএমএল-এন এবং বিলাওয়াল ভুট্টোর পিপিপি মিলে একটা নড়বড়ে সরকার তৈরি করবে। আর এই সরকারের নেতৃত্ব দেবেন নওয়াজ শরিফ, যিনি কিছু দিন আগেও সেনা নেতৃত্বের কাছে ব্রাত্য ছিলেন। তবে পুরো ফল বেরোলে ছবিটা পাল্টেও যেতে পারে। প্রাথমিকভাবে এগিয়ে থাকা ইমরানের দলের স্বতন্ত্র প্রার্থীদের পিছিয়ে পড়া দেখে বরখা দত্ত তাঁর এক্স হ্যান্ডলে লিখেছেন, ‘রাতে ইমরান খান পাকিস্তান নির্বাচনে জয়ী হয়েছিলেন সেনাবাহিনীর শক্তিকে ধ্বংস করে, যারা তাঁকে ধ্বংস করতে চেয়েছিল। যাই হোক কয়েক ঘণ্টা পরে টিভিতে সংখ্যা ভিন্ন মনে হচ্ছে। পাকিস্তান সেনাবাহিনী অভ্যুত্থান-পরবর্তী অভ্যুত্থানের মাধ্যমে নির্বাচনের ফল চুরি করছে? নাকি...? এটা কোন দিকে মোড় নেয়, তা দেখার আগ্রহ থাকবে।’ তিনি আরও লিখেছেন, ‘যদি পাকিস্তান সেনাবাহিনী এই নির্বাচনের ফল চুরি করে, তাহলে তাদের দেশের জনগণ তাদের কখনো ক্ষমা করতে পারে না। এবং যদি তারা না করে এবং ইমরান খান, পিটিআই ও স্বতন্ত্রদের গণতান্ত্রিক বিজয়কে গ্রহণ করে, তবে এটি হবে গত কয়েক দশকের মধ্যে তাদের অদৃশ্য ছায়া কর্তৃত্বের জন্য সবচেয়ে বড় আঘাত। তারা যেটাই করুক তাতেই হারবে।’

আসলেই বোধহয়, একেই বলে ফাঁসে আটকানো। দেশের মানুষের সাথে চালাকি যে সব সময় খাটে না–১৯৭১-এ তারা তা বোঝেনি; এখনো বুঝবে এমনটা আশা করা বোকামি। তত্ত্বাবধায়ক সরকারের প্রথম দিন থেকে এখন পর্যন্ত প্রতিটি ক্ষেত্রে সেনাবাহিনীর হস্তক্ষেপ পুরো বিষয়টিকে বিতর্কিত করে তুলেছে। যে কারণে ডনের সম্পাদকীয়তে লেখা হয়েছে, ‘(নির্বাচনের) এর পবিত্রতা হরণে তত্ত্বাবধায়ক সরকার ও গোটা রাষ্ট্রযন্ত্র সমানভাবে দায়ী। তাদের কর্মকাণ্ড রাজনৈতিক মেরুকরণকে আরও খারাপ করেছে। কখন থামতে হবে, তা তারা জানে না। এ জন্য পুরো প্রক্রিয়াটি শুরু হওয়ার আগেই বিতর্কে পরিণত হয়েছিল। এটি ইতিমধ্যেই স্পষ্ট বলে মনে হচ্ছে যে, এই নির্বাচন দেশের রাজনৈতিক সংকট কাটিয়ে উঠতে সাহায্য করবে না। সংকট ও অস্থিতিশীলতা, সম্ভবত জাতিকে জর্জরিত করতে থাকবে। পাশাপাশি ভয়ের কৌশল ব্যবহারের মাধ্যমে ভিন্নমতকে নিয়ন্ত্রণে রাখা হবে। এটা খুবই লজ্জাজনক যে, এমন একটি গুরুত্বপূর্ণ সুযোগ অতি অবহেলায় হারিয়ে গেছে।’

জিন্না প্রতিষ্ঠিত পত্রিকাটি তাদের সম্পাদকীয় নিবন্ধে একবারও সেনাবাহিনীর নাম মুখে আনেনি। তিনি বেঁচে থাকলে কী বলতেন, কে জানে। তবে জেনারেল আসিম মুনির বা তাঁর উত্তরসূরিদের এক দিন জনগণের কাঠগড়ায় দাঁড়াতেই হবে। সে দিন বোধহয় বেশি দূরে নয়।

লেখক: নির্বাহী সম্পাদক, ডিজিটাল বিভাগ, ইনডিপেনডেন্ট টেলিভিশন

প্রতিশ্রুতি আছে, পরিকল্পনা নেই— বাস্তবায়ন তো দূরের কথা! জাতীয় নির্বাচন সামনে রেখে দেশের প্রায় সব রাজনৈতিক দলই তাদের নির্বাচনী ইশতেহার ঘোষণা করেছে। স্বাস্থ্য, শিক্ষা, খাদ্য নিরাপত্তা, কর্মসংস্থান,...
ভারত যে পাকিস্তানের বিরুদ্ধে এক ধরনের সামরিক পদক্ষেপ নেবে, সেটি এক অর্থে অনুমিতই ছিল। অন্তত ভারত ও পাকিস্তানের গত ১০ বছরের রাজনৈতিক ও সামরিক কর্মকাণ্ডের বিষয়ে যারা একটু-আধটু খোঁজখবর রাখেন, তারা এই...
তুচ্ছ ধর্মীয় ইস্যুতে যেমন গোমাংস ভক্ষণের দায়ে মুসলমানদের পিটিয়ে মেরে ফেলা হয়। অথচ স্বাধীনতা সংগ্রামে তাদের অবদান বাদই দিলাম, বর্তমানেও ভারতে তাদের অবদান হিন্দুদের চেয়ে কোনো অংশে কম না। বিশেষ করে...
কাশ্মীরের পেহেলগামে সন্ত্রাসী হামলায় ২৬ জন নিহত হওয়ার পর সিন্ধু জলচুক্তি স্থগিত করেছে ভারত। এই স্থগিতাদেশ আনুষ্ঠানিকভাবে বাস্তবায়িত হয় ভারতের পানিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের সচিব দেবাশ্রী মুখার্জির একটি...
হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের তৃতীয় টার্মিনালের নির্মাণকাজ প্রায় শেষ হলেও ১৬ ডিসেম্বর অপারেশন শুরুর পরিকল্পনা নিয়ে অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছে। জাপানি কনসোর্টিয়ামের সঙ্গে পরিচালনা ও গ্রাউন্ড...
প্রান্তিক মানুষের স্বাস্থ্যসেবা আরও উন্নত এবং তা সহজে প্রাপ্তি নিশ্চিত করতে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের নির্দেশ দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। একই সঙ্গে চিকিৎসকেরা যেন রোগীদের চিকিৎসাসেবা দেওয়ার...
বিশ্বকাপ ফুটবলের ফাইনালে পছন্দের দল হেরে যাওয়ায় সাতক্ষীরাযর রসুলপুরে হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে হাফিজুর রহমান ওরফে লালটু নামে এক আর্জেন্টিনার সমর্থকের মৃত্যু হয়েছে। সোমবার সকালে এ ঘটনা ঘটে।
ইরান-যুক্তরাষ্ট্র সংঘাতের নতুন উত্তেজনায় বিশ্ববাজারে আবারও বাড়ছে অপরিশোধিত জ্বালানি তেলের দাম। এতে জ্বালানি আমদানি ব্যয় ও বিদ্যুৎ উৎপাদন খরচ বেড়ে বাংলাদেশের বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভের ওপর চাপ তৈরি...
লোডিং...

এলাকার খবর