ভারতের নির্বাচনে বিদেশিরা নাক গলাচ্ছে কেন?

আপডেট : ২৬ নভেম্বর ২০২৪, ০১:২০ পিএম

স্বাধীন ভারতে এ পর্যন্ত ১৭বার লোকসভা নির্বাচন হয়েছে। এসব নির্বাচনে কারচুপি, মারামারি-হানাহানি একেবারে ছিল না, তা বলা যাবে না। অর্থ ও ক্ষমতার দাপটও সবসময় ছিল। তারপরও এসব নির্বাচন দেশে-বিদেশে একটা গ্রহণযোগ্যতা পেয়েছিল। কেউ এ নিয়ে বিরাট কোনো প্রশ্ন তোলেনি। বরং নির্বাচন শান্তিপূর্ণ করতে, ভোটাররা যাতে নির্ভয়ে তাদের মতামত ব্যালট বা ইভিএমের মাধ্যমে প্রকাশ করতে পারেন, সেজন্য ভারতের নির্বাচন কমিশন সারা দেশে এক দিনের পরিবর্তে একাধিক দিনে ভোট নেওয়ার ব্যবস্থা করেছে। বিরোধী দলগুলো ইভিএম নিয়ে বিভিন্ন সময়ে নানা কথা বললেও কার্যত ২০১৯ পর্যন্ত কেউ তেমন বড় মাপের কোনো অভিযোগ করেনি। বিশেষ করে বিদেশিরা।

এই প্রথম ভারতের নির্বাচন নিয়ে বাইরের দেশ ও জাতিসংঘ মুখ খুলল। বিশেষ করে নির্বাচনের তফশিল ঘোষণার পর দিল্লির মুখ্যমন্ত্রী অরবিন্দ কেজরিওয়ালের গ্রেপ্তার ও কংগ্রেসের মতো বড় দলের সব ব্যাংক অ্যাকাউন্ট বন্ধ করে দেওয়ার পরপরই এই প্রতিক্রিয়া এসেছে। স্বাভাবিকভাবে ভারতের ক্ষমতাসীন দল বিজেপি ও নরেন্দ্র মোদি সরকার এটাকে একেবারেই ভালোভাবে নেয়নি। এ বিষয়ে তাদের প্রতিক্রিয়াও ছিল অত্যন্ত চড়া ও কড়া। এহেন প্রতিক্রিয়ায় চুপ মেরে যাওয়ার কোনো লক্ষণ ওই বিদেশি শক্তিগুলো এখনো দেখায়নি।

বাঁয়ে জার্মানির পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র সেবাস্তিয়ান ফিশার ও জাতিসংঘের মহাসচিবের মুখপাত্র স্টিফেন ডুজারিক। ছবি: রয়টার্সকেজরিওয়ালকে ভারতের এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেট বা ইডি গ্রেপ্তারের পর প্রথম মুখ খোলে জার্মানি। জার্মানির পররাষ্ট্র দপ্তরের মুখপাত্র সেবাস্তিয়ান ফিশার বলেছিলেন, ‘আমরা মনে করি এবং আশা করি, বিচার বিভাগের স্বাধীনতা এবং মৌলিক গণতান্ত্রিক নীতিগুলো এই ক্ষেত্রেও মেনে চলা হবে।’ এই কথার মধ্যে কোথাও কেজরিওয়ালের মুক্তির দাবি বা ইডির পক্ষপাতিত্ব বা কারোর প্রতি কোনো ধরনের দোষারোপ নেই। শুধু স্বাধীন বিচার বিভাগের কথা বলা হয়েছে। মনে করিয়ে দেওয়া হয়েছে গণতন্ত্রের মৌলিক নীতিগুলো। এরপরই রে রে করে তেড়ে আসে ভারত সরকার। সাথে যোগ দেয় বিজেপির আইটি প্রচার ব্রিগেড। নয়াদিল্লির জার্মান দূতাবাসের ডেপুটি চিফ অব মিশন, জর্জ এনজওয়েলারকে তলব করে ভারতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় এবং কেজরিওয়ালের গ্রেপ্তারের বিষয়ে জার্মান পররাষ্ট্র দপ্তরের মন্তব্যের বিরুদ্ধে তীব্র প্রতিবাদ জানান হয়।

জার্মানির দুদিন পর এ ব্যাপারে প্রতিক্রিয়া জানান আমেরিকার পররাষ্ট্র দপ্তরের মুখপাত্র ম্যাথু মিলার। তিনি বলেন, আমেরিকা কেজরিওয়ালের গ্রেপ্তারের বিষয়টি গভীরভাবে পর্যবেক্ষণ করছে এবং ন্যায্য আইনি প্রক্রিয়াকে উৎসাহিত করছে। এর আগে গত ১৫ মার্চ ভারতের নাগরিকত্ব আইন নিয়ে উদ্বেগের কথা জানিয়েছিল আমেরিকা। কেজরিওয়ালের বিষয়ে কথা বলায় চটে গিয়ে ভারতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তারা ডেকে পাঠান নয়াদিল্লিতে নিযুক্ত জ্যেষ্ঠ মার্কিন কূটনীতিক গ্লোরিয়া বারবেনাকে, যিনি দূতাবাসের পাবলিক অ্যাফেয়ার্স বিভাগের প্রধান। তাঁকে বুঝিয়ে দেওয়া হয়, এটা একান্তই ভারতের অভ্যন্তরীণ বিষয়। এ দেশে আইন যথেষ্ট শক্তিশালী এবং বিচারবিভাগ স্বাধীন। ফলে বাইরে থেকে নাক গলানোর কিছু নেই। 

মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তরের মুখপাত্র ম্যাথু মিলার। ছবি: রয়টার্সতবে এ কথায় যে চিঁড়ে ভেজেনি, তা বোঝা যায় ভারতের কঠোর প্রতিক্রিয়ার পরও মার্কিন পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্রের পরবর্তী মন্তব্যে। তিনি আবারও উল্লেখ করেন, ‘আমরা দিল্লির মুখ্যমন্ত্রী অরবিন্দ কেজরিওয়ালের গ্রেপ্তারসহ এই পদক্ষেপগুলো গভীরভাবে পর্যবেক্ষণ করছি। আমরা কংগ্রেস পার্টির অভিযোগ সম্পর্কেও অবগত যে, আয়কর কর্তৃপক্ষ তাদের ব্যাংক অ্যাকাউন্ট এমনভাবে বন্ধ করেছে, যা আসন্ন নির্বাচনে কার্যকরভাবে প্রচার চালানোর বিষয়টিকে কঠিন করে তুলবে। আমরা এই প্রতিটি সমস্যার জন্য ন্যায্য, স্বচ্ছ ও সময়োপযোগী আইনি প্রক্রিয়াকে উৎসাহিত করি।’ ভারতের প্রতিক্রিয়া সত্ত্বেও মিলার তাঁর কথা থেকে সরে আসেননি।

এই দুই দেশের পর এ ধরনের অভিযোগে ঘৃতাহুতি দেয় জাতিসংঘের মহাসচিব আন্তোনিও গুতেরেসের মুখপাত্র স্টেফান ডুজারিকের বক্তব্য। গত ২৮ মার্চ এক প্রেস ব্রিফিং-এ তিনি বলেন, তাঁরা খুব আশা করেন যে, ভারতে যে নির্বাচন হচ্ছে সেখানে রাজনৈতিক ও নাগরিক অধিকারসহ সকলের অধিকার সুরক্ষিত আছে এবং প্রত্যেকে ভোট দিতে পারবে। ভোট দিতে পারবে অবাধ ও ন্যায্য পরিবেশে। মূলত কেজরিওয়ালের গ্রেপ্তার এবং কংগ্রেসের ব্যাংক অ্যাকাউন্ট জব্দ করার পরই এ মন্তব্য এসেছে। এর বিরুদ্ধে ভারত সরকারের প্রতিক্রিয়াও এসেছে কঠোর ভাষায়।

মোদি মন্ত্রিসভার সদস্য থেকে শুরু করে বিজেপির আইটি প্রচার ব্রিগেড–প্রত্যেকেই বিষয়টিকে ভারতের সার্বভৌমত্ব, গণতন্ত্র ও অভ্যন্তরীণ বিষয়ে হস্তক্ষেপ বলে বর্ণনা করেছেন। জাতিসংঘে ভারতের স্থায়ী প্রতিনিধি রাষ্ট্রদূত অরিন্দম বাগচি দাবি করেছেন, বিশ্বে অনেকেই ভারতের নির্বাচনী অভিজ্ঞতা থেকে শিখতে চায় এবং এটি অনুকরণ করতে চায়। হ্যাঁ, কেউ ভালো কিছু করলে অন্যরা শিখতে চাইবে, এটাই স্বাভাবিক। দীর্ঘদিন ধরে ভারত দক্ষিণ এশিয়াসহ বিভিন্ন দেশের কাছে মোটামুটি উদার গণতান্ত্রিক দেশ হিসেবেই পরিচিত ছিল। তাহলে কেন এখন এই প্রশ্ন উঠছে? কেন বাইরে থেকে ভারতের নির্বাচন নিয়ে নাক গলানো হচ্ছে? যাঁরা পাল্টা অভিযোগ করছেন তাঁরা আত্মজিজ্ঞাসা কী কেউ করেছেন বা করছেন? বোধহয়, না। কারণ তাঁরা বুঝে গেছেন, ‘জোর যার মুল্লুক তার’ দুনিয়ায় যুক্তি ও ন্যায়ের দাবিকে সহজেই গলার জোরে, ক্ষমতার দাপটে উড়িয়ে দেওয়া যায়।

এই দাপটের সাথে উড়ে যায় অনেক কষ্টার্জিত অর্জন। সবার আগে ঘুচে যায় সরকার ও রাষ্ট্রের মধ্যেকার ভেদরেখা। মার্কিন লেখক মার্ক টোয়েনের কথা স্মরণ করা যেতে পারে। তিনি বলেছিলেন, সবসময় দেশের প্রতি অনুগত থাকো। আর একটি সরকারের প্রতি অনুগত থাকো, যখন এটা তার প্রাপ্য। হায় মার্ক টোয়েন, এই প্রাপ্য-অপ্রাপ্যের বিচার হবে কোন নিরিখে? সবই যে গুলিয়ে দেওয়া হয়েছে। মানুষ যে স্বাভাবিকভাবে ভাবতেই ভুলে যাচ্ছে। ভুলিয়ে দেওয়া হচ্ছে নানা তরিকায়।

সুইডেনের গোথেনবার্গ বিশ্ববিদ্যালয়ের ভি-ডেম ইনস্টিটিউট প্রতি বছর বিশ্বের বিভিন্ন দেশের নানা তথ্য নিয়ে গণতন্ত্রের সূচক এবং দেশটি গণতান্ত্রিক ধারার কোন স্তরে আছে, তার তালিকা প্রকাশ করে। ২০১৮ সালে ভি-ডেম ভারতীয় গণতন্ত্রকে ইলেক্টোরাল অটোক্রেসি বা নির্বাচিত স্বৈরাচার-এর মর্যাদা দিয়েছিল। তাদের ‘ডেমোক্রেসি রিপোর্ট ২০২৪’ অনুসারে, ভারত একাধিক পরিমাপকে ‘সবচেয়ে খারাপ স্বৈরাচারী’ হতে চলার পথে রয়েছে। ভি-ডেমের রিপোর্ট উদ্ধৃতি করে গত ১১ মার্চ এ কথা লিখেছে দ্য হিন্দু পত্রিকা।

১৯৮০-র দশকে, ইন্দিরা গান্ধীর জরুরি অবস্থা–পরবর্তী ভারত সম্পর্কে সাউথ এশিয়া স্টাডিজের আমেরিকান পণ্ডিত অ্যানসলি এমব্রি লিখেছিলেন, ভারতের রাজনৈতিক গণতন্ত্র, এর মুক্ত সংবাদমাধ্যম এবং সোচ্চার বিরোধীদলের কারণে ‘কোনো কর্তৃত্ববাদী শাসন ভারতের ঐতিহাসিক অভিজ্ঞতা বা সামাজিক মূল্যবোধের বিরুদ্ধে যেতে পারবে না।’ প্রায় ৪০ বছর পর এসে অ্যানসলি এমব্রি এ কথা কি লিখতে পারতেন?

কেন পারতেন না, তার একটা ধারণা দিচ্ছে আমেরিকার পিউ রিসার্চ সেন্টারের সাম্প্রতিক এক জরিপ। গত ২৮ ফেব্রুয়ারি এই জরিপের ফল প্রকাশ করা হয়েছে। জরিপে অংশগ্রহণকারীদের মধ্যে ৬৭ শতাংশ ভারতে স্বৈরাচারি শাসনকে সমর্থন করেছেন। লোকসভা নির্বাচনের মাস দেড়েক আগে প্রকাশিত এই জরিপ প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির জন্য কতটা পয়মন্ত হবে, তা এই মুহূর্তে বলা যাচ্ছে না। তবে জরিপের অন্য ফলগুলো আরও চিন্তার জোগান দেয়। স্বৈরশাসনের চেয়ে সেনাশাসনকে সমর্থন করেন আরও অনেক বেশি ভারতীয়। এর সংখ্যা ৭২ শতাংশ। এরপরও অরিন্দম বাগচিরা কী বলবেন, বিশ্বে অনেকেই ভারতের নির্বাচনী অভিজ্ঞতা থেকে শিখতে চায় এবং এটি অনুকরণ করতে চায়।

চীনকে জব্দ করতে পশ্চিমাদের ভারত ছাড়া কোনো গতি নেই এটা সত্য, তবে আংশিক। ভারতের ক্রমবর্ধমান বাজার পশ্চিমা পুঁজির কাছে ক্রমে আরও লোভনীয় হয়ে উঠছে, এ কথা অস্বীকারের উপায় নেই। কিন্তু সেজন্য তারা ভারতকে আসলে কতটা ছাড় দেবে? কারণ উদার গণতন্ত্র, মানবাধিকার, আইনের শাসন—এসব যদি অনুপস্থিত থাকে, তাহলে ভারতের সাথে চীন, রাশিয়া বা অন্যান্য কর্তৃত্ববাদী দেশের কোনো পার্থক্য থাকে না। তখন ভারতকে বন্ধু হিসেবে পাশে পাওয়া বা বিশ্বাস করা শক্ত। এই ইউক্রেন যুদ্ধের কথাই ধরা যাক। মার্কিন নিষেধাজ্ঞা মেনে পশ্চিম ইউরোপের দেশগুলো কিন্তু রাশিয়ার কাছ থেকে জ্বালানি কেনা বন্ধ করেছে। এতে তাদের অনেক গচ্চা দিতে হচ্ছে, যার আর্থিক মূল্যের পাশাপাশি রাজনৈতিক মূল্য অনেক। ওদিকে নিষেধাজ্ঞাকে পাত্তা না দিয়ে রাশিয়ার কাছ থেকে তেল কেনা অব্যাহত রেখেছে ভারত। এই যোগ্যতা হয়তো ভারত অর্জন করেছে। যে কারণে পশ্চিমাদের অভিযোগের জবাবে দিল্লির কর্তাদের যুক্তির চেয়ে ধমকের সুরটাই চড়া। আর হবে নাই-বা কেন? কানাডা তো একটা বড় শিক্ষা। 

প্রশ্ন হলো, এই ভারতের হাত ধরে পশ্চিমারা নিশ্চিতে চলতে পারলে ওই দেশের নির্বাচন নিয়ে তাদের নাক গলানোর প্রশ্নই উঠত না। আর চীনের সাথে সংঘাত যদি আমেরিকা বা তার মিত্ররা আপসে মিটিয়ে নিতে পারে, তাহলে ভারতের সেই গুরুত্ব কতটা থাকবে বলা কঠিন। সে চাপ কিন্তু আমেরিকা ও তার বন্ধুদের ওপর আছে।

লেখক: নির্বাহী সম্পাদক, ডিজিটাল বিভাগ, ইনডিপেনডেন্ট টেলিভিশন

​সম্প্রতি ভেনেজুয়েলার প্রেসিডেন্ট নিকোলা মাদুরোকে আটক এবং পরবর্তী ঘোষণা অনুযায়ী মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের পক্ষ থেকে দেশ পরিচালনার দায়িত্ব গ্রহণের বিষয়টি আন্তর্জাতিক রাজনীতির ইতিহাসে এক নজিরবিহীন ও...
‘বিপ্লব, নাকি করপোরেট শক্তির খেল’–প্রশ্নটা আজ দক্ষিণ এশিয়ার রাজনীতির সামনে এক বিরাট ধাঁধা হয়ে দাঁড়িয়েছে। চার বছরের মধ্যে ভারতের তিন প্রতিবেশী দেশ–শ্রীলঙ্কা, বাংলাদেশ এবং নেপাল–গণআন্দোলনের জেরে...
আরেকটি সাধারণ আশঙ্কা হলো–এআই দিয়ে তৈরি লেখা, ছবি ও কণ্ঠস্বর জনমত ও নির্বাচনে প্রভাব বিস্তারকারী অস্ত্র হিসেবে ব্যবহৃত হতে পারে। এই উদ্বেগগুলো যৌক্তিক। তবুও এসব উদ্বেগ আদতে আরও অস্বস্তিকর ও মৌলিক...
ইউরোপীয় মিত্ররা ইউক্রেনের প্রতিরক্ষায় অর্থায়ন ও সমর্থন বাড়াতে, সহায়তা ও সামরিক সমর্থন বৃদ্ধি করতে এবং নিষেধাজ্ঞা বাড়াতে সচেষ্ট হয়েছে। ইউরোপ ও কানাডা বনাম আমেরিকার ভিন্ন ভিন্ন অগ্রাধিকারের...
হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের তৃতীয় টার্মিনালের নির্মাণকাজ প্রায় শেষ হলেও ১৬ ডিসেম্বর অপারেশন শুরুর পরিকল্পনা নিয়ে অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছে। জাপানি কনসোর্টিয়ামের সঙ্গে পরিচালনা ও গ্রাউন্ড...
প্রান্তিক মানুষের স্বাস্থ্যসেবা আরও উন্নত এবং তা সহজে প্রাপ্তি নিশ্চিত করতে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের নির্দেশ দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। একই সঙ্গে চিকিৎসকেরা যেন রোগীদের চিকিৎসাসেবা দেওয়ার...
বিশ্বকাপ ফুটবলের ফাইনালে পছন্দের দল হেরে যাওয়ায় সাতক্ষীরাযর রসুলপুরে হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে হাফিজুর রহমান ওরফে লালটু নামে এক আর্জেন্টিনার সমর্থকের মৃত্যু হয়েছে। সোমবার সকালে এ ঘটনা ঘটে।
ইরান-যুক্তরাষ্ট্র সংঘাতের নতুন উত্তেজনায় বিশ্ববাজারে আবারও বাড়ছে অপরিশোধিত জ্বালানি তেলের দাম। এতে জ্বালানি আমদানি ব্যয় ও বিদ্যুৎ উৎপাদন খরচ বেড়ে বাংলাদেশের বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভের ওপর চাপ তৈরি...
লোডিং...

এলাকার খবর