দেশে বুদ্ধিজীবীদের অভাব আজও পূরণ হয়নি

আপডেট : ১৪ ডিসেম্বর ২০২৪, ০৮:০০ এএম

স্বাধীনতার আগের তিন দশক ধরে জাতির বিবেককে জাগিয়ে তুলতে যারা লেখা, গান, চিকিৎসা, অভিনয় ও শিক্ষার মাধ্যমে দেশের মানুষকে উদ্দীপ্ত রেখেছিলেন, তাঁদেরই পাকিস্তানি শাসকগোষ্ঠী নিশ্চিহ্ন করতে চেয়েছিল। মুক্তিযুদ্ধে বিজয়ের আগে পাকিস্তানি বাহিনী ও তার দোসররা নিশ্চিত পরাজয়ের আগমুহূর্তে, দেশের বরেণ্য বুদ্ধিজীবীদের ঠান্ডা মাথায় নৃশংসভাবে হত্যা করে। স্বনামধন্য শিক্ষক, বিজ্ঞানি, চিন্তক, চিকিৎসক, প্রকৌশলী, শিল্পী, সাংবাদিক, সাহিত্যিক, আইনজীবী, সাংস্কৃতিক ব্যক্তিত্ব, সরকারি-বেসরকারি পদস্থ কর্মকর্তাসহ দেশের শ্রেষ্ঠ সন্তানেরা ছিলেন তাঁদের মধ্যে। হত্যার পর ছিন্নভিন্ন রক্তাক্ত শবদেহগুলো বুড়িগঙ্গা নদীতীরের পরিত্যক্ত ইটের ভাটায় গাদাগাদি করে ফেলে রাখে। ১৪ ডিসেম্বর ১৯৭১-এ যে বুদ্ধিজীবীদের বেছে বেছে ঘর থেকে তুলে নিয়ে হত্যা করা হয়েছে, সেটা জানা যায় বিজয় অর্জনের পর। তিন দিন খোলা আকাশের নিচে পড়ে থাকা ক্ষতবিক্ষত অনেক লাশ শনাক্ত করা যায়নি। অনেকের লাশের কোনো সন্ধান আর মেলেনি, হয়তো খুবলে খেয়েছে শকুন কিংবা কুকুর, কিংবা ফেলে দেওয়া হয়েছে কোনো গর্তে, যা আর কেউ কখনো খুঁজে পায়নি।

হানাদার পাকিস্তানিরা তাদের পরাজয় নিশ্চিত জেনে বাঙালি জাতিকে মেধাশূন্য করার এক ঘৃণ্য ষড়যন্ত্র করেছিল। বুদ্ধিজীবীরা তাদের জ্ঞান, মেধা, চিন্তার প্রসারতা ও সৃজনশীল কাজের মাধ্যমে দেশকে সামনে এগিয়ে নিয়ে যান। পাকিস্তানি বাহিনীর জানা ছিল যদি কোনো দেশ বা জাতিকে অন্তঃসারশূন্য করতে হয়, তবে বুদ্ধিজীবীশূন্য করাটাই যথেষ্ট হবে। এ জন্যই পরিকল্পিত কায়দায় ঠান্ডা মাথায় চালানো হয় এই চরম পৈশাচিক ও নৃশংস হত্যাকাণ্ড। সুপরিকল্পিত বুদ্ধিজীবী হত্যাকাণ্ড মুক্তিযুদ্ধের শেষ এক মাস ধরে চললেও বুদ্ধিজীবী হত্যাকাণ্ডের সূচনা হয়েছিল ২৫ মার্চ কালরাতেই। এমন নৃশংসতার নজির ইতিহাসে বড় বেশি খুঁজে পাওয়া যায় না। এর পেছনে কাজ করেছে ফ্যাসিবাদী মনস্তত্ত্ব।

জার্মানিতে হিটলারের নাৎসি পার্টির রাজনৈতিক দর্শন ছিল কোনো একটি জাতিকে যদি অনুগত ও পদানত রাখতে হয়, তাহলে তাদের স্বাধীনচেতা, মুক্তমনা ও আদর্শনিষ্ঠ বুদ্ধিজীবীদের আগে ধ্বংস কর। হিটলারের জার্মানিতে অসংখ্য বুদ্ধিজীবীকে হত্যা করা হয়। অনেককে জেলে ঢোকানো হয়। অনেকের বই পুড়িয়ে দেওয়া হয়। বিশ্ববিখ্যাত সাহিত্যিক ও দার্শনিক রোমা রলাঁ হিটলারের কারাগারেই বসে লিখেছিলেন ‘আমি ক্ষান্ত হবো না’ (I will never rest)। ফ্যাসিবাদের বিরুদ্ধে যুদ্ধে তিনি কখনো ক্ষান্ত হননি। ইতালিতে ফ্যাসিস্ট মুসোলিনির রাজত্বের সময়ে অসংখ্য শিল্পী, সাহিত্যিক ও বুদ্ধিজীবীকে হত্যা করা হয়। বিখ্যাত ঔপন্যাসিক আলবার্তো মোরাভিয়া দেশ থেকে পালিয়ে গিয়ে দশ বছর পাহাড়ে জঙ্গলে ঘুরে বেড়িয়েছেন। উল্লেখ্য, পাকিস্তানে আইয়ুবের স্বৈরাচারী শাসনের সময়ে তাঁর পৃষ্ঠপোষকতায় গঠিত রাইটার্স গিল্ডের সভায় আলবার্তো মোরাভিয়াকে আমন্ত্রণ জানানো হয়েছিল। তিনি তা প্রত্যাখ্যান করে লিখেছিলেন, ‘আমি দ্বিতীয় মুসোলিনীর দেশে আসতে চাই না।’ হিটলারের গ্যাস চেম্বারের গণহত্যার চেয়েও ভয়ংকর ছিল বর্বর পাকিস্তানি শাসক এবং তাদের দেশীয় অনুচরদের দ্বারা সংঘটিত বুদ্ধিজীবী হত্যাকাণ্ড। কারণ, এই হত্যাকাণ্ডের মাধ্যমে শুধু কয়েকটি প্রাণ নেওয়া হয়নি, পঙ্গু করে দেওয়ার পরিকল্পনা ছিল পুরো একটি জাতিকে। বাংলাদেশকে মেধাশূন্য করার পাশাপাশি মুক্তবুদ্ধির চর্চা আটকাতেই একাত্তরে সাম্প্রদায়িক শক্তি বেছে বেছে বুদ্ধিজীবীদের হত্যা করেছিল। বায়ান্নর ভাষা আন্দোলন থেকে একাত্তরের মুক্তিযুদ্ধের পেছনে ‘একটি উদারনৈতিক, অসাম্প্রদায়িক মানবিক গুণাবলি’র চেতনা কাজ করেছিল। এই চেতনা নির্মাণে মুখ্য ভূমিকা পালন করেছিলেন বুদ্ধিজীবীরা।

একাত্তরের ২৫ মার্চ ও ১৪ ডিসেম্বর দেশসেরা বুদ্ধিজীবীদের হত্যার মধ্য দিয়ে বাঙালি জাতিকে বুদ্ধিবৃত্তিকভাবে ধ্বংস করে দেওয়ার যে নীলনকশা পাকিস্তানি সামরিক জান্তা করেছিল, তা অনেকাংশেই সফল হয়। স্বাধীনতার পর রাজনৈতিক নেতৃত্ব যেমন প্রত্যাশা পূরণ করতে পারেনি, পরবর্তীকালের বুদ্ধিজীবীরাও জাতির মানস গঠনে কার্যকর ভূমিকা পালন করতে পারেনি। অল্প কিছু ব্যতিক্রম ছাড়া মুক্তস্বর, মুক্তকণ্ঠ তেমনভাবে আর দেখা যায়নি।

১৬ ডিসেম্বর স্বাধীন বাংলাদেশের জন্ম হওয়ার পর যুদ্ধবিধ্বস্ত বাংলাদেশকে পুনর্গঠনের বিষয়টি সামনে আসে। তখন থেকেই দেশে বুদ্ধিজীবীদের অভাব অনুভূত হতে শুরু করে। স্বাধীনতার সুফল ঘরে তুলতে বাধা হয়ে দাঁড়ায় দেশি-বিদেশি ষড়যন্ত্র। বুদ্ধিজীবীদের হত্যার মাধ্যমে যে বুদ্ধিবৃত্তিক সংকট ও মেধাশূন্যতা তৈরি হয়, তা দেশের দৃশ্যপটকে বদলে দেয়। দেশের রাজনীতি ও সংস্কৃতিতে পাকিস্তানি প্রেতাত্মারা আবারও ফিরে আসে। থমকে যায় সৃষ্টিশীল ও প্রগতিশীলতার চর্চা। সকল ক্ষেত্রে শুরু হয় ধর্মান্ধতা আর অসহিষ্ণুতা। অস্থিতিশীলতা ও হত্যাকাণ্ডের মধ্য দিয়ে বারবার ক্ষমতার পালাবদল হয়। কিন্তু দেশে যুক্তির চর্চায় ভাটা পড়ে। স্বাধীনতার পর থেকে এখন পর্যন্ত দেশে বুদ্ধিবৃত্তিক চর্চায় এক শূন্যতা রয়ে গেছে।

একাত্তরে যেভাবে বুদ্ধিজীবীদের হত্যা করে দেশকে মেধা ও মননে পিছিয়ে দেওয়া হয়েছিল, স্বাধীনতার প্রায় পাঁচ দশকে এসেও দেশে মুক্তবুদ্ধির মানুষের ওপর হামলা থেমে থাকেনি। মুক্তিযুদ্ধের আগে কয়েক দশকের প্রচেষ্টায় যা কিছু অর্জন ঘটেছিল, কোনো এক অদৃশ্য শক্তির কাছে তা যেন হাতছাড়া হয়ে যায়। সমাজে এখন সংগত কারণেই অনেকে ভীত বোধ করছেন। প্রকাশ্যে মত জানাতে অস্বীকার করছেন। ফেসবুক-টুইটার ইত্যাদি নব-গণমাধ্যমের দ্বারা তারা যে ধর্মনিরপেক্ষতা ও যুক্তিবাদের সংস্কৃতি প্রসারের কথা ভেবেছিলেন, তা থেকে নিজেদের সরিয়ে নিচ্ছেন। নিজেকে ও পরিবারকে সুরক্ষিত রাখতে নিজেকেই যেন লুকিয়ে ফেলছেন।

মাঝে মাঝে কিছু আলো আসে বটে, কিন্তু তা আবার নিভেও যায়! প্রতিষ্ঠিত রাজনৈতিক দল, সরকার, প্রশাসন দায়িত্ব পালনে ব্যর্থ। অমনোযোগী। বুদ্ধিজীবীরাও একটি আদর্শভিত্তিক সমাজ নির্মাণের পক্ষে তেমন কোনো ভূমিকা পালন করতে পারেনি। ফলে সমাজে মুক্তচিন্তা নয়, একমুখী চিন্তা এমনকি হিংস্রতাও সমর্থন পেয়ে যাচ্ছে। দেশ-বিদেশের ষড়যন্ত্রকারীদের সব রকম ষড়যন্ত্রের জাল ছিন্ন করে অসাম্প্রদায়িক প্রগতিমুখী অবস্থানকে ঊর্ধ্বে তুলে ধরার প্রয়োজন তেমনভাবে কারও মধ্যেই দেখা যাচ্ছে না। সমাজে নতুন মতাদর্শ নির্মাণের প্রচেষ্টার অভাব এবং মতাদর্শগত লড়াই থেকে সরে এসে গড্ডল প্রবাহে গা ভাসাচ্ছে সবাই। 

নিজের স্বাধীন চিন্তা, জ্ঞান-বুদ্ধি ও পাণ্ডিত্য দিয়ে বুদ্ধিজীবীরা স্বতন্ত্র ভঙ্গিতে মানুষ, সমাজ ও রাষ্ট্রের মঙ্গলে এবং সব অমঙ্গলের বিপক্ষে ভূমিকা রাখেন। সব সমাজেই বুদ্ধিজীবী হিসেবে গণ্য হওয়া এমন বিরল গুণের মানুষের সংখ্যা খুব কম হয়। বুদ্ধিজীবীদের চিন্তা ও কাজের জগৎ হয় স্বাধীন। তাদের পাণ্ডিত্য সমাজে সব ধরনের সংকট সমাধানে পথপ্রদর্শন করে। অন্যভাবে বললে, যার যার সঠিক পথে এগোতে নিজেদের কাজ দিয়ে মানব মনে প্রভাব বিস্তার করেন তারা, হন সমাজ ও রাষ্ট্রের দর্শন, আদর্শ ও নৈতিক চর্চার দিকনির্দেশক। তারা নিজেদের কাজের চর্চাকে শাণিত করে অনন্য ব্যতিক্রমী উচ্চতায় নিয়ে যান। এমন বুদ্ধিজীবীদের বৈচিত্র্যময় অবদানে একটি সমাজ, রাষ্ট্র ও দেশের মানুষের জীবন সুন্দর হয়ে ওঠে। এই সৌন্দর্য থেকে বঞ্চিত করতেই একাত্তরে মহান মুক্তিযুদ্ধে দখলদার পাকিস্তানি সেনারা বাংলাদেশে তাদের দালালদের নিয়ে বাঙালি বুদ্ধিজীবীদের হত্যার নীলনকশা বাস্তবায়ন করে।

জ্ঞানবুদ্ধির সাধকেরা ন্যায়-অন্যায়, ভালো-মন্দ, সত্য-মিথ্যা, সঠিক-বেঠিক, ন্যায্য-অন্যায্যর ভিত্তিতে সবকিছু বিচার-বিশ্লেষণ করবেন, এমনটাই প্রত্যাশিত। কিন্তু আজ বিভক্ত বিবেকের কারণে মানদণ্ডও বিভক্ত। একই ব্যক্তির কাছে কারও অন্যায় অগ্রহণযোগ্য, আবার অন্য কারও অন্যায় গ্রহণযোগ্য। বুদ্ধিবৃত্তিক চর্চার মানুষদের এমন বৈষম্যমূলক দৃষ্টিভঙ্গি বৃহত্তর সমাজকে ভুল চিন্তা, দর্শনের পথে ঠেলে দেয় এবং সাহসের সঙ্গে নীতি-নৈতিকতাপূর্ণ চর্চাকে বিভ্রান্ত ও দুর্বল করে।

ফলে অল্পবিদ্যায় গড়ে ওঠা আমাদের ভয়ংকর সমাজে প্রকৃত বুদ্ধিদীপ্ত ও জ্ঞান সাধনালব্ধ পাণ্ডিত্য চর্চার অস্তিত্ব কেবলই বিপদগ্রস্ত হচ্ছে। এখানে নানা রকম বিদ্যালয় বেড়েছে, বিদ্যা নেওয়ার মানুষও বেড়েছে। কিন্তু প্রয়োজনীয় শিক্ষা সংকুচিত হয়েছে। অশিক্ষার চেয়ে ভয়ংকর হয়ে উঠেছে অর্ধশিক্ষা ও কুশিক্ষা। প্রকৃত জ্ঞান ও বুদ্ধিবৃত্তিক চর্চা আমাদের সমাজে কঠিনতর বাস্তবতার পাকে পড়েছে।

এর থেকে উত্তরণের পথ খুঁজে পেতে হবে। এখনো দেশে যারা বুদ্ধিবৃত্তিক চর্চা চালিয়ে যাচ্ছেন, তাদের এ ব্যাপারে বিশেষ ভূমিকা পালনের সুযোগ রয়েছে। গণতন্ত্রে ক্ষমতার বিরোধী স্বরের উপস্থিতি দরকার। এবং সেই স্বরটি কেবল প্রথাসিদ্ধ রাজনৈতিক বিরোধী দল জোগান দিতে পারে না। কারণ, প্রকৃত প্রস্তাবে তারাও রাষ্ট্রীয় ব্যবস্থারই অংশবিশেষ। রাষ্ট্রই তাদের বিরোধীর মর্যাদা দেয়। কাজেই রাষ্ট্র-বহির্ভূত বিরোধিতার স্বর গড়ে তুলতে হয়। এবং সেই স্বর গড়ে তুলতে পারেন বুদ্ধিজীবীরা।

লেখক: গবেষক

[এই মতামত লেখকের নিজস্ব। এর সঙ্গে ইনডিপেনডেন্ট টেলিভিশনের প্রাতিষ্ঠানিক সম্পাদকীয় নীতিমালার কোনো সম্পর্ক নেই।] 

আর্জেন্টিনা-ব্রাজিলের চিরন্তন দ্বৈরথের বাইরে এসে বাংলাদেশে জন্ম নিচ্ছে এক নতুন ফুটবল বসন্ত। কোনো পূর্বপুরুষের প্রভাব ছাড়াই, সম্পূর্ণ নিজস্ব পছন্দে একটি দেশের নতুন প্রজন্ম পর্তুগালের লাল-সবুজ...
ধরুন, আজ হাসপাতালে এক শিশু জন্ম নিলো। সাথে সাথেই হাসপাতাল থেকে তার নামে একটি আইডি খোলা হবে। যা সরাসরি জাতীয় সার্ভারে আবেদন আকারে যুক্ত হয়ে যাবে। সরকার বা অ্যাডমিন কর্তৃপক্ষ সেই আবেদনের সব তথ্য...
সাবেক দুই আমির ভুল স্বীকার করেছেন, কিন্তু অন্যায় মানেননি। বর্তমান আমির প্রথমবারের মতো অন্যায় স্বীকার করে ক্ষমা চেয়েছেন। অর্থাৎ জামায়াতের ক্ষমা এখনো ব্যক্তিগত বিবৃতি ও রাজনৈতিক অবস্থানের মাঝামাঝি এক...
কাজী নজরুল ইসলাম। এক বিস্ময়কর প্রতিভার কবি। সাহিত্যিক, শিল্পী, গীতিকার, সুরকার, স্বাধীনতা সংগ্রামী। সর্বোপরী একজন পরিপূর্ণ মানুষের নাম। তাঁকে এই কয়েকটি অভিধায় অভিহিত করে সম্পূর্ণ প্রকাশ অসম্ভব। আমি...
ফ্যামিলি কার্ড কর্মসূচি ধাপে ধাপে সারা দেশে সম্প্রসারণের নির্দেশ দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। স্বচ্ছ উপকারভোগী নির্বাচন, নির্ভুল তথ্যভান্ডার, আধুনিক প্রযুক্তির ব্যবহার ও আন্তঃমন্ত্রণালয়...
ডলারের বাজারে আবারও চাপ বেড়েছে। সপ্তাহের ব্যবধানে প্রতি ডলারের দাম বেড়েছে ৫০ পয়সা। বাংলাদেশ ব্যাংক বলছে, জুন শেষে সরকারের বৈদেশিক ঋণ পরিশোধসহ বিভিন্ন আমদানি ব্যয় মেটানোয় ডলারের দাম কিছুটা...
রাজধানীর মিরপুরের পল্লবীর সিটি ক্লাব এলাকায় বিশ্বকাপ ফুটবল খেলা দেখার সময় আতশবাজি বিস্ফোরণে চার যুবক দগ্ধ হয়েছেন। তারা হলেন মো. সাকিব, রিফাত, সজীব ও তাহসিন। তাদের মধ্যে তিনজন প্রাথমিক চিকিৎসা নিয়ে...
অস্বাভাবিক ভাড়া ও অব্যবস্থাপনার কারণে ভরা মৌসুমেও পর্যটকশূন্য কিশোরগঞ্জের হাওর। ফলে, বিপাকে নৌকার মাঝি, হোটেল মালিকসহ হাজারো মানুষ। পর্যটকদের অভিযোগ, ট্রলার ভাড়া ও খাবারের বাড়তি দাম, অপরিচ্ছন্ন...
লোডিং...

এলাকার খবর