প্রকাশ : ৩০ মে ২০২৩, ০৬:২৭ পিএমআপডেট : ৩০ মে ২০২৩, ০৬:৩৩ পিএম
ছবি: কিটি হেল্প ডেস্ক
বাড়িতে নিজের ছয়টি পোষ্য বিড়াল রয়েছে পিঙ্গলার। কোন কারণ ছাড়াই বিড়ালগুলো ছোটাছুটি করছে। খেলার জন্য নয়, তারা আসলো ভয় পেয়েছে। এমনটি যে কোন পোষ্য বিড়ালই করতে পারে। কিন্তু কেন?
বিশেষজ্ঞরা বলছেন, বিড়াল যখন ভয় পায়, তখন তাদের আচার-আচরণে সেটা প্রকাশ পায়। চেনা পোষ্যের অচেনা ব্যবহার কেমন হবে আর তখন কী বা করবেন?
খেয়াল করলে দেখতে পাবেন, দরজায় সামান্য ঘণ্টার শব্দে লুকিয়ে পড়ছে। হঠাৎই পরিবারের সদস্যদের অথবা অতিথিদের দেখলেই কেমন যেন সাবধানী হয়ে পড়ছে। আবার লিটার বক্সের বাইরে ঘরের যেখানে-সেখানে ইউরিনেট কিংবা মলত্যাগ করছে। এই অদ্ভুত আচরণ দেখলেই বুঝতে হবে আপনার পোষ্য ভয় পেয়েছে।
এখন প্রশ্ন হলো বিড়াল কোন কারণ ছাড়া ভয় পেল কেন? এটা বুঝতে হলে তার সঙ্গে ঘটে যাওয়া পুরো ব্যাপারটাতে খেয়াল রাখতে হবে। একজন অতিথির উপস্থিতি আপনার কাছে খুব আনন্দের হলেও পোষ্যটির কাছে একটা নতুন গন্ধ, নতুন মানুষ এবং দৈনন্দিন রুটিনে ছন্দ পতন। আপনি হয় তো এই ব্যাপারটা খেয়ালই করেননি। এছাড়াও নতুন পোষ্য আসা, নতুন সন্তান আসা, বাড়ির ইন্টেরিয়রের পরিবর্তনও তার ভয়ের কারণ হতে পারে।
ক্যাট বিহেভিওর কনসালট্যান্ট ডক্টর মাইকেল ডেলগ্যাডোর মতে, তারা আসলে ‘মেসোপ্রিডেটরস' অর্থাৎ তারা ফুডচেইনের একেবারে উপরের সারিতে নেই। অন্য প্রাণীর মতো তারাও কিন্তু শিকার হতে পারে, এই ভয়টা বিড়ালদের মধ্যে আছে। তাই অপরিচিত বা অচেনা পরিস্থিতিতে তারা সাবধানী হয়ে পড়ে। এখান থেকেই জন্ম নেয় ভয়। এমন সময় বিড়াল অত্যন্ত আক্রমণাত্মক হয়ে পড়ে। সে ঘন ঘন সারা শরীর চাটতে থাকে।
এখন প্রশ্ন হলো, কীভাবে বিড়ালের এই উদ্বেগের উপশম করা যায়? তার একমাত্র উত্তর, বিড়ালের অস্বস্তির কারণগুলো যতটা সম্ভব দূর করে দেওয়া। বাড়িকে বিড়ালদের জন্য আরও বেশি করে 'হ্যাপিয়ার হোম‘ করে তুলতে হবে। প্রাকৃতিক কারণে বিড়াল শিকার করতে পছন্দ করে। তাই শিকার-শিকার খেলায় ব্যস্ত রাখতে পারলে তার মনের পক্ষে ভালো। বাড়িতে যদি একাধিক বিড়াল থাকে তা হলে তাদের জন্য আলাদা লিটার বক্স আর ফিডিং স্টেশন রাখতে হবে। তাহলে স্ট্রেস কমবে অনেকটাই। অনেক বিড়াল ‘ভার্টিকাল স্পেস' পছন্দ করে। তাদের জন্য 'ক্যাট ট্রি' ব্যবহার করলে ভালো হয়। যেখান থেকে তারা পুরো বাড়ি নিরাপদ দূরত্ব থেকে দেখতে পাবে। নিরাপদ জায়গায় থাকলে তার টেনশন কমবে।
এই সবকিছুই হলো বিড়ালের মনকে উদ্বেগ মুক্ত করার জন্য। এখন এর কোনও কিছুতেই যদি বিড়াল সাড়া না দেয়, তা হলে 'ফিলাইন ফেরোমোন' ব্যাবহার করুন। এই রাসায়নিকটি ডিফিউজার বা স্প্রে হিসেবে বাজারে পাওয়া যায়। এতেও পোষ্যের উদ্বেগ কমে।
দবাংলাদেশ ও চীনের মধ্যে শাসনব্যবস্থা, উন্নয়ন অভিজ্ঞতা ও কৌশলগত সহযোগিতা আরও জোরদারের লক্ষ্যে শুক্রবার হয় দিনব্যাপী উচ্চপর্যায়ের ‘চায়না-বাংলাদেশ রাউন্ড টেবিল অন গভর্ন্যান্স এক্সপেরিয়েন্স’।
রাজধানীর...
ঢাকায় ধর্মরাজিক বৌদ্ধ মহাবিহারের স্কুল শিক্ষার্থীদের মাঝে পোশাক, জুতাসহ আর্থিক অনুদান প্রদান করেছে আপন ফ্রেন্ডশিপ এক্সচেঞ্জ সেন্টার। শনিবার সকালে আয়োজিত এ অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন সংস্থাটির...
বাংলাদেশি চারুশিল্পী সংসদের একটি প্রতিনিধি দল আজ সংস্কৃতি মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী নিতাই রায় চৌধুরীর সঙ্গে তার কার্যালয়ে সাক্ষাৎ করেছে। সাক্ষাৎকালে দেশের চারুশিল্পের বিকাশ, শিল্পীদের কল্যাণ এবং জাতীয়...
জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদের ৮১তম অধিবেশন শুরু হচ্ছে আজ। নিউ ইয়র্কে জাতিসংঘের সদর দপ্তরে অনুষ্ঠিত এই অধিবেশনে সভাপতির দায়িত্ব নিচ্ছেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. খলিলুর রহমান। এরমধ্যে দিয়ে ৪০ বছর পর জাতিসংঘ...
বাংলাদেশ মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ের পরীক্ষা-নিরীক্ষার লভ্যাংশের বদলে মোট আয়ের ওপর অর্থ ভাগ-বাঁটোয়ারার মাধ্যমে কোটি টাকার অনিয়মের অভিযোগ উঠেছে। সরকারি নিয়ম লঙ্ঘন করে নেওয়া এই অর্থ আদায় এবং সার্বিক অডিট...
দেশের প্রান্তিক অঞ্চলের স্বাস্থ্যকেন্দ্রগুলোতে জরুরি অক্সিজেনের সংকট কাটাতে এবং নিরবচ্ছিন্ন সেবা নিশ্চিত করতে যৌথ উদ্যোগ নিয়েছে স্ট্যান্ডার্ড চার্টার্ড বাংলাদেশ ও আন্তর্জাতিক স্বাস্থ্য গবেষণা...
পোষ্য বিড়াল কেন ভয় পায়?
বিশেষজ্ঞরা বলছেন, বিড়াল যখন ভয় পায়, তখন তাদের আচার-আচরণে সেটা প্রকাশ পায়। চেনা পোষ্যের অচেনা ব্যবহার কেমন হবে আর তখন কী বা করবেন?
খেয়াল করলে দেখতে পাবেন, দরজায় সামান্য ঘণ্টার শব্দে লুকিয়ে পড়ছে। হঠাৎই পরিবারের সদস্যদের অথবা অতিথিদের দেখলেই কেমন যেন সাবধানী হয়ে পড়ছে। আবার লিটার বক্সের বাইরে ঘরের যেখানে-সেখানে ইউরিনেট কিংবা মলত্যাগ করছে। এই অদ্ভুত আচরণ দেখলেই বুঝতে হবে আপনার পোষ্য ভয় পেয়েছে।
এখন প্রশ্ন হলো বিড়াল কোন কারণ ছাড়া ভয় পেল কেন? এটা বুঝতে হলে তার সঙ্গে ঘটে যাওয়া পুরো ব্যাপারটাতে খেয়াল রাখতে হবে। একজন অতিথির উপস্থিতি আপনার কাছে খুব আনন্দের হলেও পোষ্যটির কাছে একটা নতুন গন্ধ, নতুন মানুষ এবং দৈনন্দিন রুটিনে ছন্দ পতন। আপনি হয় তো এই ব্যাপারটা খেয়ালই করেননি। এছাড়াও নতুন পোষ্য আসা, নতুন সন্তান আসা, বাড়ির ইন্টেরিয়রের পরিবর্তনও তার ভয়ের কারণ হতে পারে।
ক্যাট বিহেভিওর কনসালট্যান্ট ডক্টর মাইকেল ডেলগ্যাডোর মতে, তারা আসলে ‘মেসোপ্রিডেটরস' অর্থাৎ তারা ফুডচেইনের একেবারে উপরের সারিতে নেই। অন্য প্রাণীর মতো তারাও কিন্তু শিকার হতে পারে, এই ভয়টা বিড়ালদের মধ্যে আছে। তাই অপরিচিত বা অচেনা পরিস্থিতিতে তারা সাবধানী হয়ে পড়ে। এখান থেকেই জন্ম নেয় ভয়। এমন সময় বিড়াল অত্যন্ত আক্রমণাত্মক হয়ে পড়ে। সে ঘন ঘন সারা শরীর চাটতে থাকে।
এখন প্রশ্ন হলো, কীভাবে বিড়ালের এই উদ্বেগের উপশম করা যায়? তার একমাত্র উত্তর, বিড়ালের অস্বস্তির কারণগুলো যতটা সম্ভব দূর করে দেওয়া। বাড়িকে বিড়ালদের জন্য আরও বেশি করে 'হ্যাপিয়ার হোম‘ করে তুলতে হবে। প্রাকৃতিক কারণে বিড়াল শিকার করতে পছন্দ করে। তাই শিকার-শিকার খেলায় ব্যস্ত রাখতে পারলে তার মনের পক্ষে ভালো। বাড়িতে যদি একাধিক বিড়াল থাকে তা হলে তাদের জন্য আলাদা লিটার বক্স আর ফিডিং স্টেশন রাখতে হবে। তাহলে স্ট্রেস কমবে অনেকটাই। অনেক বিড়াল ‘ভার্টিকাল স্পেস' পছন্দ করে। তাদের জন্য 'ক্যাট ট্রি' ব্যবহার করলে ভালো হয়। যেখান থেকে তারা পুরো বাড়ি নিরাপদ দূরত্ব থেকে দেখতে পাবে। নিরাপদ জায়গায় থাকলে তার টেনশন কমবে।
এই সবকিছুই হলো বিড়ালের মনকে উদ্বেগ মুক্ত করার জন্য। এখন এর কোনও কিছুতেই যদি বিড়াল সাড়া না দেয়, তা হলে 'ফিলাইন ফেরোমোন' ব্যাবহার করুন। এই রাসায়নিকটি ডিফিউজার বা স্প্রে হিসেবে বাজারে পাওয়া যায়। এতেও পোষ্যের উদ্বেগ কমে।