দিনাজপুর-৬ আসনে এবার মূল লড়াই হবে বিএনপি ও জামায়াতের মধ্যে। কারণ অন্য দলগুলোর সাংগঠনিক কার্যক্রম খুব একটা নেই। সেখানে বিএনপির এজেডএম জাহিদ হোসেন এবং জামায়াতের আনোয়ারুল ইসলাম দুজনকেই হেভিওয়েট মানা হচ্ছে। হিলি স্থলবন্দর ঘিরে অবকাঠামো উন্নয়নেই প্রতিশ্রুতি বেশি দিচ্ছেন তাঁরা। তবে ভোটারেরা বলেছেন, এমন প্রতিশ্রুতি বহু শুনেছেন এবার চান বাস্তবায়নের অঙ্গীকার।
দিনাজপুর-৬ আসনে ধানের শীষ নিয়ে শুধু ১৯৮৬ সালে ভোটে অংশ নেয় বিএনপি। তবে এরশাদের আমলের সে নির্বাচন নিয়ে বহু সমালোচনা আছে। এর পর আর এককভাবে নির্বাচন করেনি বিএনপি। এবার মনোনয়ন পেয়েছেন প্রয়াত চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার ব্যক্তিগত চিকিৎসক এজেডএম জাহিদ হোসেন। এ জন্য দলটির অবস্থান শক্ত বলে ধারণা অনেকের।
১৯৯১ সালে এখানে জয় পায় জামায়াত। ১৯৯৬ সালে এমপি হয় আওয়ামী লীগ থেকে। ২০০১ সালে চারদলীয় জোট থেকে জয়ী হয় জামায়াত। ২০০৮ এবং পরের বিতর্কিত তিনটি নির্বাচনে নৌকা জয় পায়। সে হিসাবে এবার জামায়াতের আনোয়ারুল ইসলামের অবস্থান দুর্বল নয় বলেও ধারণা করা হচ্ছে।
হিলি স্থলবন্দরের কারণে এখানে ব্যবসা-বাণিজ্য চাঙ্গা থাকলেও উন্নয়ন সেভাবে হয়নি। দুই হেভিওয়েট প্রার্থীর প্রতিশ্রুতিও তাই অবকাঠামো ঘিরে।
বিএনপি মনোনীত প্রার্থী ডা. এ জেড এম জাহিদ হোসেন জানান, নির্বাচিত হলে এখানকার যোগাযোগ ব্যাবস্থার উন্নয়নে জোর দেওয়া হবে।
জামায়াত ইসলামী মনোনীত প্রার্থী মোহাম্মদ আনোয়ারুল ইসলাম জানান, জনসমর্থনে নির্বাচিত হলে কাঁচা রাস্তাগুলো পাকা করা হবে।
প্রতিশ্রুতি আগেও বহু শুনেছেন এখানকার মানুষ। তবে এবার ভুল করতে চান না ভোটারেরা।



